Shuru
Apke Nagar Ki App…
পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত কর্পূর বাগানে নবনির্মিত খাটু শ্যাম মন্দিরটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ চলছিল, যা অবশেষে সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ পেল। মূলত মাড়োয়ারি সমাজের একান্ত প্রচেষ্টায় এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরটি উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে দর্শনের জন্য। এই মন্দিরে মহাভারতের অন্যতম ব্যতিক্রমী ও মর্মান্তিক চরিত্র বর্বরিকের পূজা করা হয়, যিনি পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম ভীমের পৌত্র এবং ঘটোৎকচের পুত্র। শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদে তিনি কলিযুগে তাঁর নাম অর্থাৎ শ্যাম নামেই পূজিত হন। পুরুলিয়া শহরের নবনির্মিত এই খাটুশ্যাম মন্দিরে ভক্ত সাধারণের উপচে পড়া উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
Singer Chiranjit Banerjee
পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত কর্পূর বাগানে নবনির্মিত খাটু শ্যাম মন্দিরটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ চলছিল, যা অবশেষে সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশ পেল। মূলত মাড়োয়ারি সমাজের একান্ত প্রচেষ্টায় এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছে। মন্দিরটি উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকেই হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নেমেছে দর্শনের জন্য। এই মন্দিরে মহাভারতের অন্যতম ব্যতিক্রমী ও মর্মান্তিক চরিত্র বর্বরিকের পূজা করা হয়, যিনি পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম ভীমের পৌত্র এবং ঘটোৎকচের পুত্র। শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদে তিনি কলিযুগে তাঁর নাম অর্থাৎ শ্যাম নামেই পূজিত হন। পুরুলিয়া শহরের নবনির্মিত এই খাটুশ্যাম মন্দিরে ভক্ত সাধারণের উপচে পড়া উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রাজ্য বাজেটে পুরুলিয়ায় একটি বিমানবন্দর তৈরির ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে আনন্দের ও খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে, যা পরিবহণ ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পুরুলিয়া এবার আকাশপথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে ছররাতে এই বিমানবন্দর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।1
- আন্তঃরাজ্য ভলিবল প্রতিযোগিতা ছড়রা হাই স্কুল প্রাঙ্গণে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় ঝাড়খণ্ড, বিহার এবং ওড়িশার নামিদামি ভলিবল দল অংশগ্রহণ করে। এই ইভেন্টে ভারতীয় জাতীয় দলের বেশ কিছু নিয়মিত খেলোয়াড়ও শামিল ছিলেন, যা প্রতিযোগিতার মানকে আরও উন্নত করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এই ভলিবল প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করা নিয়ে আয়োজক কমিটির উদ্যোক্তারা স্বভাবতই উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে, মেঘের ঘাটতি হওয়ায় বা আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায়, প্রতিযোগিতাটি আবার শুরু করা সম্ভব হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।2
- পুরুলিয়া মফস্বল থানার টাটাড়ি গ্রামের মানুষেরা মিড ডে মিলে নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলের মিড ডে মিলের ভাত পোকা চাল দিয়ে রান্না করা হচ্ছে এবং সব্জিতে কানা বেগুন ব্যবহার করা হচ্ছে। এই গুরুতর অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা প্রধান শিক্ষককে আটক করেন এবং রান্নার জন্য ব্যবহৃত এই নিম্নমানের খাবার প্রদর্শন করে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার কোটশিলা মহাবিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই উদযাপন প্রসঙ্গে শিক্ষক সঞ্জীতার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।1
- পুরুলিয়ায় মিড ডে মিলে দুর্নীতি এবং নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।1
- বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাদের প্রথম বাজেটেই সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে, যার ফলে সরকারি কর্মচারীরা অত্যন্ত খুশি। শিক্ষকরা রাজ্য সরকারের এই প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। এই প্রসঙ্গে শিক্ষক অনুপ কুমার মন্ডলও তাঁর বক্তব্য জানিয়েছেন।1
- আড়ষা, ঝালদা, কোটশিলা, টামনা, সিরকাবাদ, জয়পুর এবং বেগুনকুদর সহ পুরুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি থেকে রক্ত নমুনা সংগ্রহ করে নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিষেবাটি সুলভ মূল্যে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে দ্রুত এবং নির্ভুল রিপোর্ট প্রদানের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অভিজ্ঞ ল্যাব টেকনিশিয়ান দ্বারা এই নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এই সুবিধা পেতে বা আরও তথ্যের জন্য, ৮৯৪২৮৫৪৭১৩ নম্বরে ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যেতে পারে।1
- পরিবর্তনের সরকারের প্রথম বাজেটে ছড়রা বিমানবন্দর নিয়ে ঘোষণার পর স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ও খুশি এলাকাবাসী। একরাশ স্বপ্ন ও আশা নিয়ে তারা এখন বুক বাঁধছেন, যদিও এটি কেবল ঘোষণা নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ জমানায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই ছড়রা এয়ারপোর্ট তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীকালে, বাম আমলে তৎকালীন পরিবহন মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী এই মাটিতেই চন্দ্র-সূর্য সাক্ষী রেখে বিমানবন্দর তৈরির ঘোষণা করেছিলেন। এছাড়াও, দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে এসে বারবার প্রশাসনিক বৈঠকে এই বিষয়টি উত্থাপন করেছিলেন, যা এলাকাবাসীর মনে নতুন করে আশা জাগিয়েছিল। অতীতে এই আগাম পূর্বাভাসকে কেন্দ্র করে এলাকার জমি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে জমি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে, এত ঘোষণার পরেও প্রস্তাবিত ছড়রা বিমানবন্দরটি শুধুমাত্র ঘোষণায় সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি বাস্তবে রূপায়ণ হবে, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মনে এখনো সংশয় রয়ে গেছে।1