Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার ধর্মনগরের গৌরীশেখর রায় স্পোর্টস ইনডোর হলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘Yoga for Healthy Ageing’ এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যোগপ্রেমী, ক্রীড়াবিদ, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। রাজ্যের বন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
Rahul Das
উত্তর ত্রিপুরা জেলা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে রবিবার ধর্মনগরের গৌরীশেখর রায় স্পোর্টস ইনডোর হলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘Yoga for Healthy Ageing’ এই স্লোগানকে কেন্দ্র করে আয়োজিত আজকের অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যোগপ্রেমী, ক্রীড়াবিদ, ছাত্র-ছাত্রী এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। রাজ্যের বন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই দাবির সমর্থনে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।1
- লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছাওমনু এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যেখানে ১০২ বছর বয়সে প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে গোটা এলাকা এবং রাজনৈতিক মহল স্তব্ধ হয়ে গেছে। জনসেবায় নিবেদিত এই প্রবীণ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়িতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এবং তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে।1
- পানিসাগর রেলওয়ে স্টেশন পরীক্ষামূলক বৈদ্যুতিক মেমো ট্রেনের আগমনের মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে। রেল পরিষেবা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।4
- উত্তর ত্রিপুরার পানিসাগর এলাকার অগ্নিপাশায় একটি বাস ও টুকটুকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। শেরওয়ালি নামের একটি বাসের সজোরে ধাক্কায় হাইস্পিড অটোটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। আহত শ্রমিকদের উন্নত চিকিৎসার জন্য উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।3
- কমলপুর, খোয়াই এবং আগরতলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ২০৮ নম্বর জাতীয় সড়কের অবস্থা অত্যন্ত বেহাল।1
- আন্তর্জাতিক ১২তম যোগ দিবস উপলক্ষে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে ভারত স্কাউটস অ্যান্ড গাইডসের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের স্কাউটস ও গাইডস সদস্যরা অংশগ্রহণ করে যোগব্যায়াম প্রদর্শন করেন এবং সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরেন। ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।1
- মাত্র এক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় তলিয়ে গেল রাজধানী আগরতলার রাজপথ থেকে অলিগলি। 'স্মার্ট সিটি' তকমাধারী এই শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে অমূলক নয়, তা ফের একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায়। বিকেল গড়াতেই আকাশ ভেঙে শুরু হওয়া ৬০ মিনিটের এই বৃষ্টিতে শহরের কৃষ্ণনগর, বটতলা, শকুন্তলা রোড এবং এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এলাকাগুলো কার্যত হ্রদে পরিণত হয়। হাঁটু সমান জল ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর জমে থাকা জলের কারণে যানবাহন চলাচল থমকে যায়। বেশ কিছু দোকানপাটে জল ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। এছাড়া ড্রেন উপচে নোংরা জল রাস্তায় মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও আতঙ্কিত। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "স্মার্ট সিটির তকমাটা কেবল খাতায়-কলমেই রয়ে গেল, দুর্ভোগ আমাদের কমলো না।" এদিকে, শহরের এই জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি?1