Shuru
Apke Nagar Ki App…
লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছাওমনু এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যেখানে ১০২ বছর বয়সে প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে গোটা এলাকা এবং রাজনৈতিক মহল স্তব্ধ হয়ে গেছে। জনসেবায় নিবেদিত এই প্রবীণ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়িতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এবং তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে।
Sonali Tripura News
লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছাওমনু এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যেখানে ১০২ বছর বয়সে প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে গোটা এলাকা এবং রাজনৈতিক মহল স্তব্ধ হয়ে গেছে। জনসেবায় নিবেদিত এই প্রবীণ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়িতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এবং তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- লংথারাইভ্যালি মহকুমার ছাওমনু এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যেখানে ১০২ বছর বয়সে প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে গোটা এলাকা এবং রাজনৈতিক মহল স্তব্ধ হয়ে গেছে। জনসেবায় নিবেদিত এই প্রবীণ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাড়িতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। তাঁর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এবং তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে।1
- প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরার প্রয়াণে গোটা এলাকা গভীর শোক ও স্তব্ধতায় ডুবে গেছে। তাঁর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে এমডিসি হলিউড চাকমা-সহ টিসিএফ-এর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রয়াত নেতার বাসভবনে উপস্থিত হয়েছেন। নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার মানুষ প্রয়াত আত্মার চিরশান্তি কামনা করেছেন।1
- ত্রিপুরার বাধারঘাটে রাতভর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে, যা গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি প্রেমঘটিত সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত রেষারেষিকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতীরা শুধু ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা গাড়ি এবং বাইক ড্রেনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।1
- খোয়াই জেলা বিজেপিতে নতুন সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সমীর দাস।1
- ১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে খোয়াইয়ে একটি যোগ ব্যায়ামের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ক্রীড়া মন্ত্রী সুশান্ত দেব সহ খোয়াইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যোগ ব্যায়ামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।4
- শনিবার বিকেলে সিপিআইএম নিদয়া অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে ভবানীপুর বাজারে এক প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক তথা বামপন্থী বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী এবং মহকুমার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অধীর ভৌমিক। সভার সভাপতিত্ব করেন সুভাষ দেব। এই কর্মসূচির মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম অত্যধিক হারে বৃদ্ধি করা, যার ফলস্বরূপ নিত্যপ্রয়োজনীয় সমস্ত সামগ্রীর দাম হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। অভিযোগ করা হয় যে, এই রাজ্যের সরকার বা প্রশাসনের এই বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতেই বামপন্থী দল মাঠে নেমে মানুষকে জানানোর জন্য ধনপুর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থানগুলিতে প্রতিবাদে সরব হয়ে মিছিল ও সভা সংঘটিত করে চলেছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার বহু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কর্মসূচিতে বামেরা সরব হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাদের এই কর্মসূচিকে আশি শতাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছে। দলীয় সূত্র আরও জানায় যে, আগামী দিনে বাকি যে সমস্ত বাণিজ্যিক এলাকাগুলি রয়েছে, প্রতিটিতেই তাদের এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে সংগঠন শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থনও পাচ্ছে। সিপিআইএম এই ইস্যুটিকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী বলে মনে করছে।1
- ৪৯-চাউমানু বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাজয় ত্রিপুরা গত রাতে প্রায় ১১টা নাগাদ ১০২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তিনি এলাকার মানুষের কাছে একজন সম্মানিত জননেতা এবং পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর প্রয়াণে চাউমানু এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। জনসেবায় এবং মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করা হয়েছে।2
- গোমতী জেলায় মহিলাদের সুরক্ষা, আইনি সহায়তা এবং ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত ওয়ান স্টপ সেন্টারগুলি কিছু ব্যক্তির ব্যক্তিগত রোজগারের আখড়ায় পরিণত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওয়ান স্টপ সেন্টারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তথা আইনজীবী দেবজিতা শিব। চন্দ্রপুর ৭ নম্বর কলোনির বাসিন্দা শুভম শীল অভিযোগ করেছেন যে, পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের নামে তাঁর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। শুভম আরও দাবি করেছেন যে, এই টাকা চাওয়ার ফোনালাপের রেকর্ডিংও তাঁর কাছে রয়েছে। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে যে, সরকারি অর্থে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে যেখানে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার বেতন দিচ্ছে, সেখানে একজন দিনমজুরের কাছ থেকে কোন আইন বা সরকারি নিয়মের বলে টাকা দাবি করা হলো? নাকি সরকারি পদকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবসা ফাঁদা হচ্ছে? সূত্রের দাবি, একদিকে ওয়ান স্টপ সেন্টার থেকে সরকারি বেতন এবং অন্যদিকে সেন্টারে আসা বিবাহ বিচ্ছেদ ও অন্যান্য মামলার পক্ষদের নিজের মক্কেল বানিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে দেবজিতা শিব 'এক ঢিলে দুই পাখি' মারছেন বলে অভিযোগ উঠছে। যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি শুধুমাত্র অনৈতিক নয়, সরকারি দায়িত্বের চরম অপব্যবহার। শুভমের পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নাকচ করে দিয়ে বলা হয়, ১২ হাজার টাকার এক পয়সাও কম হবে না, যা আইনি সহায়তা নাকি দর কষাকষি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ওয়ান স্টপ সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও দেবজিতা শিব দিনের অধিকাংশ সময় আদালতে ব্যক্তিগত আইন পেশায় ব্যস্ত থাকেন, যা তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এই সমস্ত বিষয়ে অবগত? যদি তারা অবগত হন, তাহলে কেন এখনও পর্যন্ত তদন্ত শুরু হয়নি? আর যদি অবগত না হন, তাহলে প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? গোমতী জেলার সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে এই ঘটনা ধামাচাপা না দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগ মিথ্যা হলে সত্য সামনে আসুক, আর অভিযোগ সত্য হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কারণ জনগণের করের টাকায় পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত আয়ের যন্ত্রে পরিণত করার অধিকার কারও নেই।1