শুক্রবার দুপুরে সৃজনী প্রেক্ষা গৃহে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই চাষপদ্ধতির প্রসারের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় জৈব চাষের সম্ভাবনা, কৃষি উন্নয়ন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও দপ্তরের আধিকারিকরা প্রাকৃতিক কৃষির বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরেন। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব, সে বিষয়ে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, সৌরশক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে কম খরচে ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে সেচ ব্যবস্থার সুবিধাগুলিও ব্যাখ্যা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্ব পশ্চিমের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, পান্ডবেশ্বর ও বারাবনির বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি, লক্ষণ ঘড়ুই এবং অরিজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক পুন্নামবলম এস, দুর্গাপুর পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ সহ কৃষি দপ্তরের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে কৃষি দপ্তর প্রাকৃতিক কৃষির প্রসারে বিশেষ জোর দিয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে সৃজনী প্রেক্ষা গৃহে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই চাষপদ্ধতির প্রসারের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় জৈব চাষের সম্ভাবনা, কৃষি উন্নয়ন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও দপ্তরের আধিকারিকরা প্রাকৃতিক কৃষির বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরেন। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব, সে বিষয়ে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, সৌরশক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে কম খরচে ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে সেচ ব্যবস্থার সুবিধাগুলিও ব্যাখ্যা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্ব পশ্চিমের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, পান্ডবেশ্বর ও বারাবনির বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি, লক্ষণ ঘড়ুই এবং অরিজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক পুন্নামবলম এস, দুর্গাপুর পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ সহ কৃষি দপ্তরের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে কৃষি দপ্তর প্রাকৃতিক কৃষির প্রসারে বিশেষ জোর দিয়েছে।
- শুক্রবার সকাল ১১টায় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের প্রধান ফটকের সামনে ন্যাশনাল ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (এনএফআই) ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই পথসভা থেকে সংগঠনের জেলা সভাপতি বোমশঙ্কর রুইদাসের নেতৃত্বে দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের অভ্যন্তরে সমস্ত ধর্মীয় কার্যকলাপ বন্ধ রাখার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। এনএফআই ট্রেড ইউনিয়ন যুক্তি দিয়েছে যে, কারখানা উৎপাদনের স্থান হওয়ায় কাজের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বা নামাজের জন্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়া উচিত নয়। বোমশঙ্কর রুইদাস বলেন, যদি কারও ধর্মীয় অনুশীলনের প্রয়োজন হয়, তবে তা প্ল্যান্টের বাইরে করা উচিত। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, কারখানার ভেতরে কোনো একটি ধর্মের উপাসনাস্থল বা ধর্মীয় কার্যক্রমের অনুমতি দিলে অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রেও একই ধরনের দাবি উঠতে পারে। এনএফআই ট্রেড ইউনিয়নের মতে, কর্মস্থলকে সম্পূর্ণ ধর্ম নিরপেক্ষ ও উৎপাদনমুখী রাখা আবশ্যক। এছাড়াও, বোমশঙ্কর রুইদাস অভিযোগ করেছেন যে, অতীতে প্ল্যান্টে তৃণমূল-সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, শ্রমিকদের কাছ থেকে 'কাটমানি' আদায়, ঠিকাদারদের কাছ থেকে তোলা নেওয়া এবং চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করার মতো গুরুতর অনিয়ম হয়েছে। এনএফআই ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে স্টিল প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে, প্ল্যান্টে আর কোনো ধরনের অনিয়ম চলতে দেওয়া হবে না।1
- রাজনীতিবিদদের অহংকার হলে তাদের পতন নিশ্চিত, এই মর্মে তীব্র মন্তব্য করে সৌমিত্র সরাসরি অভিষেককে নিশানা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, অভিষেকের পতন আসলে অহংকারেরই ফল।1
- এক পথ দুর্ঘটনায় এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর পর তাঁর শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। এই দুঃসময়ে বিধায়ক তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন।1
- এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় একজন বিজেপি কর্মী মারা গেছেন। এই দুঃখজনক ঘটনার পর ইন্দাসের বিধায়ক মৃত কর্মীর পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।1
- শুক্রবার দুপুরে সৃজনী প্রেক্ষা গৃহে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই চাষপদ্ধতির প্রসারের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় জৈব চাষের সম্ভাবনা, কৃষি উন্নয়ন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও দপ্তরের আধিকারিকরা প্রাকৃতিক কৃষির বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরেন। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব, সে বিষয়ে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, সৌরশক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে কম খরচে ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে সেচ ব্যবস্থার সুবিধাগুলিও ব্যাখ্যা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্ব পশ্চিমের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, পান্ডবেশ্বর ও বারাবনির বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি, লক্ষণ ঘড়ুই এবং অরিজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক পুন্নামবলম এস, দুর্গাপুর পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ সহ কৃষি দপ্তরের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে কৃষি দপ্তর প্রাকৃতিক কৃষির প্রসারে বিশেষ জোর দিয়েছে।1
- এক পঞ্চায়েত প্রধানকে মদ্যপ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।1