Shuru
Apke Nagar Ki App…
রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে হরিশ্চন্দ্রপুর হাইস্কুল মাঠে একটি যোগাভ্যাস ও সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ এর সভাপতি অজয় পাসওয়ানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উত্তর মালদা যুব মোর্চার সহ-সভাপতি মনোজ দাসও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনের মূল বার্তা ছিল যোগের মাধ্যমে সুস্থ শরীর ও সুস্থ মন গড়ে তোলা। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন যোগাসন অনুশীলনের পাশাপাশি নিয়মিত যোগচর্চার উপকারিতা সম্পর্কেও সচেতনতা লাভ করেন। আয়োজকরা দাবি করেছেন যে, সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
MALDA SABAR NEWS Shuru App
রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে হরিশ্চন্দ্রপুর হাইস্কুল মাঠে একটি যোগাভ্যাস ও সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ এর সভাপতি অজয় পাসওয়ানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উত্তর মালদা যুব মোর্চার সহ-সভাপতি মনোজ দাসও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আয়োজনের মূল বার্তা ছিল যোগের মাধ্যমে সুস্থ শরীর ও সুস্থ মন গড়ে তোলা। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন যোগাসন অনুশীলনের পাশাপাশি নিয়মিত যোগচর্চার উপকারিতা সম্পর্কেও সচেতনতা লাভ করেন। আয়োজকরা দাবি করেছেন যে, সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানান দিক তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনে হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা সবার মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। সভায় বক্তারা বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বক্তারা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- মালদা জেলার গাজোলে রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। গাজোলের কোদুবাড়ি মোড় বাজার এলাকায় উলু-শঙ্খ ধ্বনি সহযোগে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই যোগা অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।1
- কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যেখানে তিনি বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে একে অপরের সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। অধীরের অভিযোগ অনুযায়ী, "বিজেপি মানেই হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির মানেই বিজেপি।" তিনি আরও দাবি করেন যে উভয়ই ধর্মের সুড়সুড়ি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে।1
- কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন কিনা, এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে সুতি থানার পুলিশ। গত শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮৮৭ পিস ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আনারুল হক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদের মোড় সংলগ্ন সুচনি পাড়া এলাকার একটি ইঁটভাটার সামনে সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তিন চাকার যান (টোটো) পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালালে তার ভেতর থেকে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। ধৃত আনারুল হকের বাড়ি মালদা জেলার চাঁচল থানার শামসি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত ব্যক্তি একটি সক্রিয় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মালদা থেকে মাদকদ্রব্য এনে সুতি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তার। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্য, মজুতের স্থান এবং পাচারের রুট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে রবিবার আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাদক পাচার রুখতে ভবিষ্যতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।1
- রায়গঞ্জের কর্নজোড়া কালিবাড়ি এলাকায় শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি শুকনো গাছের ডাল আচমকা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। এই বিপত্তির জেরে রায়গঞ্জ-বালুরঘাট রাজ্য সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাস্তার পাশে থাকা গাছটি অনেক দিন ধরেই শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনো রকম ঝড়বৃষ্টি ছাড়াই হঠাৎ করে এই শুকনো ডালটি ভেঙে পড়ে বড়সড় সমস্যার সৃষ্টি করে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ছিঁড়ে যাওয়া বিদ্যুতের তার মেরামত করেন। কর্মীদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করেছে। এই উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়, যার পর বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়। অনুষ্ঠানে বিজেপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা উপস্থিতদের মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। বক্তারা তাঁদের ভাষণে বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিক উদযাপন নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তাঁরা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1