Shuru
Apke Nagar Ki App…
কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যেখানে তিনি বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে একে অপরের সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। অধীরের অভিযোগ অনুযায়ী, "বিজেপি মানেই হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির মানেই বিজেপি।" তিনি আরও দাবি করেন যে উভয়ই ধর্মের সুড়সুড়ি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে।
Daily Bulletin
কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যেখানে তিনি বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে একে অপরের সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। অধীরের অভিযোগ অনুযায়ী, "বিজেপি মানেই হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির মানেই বিজেপি।" তিনি আরও দাবি করেন যে উভয়ই ধর্মের সুড়সুড়ি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যেখানে তিনি বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে একে অপরের সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। অধীরের অভিযোগ অনুযায়ী, "বিজেপি মানেই হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির মানেই বিজেপি।" তিনি আরও দাবি করেন যে উভয়ই ধর্মের সুড়সুড়ি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে।1
- কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন কিনা, এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে সুতি থানার পুলিশ। গত শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮৮৭ পিস ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আনারুল হক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদের মোড় সংলগ্ন সুচনি পাড়া এলাকার একটি ইঁটভাটার সামনে সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তিন চাকার যান (টোটো) পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালালে তার ভেতর থেকে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। ধৃত আনারুল হকের বাড়ি মালদা জেলার চাঁচল থানার শামসি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত ব্যক্তি একটি সক্রিয় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মালদা থেকে মাদকদ্রব্য এনে সুতি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তার। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্য, মজুতের স্থান এবং পাচারের রুট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে রবিবার আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাদক পাচার রুখতে ভবিষ্যতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।1
- রবিবার ২১শে জুন, সারা দেশের পাশাপাশি মালদাতেও দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে যোগচর্চার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে। এদিন সকালে মালদা জেলাপ্রশাসনের উদ্যোগে মালদা শহরের সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী সহ বহু সাধারণ মানুষকে নিয়ে সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত যোগ শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেখানে সকলে নানান ধরনের যোগাভ্যাস ও প্রাণায়াম অনুশীলন করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাসের বার্তা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হয়।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- মালদা জেলার গাজোলে রবিবার সকালে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়েছে। গাজোলের কোদুবাড়ি মোড় বাজার এলাকায় উলু-শঙ্খ ধ্বনি সহযোগে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই যোগা অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।1
- মুর্শিদাবাদের চৈতন্যপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কার ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন কার্যত জরাজীর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে, যার প্রতিবাদে এলাকাবাসী হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন এবং পরিষেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাসপাতালটিকে অনলাইনে ১০ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো পরিকাঠামোই নেই। চিকিৎসক ও নার্সরা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না, এবং উপস্থিত থাকলেও রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা পান না। হাসপাতালের বিভিন্ন ঘর ভেঙে পড়ার মুখে এবং চত্বর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়ে প্রায় 'ভূতুড়ে হাসপাতাল'-এ পরিণত হয়েছে। এর ফলে সামান্য কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধ্য হন পরিজনেরা। স্থানীয়রা ক্ষোভের সঙ্গে জানান যে, এক সহৃদয় জমিদার হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জমি দান করেছিলেন, যা একসময় এলাকার মানুষের চিকিৎসার লাইফলাইন ছিল, কিন্তু বর্তমানে অবহেলা ও প্রশাসনের উদাসীনতায় সেই ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গ্রামবাসীরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মূল দাবিগুলি হলো: অবিলম্বে হাসপাতালের ইনডোর এবং আউটডোর পরিষেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে; গ্রামীণ হাসপাতালের উপযুক্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে; এবং হাসপাতালের জমি যাতে বেদখল না হয়, তার জন্য অবিলম্বে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।1