Shuru
Apke Nagar Ki App…
রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।
NEWS TIME 24x7
রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে সুতি থানার পুলিশ। গত শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮৮৭ পিস ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আনারুল হক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদের মোড় সংলগ্ন সুচনি পাড়া এলাকার একটি ইঁটভাটার সামনে সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তিন চাকার যান (টোটো) পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালালে তার ভেতর থেকে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। ধৃত আনারুল হকের বাড়ি মালদা জেলার চাঁচল থানার শামসি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত ব্যক্তি একটি সক্রিয় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মালদা থেকে মাদকদ্রব্য এনে সুতি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তার। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্য, মজুতের স্থান এবং পাচারের রুট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে রবিবার আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাদক পাচার রুখতে ভবিষ্যতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।1
- জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান সুতির নিমতিতা বিড়ি শ্রমিক হাসপাতালের জমি দখলের ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের চৈতন্যপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কার ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন কার্যত জরাজীর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে, যার প্রতিবাদে এলাকাবাসী হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন এবং পরিষেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাসপাতালটিকে অনলাইনে ১০ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো পরিকাঠামোই নেই। চিকিৎসক ও নার্সরা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না, এবং উপস্থিত থাকলেও রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা পান না। হাসপাতালের বিভিন্ন ঘর ভেঙে পড়ার মুখে এবং চত্বর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়ে প্রায় 'ভূতুড়ে হাসপাতাল'-এ পরিণত হয়েছে। এর ফলে সামান্য কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধ্য হন পরিজনেরা। স্থানীয়রা ক্ষোভের সঙ্গে জানান যে, এক সহৃদয় জমিদার হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জমি দান করেছিলেন, যা একসময় এলাকার মানুষের চিকিৎসার লাইফলাইন ছিল, কিন্তু বর্তমানে অবহেলা ও প্রশাসনের উদাসীনতায় সেই ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গ্রামবাসীরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মূল দাবিগুলি হলো: অবিলম্বে হাসপাতালের ইনডোর এবং আউটডোর পরিষেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে; গ্রামীণ হাসপাতালের উপযুক্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে; এবং হাসপাতালের জমি যাতে বেদখল না হয়, তার জন্য অবিলম্বে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও, একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সারা বছর ধরে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যোগশিক্ষা চালুর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে পড়াশোনার চাপ, মোবাইল ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ছোটবেলা থেকেই যোগাভ্যাসের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগচর্চার সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি মানসিক একাগ্রতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সৌমেন মণ্ডল জানান, অতীতে বিদ্যালয়গুলিতে যেমন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা বা পিটি ক্লাসের ব্যবস্থা ছিল, তেমনভাবেই নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে যোগশিক্ষাও চালু করা যেতে পারে। এতে ছাত্রছাত্রীরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বিশ্ব যোগ দিবসের আবহে শিক্ষামহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্কুলে যোগশিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এই দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অনেকেরই মত, পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত যোগাভ্যাস চালু হলে আগামী প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।1
- সারা দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীও যোগ দিয়েছেন। সরকারি আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষ সহ দেশের সর্বত্র এই উদযাপনে অংশ নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, জঙ্গিপুরের নেতাজি সুভাষ দ্বীপে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক চিত্ত মুখার্জী। রবিবার সকালে বিধায়ক ও সাধারণ মানুষ যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরচর্চায় সামিল হন। এলাকার প্রাতঃভ্রমণকারীরাও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। শরীরকে ফিট রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব সম্পর্কে বিধায়ক একটি বার্তা দিয়েছেন।1
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1