আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান সুতির নিমতিতা বিড়ি শ্রমিক হাসপাতালের জমি দখলের ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন।1
- বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও, একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সারা বছর ধরে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যোগশিক্ষা চালুর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে পড়াশোনার চাপ, মোবাইল ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ছোটবেলা থেকেই যোগাভ্যাসের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগচর্চার সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি মানসিক একাগ্রতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সৌমেন মণ্ডল জানান, অতীতে বিদ্যালয়গুলিতে যেমন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা বা পিটি ক্লাসের ব্যবস্থা ছিল, তেমনভাবেই নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে যোগশিক্ষাও চালু করা যেতে পারে। এতে ছাত্রছাত্রীরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বিশ্ব যোগ দিবসের আবহে শিক্ষামহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্কুলে যোগশিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এই দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অনেকেরই মত, পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত যোগাভ্যাস চালু হলে আগামী প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।1
- কাকুদের ট্রেন যাত্রার কিছু মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে, যা ভালোবাসার চিহ্ন বহন করে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা থানার অন্তর্গত পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রামের এক বাসিন্দা সেখানকার প্রধান রাস্তায় সঠিক জল নিকাশি ব্যবস্থার অভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গ্রামটির পরিচিতি হিসেবে পুলিন্দা (সারগাছি) গ্রাম, বেলডাঙ্গা থানা ও মুর্শিদাবাদ জেলার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে এই জল জমে থাকার ফলে সাধারণ মানুষ, স্কুলপড়ুয়া এবং রোগীদের যাতায়াত করতে চরম সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই গুরুতর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করা এবং একটি স্থায়ী ড্রেন তৈরি করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি দাবি তুলেছেন।2
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1