বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও, একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সারা বছর ধরে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যোগশিক্ষা চালুর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে পড়াশোনার চাপ, মোবাইল ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ছোটবেলা থেকেই যোগাভ্যাসের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগচর্চার সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি মানসিক একাগ্রতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সৌমেন মণ্ডল জানান, অতীতে বিদ্যালয়গুলিতে যেমন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা বা পিটি ক্লাসের ব্যবস্থা ছিল, তেমনভাবেই নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে যোগশিক্ষাও চালু করা যেতে পারে। এতে ছাত্রছাত্রীরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বিশ্ব যোগ দিবসের আবহে শিক্ষামহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্কুলে যোগশিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এই দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অনেকেরই মত, পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত যোগাভ্যাস চালু হলে আগামী প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যোগাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হলেও, একদিনের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সারা বছর ধরে যোগচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যোগশিক্ষা চালুর দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে পড়াশোনার চাপ, মোবাইল ও ইন্টারনেটের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ছোটবেলা থেকেই যোগাভ্যাসের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের জন্য বিদ্যালয় পর্যায়ে নিয়মিত যোগচর্চার সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, যোগ কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি মানসিক একাগ্রতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সৌমেন মণ্ডল জানান, অতীতে বিদ্যালয়গুলিতে যেমন নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা বা পিটি ক্লাসের ব্যবস্থা ছিল, তেমনভাবেই নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে যোগশিক্ষাও চালু করা যেতে পারে। এতে ছাত্রছাত্রীরা স্বাস্থ্য সচেতন হবে এবং ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক হবে। বিশ্ব যোগ দিবসের আবহে শিক্ষামহল ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্কুলে যোগশিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার এই দাবি ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অনেকেরই মত, পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিত যোগাভ্যাস চালু হলে আগামী প্রজন্ম শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
- মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলার জলঙ্গি বিধানসভার সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালিত হয়েছে, যা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মৎস্য সেলের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য মিছিলের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির নেতৃত্বে ছিলেন সন্দীপ কুমার বিশ্বাস ও নবকুমার সরকার। তাঁদের উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা দলীয় পতাকা ও ব্যানার হাতে নিয়ে এলাকাজুড়ে পদযাত্রা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবকে তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এই কর্মসূচিকে ঘিরে এলাকায় এক উৎসবের আবহ তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। মূলত ‘আমাদের মাটি, আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের পরিচয়’ এবং ‘আমাদের মাটি, আমাদের গর্ব’ এই বার্তাকে সামনে রেখেই সাগরপাড়ায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়, যা মিছিলের মধ্য দিয়ে বিজেপির শক্তি প্রদর্শন হিসেবেও বিবেচিত।1
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- কাকুদের ট্রেন যাত্রার কিছু মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে, যা ভালোবাসার চিহ্ন বহন করে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক অভিনব উপায়ে সুস্থ থাকার এই মহোৎসব পালিত হয়েছে। চিরাচরিত মাঠ বা হলের চার দেওয়ালের পরিবর্তে, এবার ফরাক্কার গঙ্গা বক্ষে নবনির্মিত নতুন সেতুতে এক মনোরম যোগ শিবিরের আয়োজন করা হয় ফরাক্কা ব্লক প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে। আজ সকালে ভোরের আলো ফুটতেই ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক, কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দলে দলে ফরাক্কার এই নতুন সেতুতে এসে উপস্থিত হন। গঙ্গার প্রবহমান হাওয়া এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাক্ষী রেখে একসঙ্গে বহু মানুষ যোগাসনে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ওপর এই অভিনব পরিবেশে যোগ অভ্যাস করতে পেরে ফরাক্কাবাসী স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- থানার আইসির চেয়ারে বসা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলেছেন মন্ত্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষ।1
- অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবগ্রামের চাণক বাসস্ট্যান্ড সরকারি অনুমোদিত বাসস্ট্যান্ড হিসেবে তার পথচলা শুরু করেছে। এখন থেকে সমস্ত সরকারি বাস নিয়ম মেনে এই স্ট্যান্ডে দাঁড়াবে। শনিবার সকাল প্রায় ১১টায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন বাসস্ট্যান্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। নবগ্রামের বিধায়ক দিলীপ সাহা ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচন করে এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে দু'নম্বর মন্ডল সভাপতি টোটন মিস্ত্রি-সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই চাণক বাসস্ট্যান্ডটিকে ফুল ও আলো দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছিল। উদ্যোক্তারা স্ট্যান্ডে আসা প্রথম সরকারি বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাঁদের মিষ্টিমুখও করান। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ডল সভাপতি জানান যে, চাণক এলাকাটিকে বাসস্ট্যান্ডের জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে একটি বড় সামাজিক উদ্দেশ্য রয়েছে। মূলত দুটি বিষয়কে এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: এই এলাকায় আদিবাসী স্কুল-সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায়, বাসস্ট্যান্ডটি চালু হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এছাড়া, এলাকার মহিলারা যাতে খুব ভোরে বা সন্ধের পর নিরাপদে এবং সহজেই যাতায়াত করতে পারেন, সেই সুরক্ষার দিকটিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1