শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।
শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে হাওড়া ব্রিজকে ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো আলোয় সজ্জিত করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে সেখানে একটি লেজার শো-ও আয়োজিত হচ্ছে। এই আলোর ঝলকানি এবং লেজার শো-এর মাধ্যমে শহর এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের নিমতিতা আন্ডারপাসে রাস্তা নির্মাণ কাজ ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এই নির্মাণ প্রকল্পে টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং কাজের সময়সূচি (শিডিউল) নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এই বিতর্কের জেরে রাস্তা তৈরির কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে যে, এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরেই মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এই বচসা ও অভিযোগের কারণেই নিমতিতা আন্ডারপাসের রাস্তা নির্মাণের কাজ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।1
- অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবগ্রামের চাণক বাসস্ট্যান্ড সরকারি অনুমোদিত বাসস্ট্যান্ড হিসেবে তার পথচলা শুরু করেছে। এখন থেকে সমস্ত সরকারি বাস নিয়ম মেনে এই স্ট্যান্ডে দাঁড়াবে। শনিবার সকাল প্রায় ১১টায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন বাসস্ট্যান্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। নবগ্রামের বিধায়ক দিলীপ সাহা ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচন করে এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে দু'নম্বর মন্ডল সভাপতি টোটন মিস্ত্রি-সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই চাণক বাসস্ট্যান্ডটিকে ফুল ও আলো দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছিল। উদ্যোক্তারা স্ট্যান্ডে আসা প্রথম সরকারি বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাঁদের মিষ্টিমুখও করান। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ডল সভাপতি জানান যে, চাণক এলাকাটিকে বাসস্ট্যান্ডের জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে একটি বড় সামাজিক উদ্দেশ্য রয়েছে। মূলত দুটি বিষয়কে এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: এই এলাকায় আদিবাসী স্কুল-সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায়, বাসস্ট্যান্ডটি চালু হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এছাড়া, এলাকার মহিলারা যাতে খুব ভোরে বা সন্ধের পর নিরাপদে এবং সহজেই যাতায়াত করতে পারেন, সেই সুরক্ষার দিকটিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দী পৌরসভায় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দুর্নীতির 'শুদ্ধিকরণ' করা হয়েছে। পৌরসভাকে গঙ্গাজল দিয়ে 'শুদ্ধ' করার এই প্রতীকী পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।1
- বীরভূমের লাভপুর সুন্দরপুর থেকে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত সংযোগকারী রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই বেহাল দশার কারণে স্থানীয়দের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।1
- ২০ জুন নলহাটির বিজেপি পার্টি অফিসে যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এদিনের কার্যক্রমে রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, নলহাটি টাউন সভাপতি সজল কুমার রায় এবং বীরভূম জেলা এক্সিকিউটিভ মেম্বার মহাপ্রসাদ লেট উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজ্য গঠনের পটভূমি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বাংলার স্বতন্ত্র পরিচয় রক্ষা এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী-এর অসামান্য অবদানের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন। তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। সামগ্রিকভাবে, নলহাটি বিজেপি পার্টি অফিসের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের এই অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।1
- খারাপ রাস্তার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন স্কুল, কলেজ এবং বাজারঘাটে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রবল অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। এই দুর্ভোগের কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই, অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধানে সরকার যাতে রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করে, তার জন্য সরকারের কাছে জোর আবেদন জানানো হয়েছে।1