২০ জুন নলহাটির বিজেপি পার্টি অফিসে যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এদিনের কার্যক্রমে রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, নলহাটি টাউন সভাপতি সজল কুমার রায় এবং বীরভূম জেলা এক্সিকিউটিভ মেম্বার মহাপ্রসাদ লেট উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজ্য গঠনের পটভূমি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বাংলার স্বতন্ত্র পরিচয় রক্ষা এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী-এর অসামান্য অবদানের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন। তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। সামগ্রিকভাবে, নলহাটি বিজেপি পার্টি অফিসের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের এই অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
২০ জুন নলহাটির বিজেপি পার্টি অফিসে যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এদিনের কার্যক্রমে রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা, বিজেপির স্টেট কাউন্সিলিং মেম্বার বিপ্লব কুমার ওঝা, বীরভূম জেলা কমিটির সদস্য সেন্টু ঘোষ, নলহাটি টাউন সভাপতি সজল কুমার রায় এবং বীরভূম জেলা এক্সিকিউটিভ মেম্বার মহাপ্রসাদ লেট উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং রাজ্য গঠনের পটভূমি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বাংলার স্বতন্ত্র পরিচয় রক্ষা এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী-এর অসামান্য অবদানের কথা সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করেন। তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। সামগ্রিকভাবে, নলহাটি বিজেপি পার্টি অফিসের পশ্চিমবঙ্গ দিবসের এই অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
- থানার আইসির চেয়ারে বসা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলেছেন মন্ত্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষ।1
- আজ ২০শে জুন, ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৪৭ সালের এই বিশেষ দিনটিতেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং চিন্তাভাবনার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। বঙ্গভঙ্গের সেই উত্তাল ও রক্তক্ষয়ী সময়ে বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ ‘হোমল্যান্ড’ বা নিজস্ব ভূমি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উল্লেখ্য, এই প্রথম রাজ্য তথা দেশজুড়ে সরকারি স্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্লকের বিডিও অফিস সভাগৃহে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শুরুতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রীরা ভক্তিভরে ‘বন্দে মাতরম’ গান গেয়ে দেশমাতার বন্দনা করে, যা অনুষ্ঠানের পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, ১৯৪৭ সালে ভারতভাগের সময় বাংলা দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়েছিল— একটি পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যটি পূর্ববঙ্গ। পূর্ববঙ্গ মূলত পাকিস্তানের অংশ হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে একটি পৃথক সার্বভৌম দেশের খণ্ড হিসেবে যুক্ত হয়। অন্যদিকে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময়োচিত ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থেকে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই আজ লক্ষ লক্ষ বাঙালি নিজেদের নিজস্ব ভূমিতে মাথা উঁচু করে সসম্মানে ও মর্যাদার সাথে বসবাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা আরও জানান যে, এই দীর্ঘ লড়াইয়ের সূচনা মূলত হয়েছিল ১৯৩৫ সালের ‘গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ বা ভারত শাসন আইন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক মানচিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিশেষ দিবসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি, ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সমর্থনে যে সকল ব্যক্তিত্ব ভোট দিয়েছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।1
- শনিবার মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা অবিলম্বে কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। উপেন যাদব নির্দল প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত হলেও পরে শাসক দল তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে কাজ করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে তাদের নাম আবাস যোজনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর পরই পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাটমানি হিসেবে কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ২০ হাজার, এমনকি কয়েকজনের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, কাটমানি দিতে না চাইলে উপভোক্তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হতো এবং দাবি মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই কারণে বহু উপভোক্তা বাধ্য হয়ে পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দিয়েছেন, যার ফলে এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু উপভোক্তা তাদের বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা একত্রিত হয়ে কাটমানি ফেরতের দাবিতে গ্রামের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।1
- সাগরপাড়া থানায় ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের (ওসি) চেয়ারে এক মন্ত্রীর বসার ঘটনা সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে মন্ত্রী গৌরী শংকরকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। মন্ত্রী দাবি করেছেন, ওই চেয়ারটি তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, যদি কেউ তাঁর এই দাবি প্রমাণ করতে না পারে, তাহলে তিনি মন্ত্রিত্ব পদ থেকে ইস্তফা দিতে প্রস্তুত।1
- কান্দি পৌরসভায় চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটকের পদত্যাগের ঠিক পরের দিন, শনিবার সকাল এগারোটা নাগাদ বিজেপি নেতৃত্ব পৌরসভাটিকে গঙ্গা জল দিয়ে শুদ্ধিকরণ করেছে। কান্দি বিধানসভার অবজার্ভার সুদীপ্ত সিনহা এবং জেলা বিজেপি নেত্রী বিনিতা রায় সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। এই শুদ্ধিকরণ অভিযান চেয়ারম্যানের ঘর সহ পৌরসভার সমস্ত ঘরে চালানো হয়। এই কর্মসূচির কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে যে, গতকাল শুক্রবার কান্দি পৌরসভার চেয়ারম্যান জয়দেব ঘটক তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এর পরেই বিজেপির উদ্যোগে এই শুদ্ধিকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।1
- কাকুদের ট্রেন যাত্রার কিছু মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে, যা ভালোবাসার চিহ্ন বহন করে।1
- সুতিতে প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।1
- ২০শে জুন, শনিবার, ফারাক্কা সার্কেলের অন্তর্গত বলিদাপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত মর্যাদা ও উদ্দীপনার সাথে "পশ্চিমবঙ্গ দিবস" উদযাপন করা হলো। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিদ্যালয়ে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিনের শুরুতেই শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য প্রভাতফেরি গ্রামের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। এরপর বিদ্যালয়ে ফিরে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়, যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সকলেই অংশ নেন। এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান ও রাজ্যের ইতিহাস সচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষ কুইজ পর্ব এবং শিশুদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীলতার বিকাশে তাদের দ্বারা তৈরি একটি বিশেষ দেওয়াল পত্রিকা লিখন ও প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে এক শিক্ষক মহাশয় বলেন যে, আজকের দিনটি পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের দিন। তিনি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং স্বামী প্রণবানন্দজীর মতো দূরদর্শী ব্যক্তিত্বদের সংগ্রাম ও অবদানের কথা স্মরণ করে জানান, তাঁদের কারণেই আজ আমরা ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নিজেদের পশ্চিমবঙ্গবাসী বলে গর্ববোধ করতে পারছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই অবদানের স্মরণে একদিকে যেমন পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে গর্বিত, তেমনই এক বৃহৎ রাষ্ট্র ভারতবর্ষের অংশ হিসেবেও অত্যন্ত গর্বিত নাগরিক। সমগ্র অনুষ্ঠানটিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি ও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে শনিবার বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে তাঁরা গ্রামের রাস্তায় নেমে সরব হন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে তাঁদের আবাস যোজনার তালিকায় নাম আসে। এরপর পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার, ১৫ হাজার, ২০ হাজার, এমনকি ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কাটমানি নেন। যাঁরা কাটমানি দিতে রাজি হননি, তাঁদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। দাবি মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। ফলে বাধ্য হয়েই উপভোক্তারা তাঁকে কাটমানি দিয়েছেন। এই কাটমানি দেওয়ার কারণেই এখনো পর্যন্ত বেশ কয়েকজন উপভোক্তা তাঁদের বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। জানা গেছে, উপেন যাদব নির্দল প্রতীক নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত হলেও পরে শাসক দল তৃণমূলের সঙ্গে মিশে যান এবং তাদের সমর্থনে কাজ করেন। তবে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব।1