আজ ২০শে জুন, ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৪৭ সালের এই বিশেষ দিনটিতেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং চিন্তাভাবনার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। বঙ্গভঙ্গের সেই উত্তাল ও রক্তক্ষয়ী সময়ে বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ ‘হোমল্যান্ড’ বা নিজস্ব ভূমি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উল্লেখ্য, এই প্রথম রাজ্য তথা দেশজুড়ে সরকারি স্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্লকের বিডিও অফিস সভাগৃহে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শুরুতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রীরা ভক্তিভরে ‘বন্দে মাতরম’ গান গেয়ে দেশমাতার বন্দনা করে, যা অনুষ্ঠানের পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, ১৯৪৭ সালে ভারতভাগের সময় বাংলা দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়েছিল— একটি পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যটি পূর্ববঙ্গ। পূর্ববঙ্গ মূলত পাকিস্তানের অংশ হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে একটি পৃথক সার্বভৌম দেশের খণ্ড হিসেবে যুক্ত হয়। অন্যদিকে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময়োচিত ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থেকে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই আজ লক্ষ লক্ষ বাঙালি নিজেদের নিজস্ব ভূমিতে মাথা উঁচু করে সসম্মানে ও মর্যাদার সাথে বসবাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা আরও জানান যে, এই দীর্ঘ লড়াইয়ের সূচনা মূলত হয়েছিল ১৯৩৫ সালের ‘গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ বা ভারত শাসন আইন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক মানচিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিশেষ দিবসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি, ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সমর্থনে যে সকল ব্যক্তিত্ব ভোট দিয়েছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
আজ ২০শে জুন, ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৪৭ সালের এই বিশেষ দিনটিতেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং চিন্তাভাবনার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। বঙ্গভঙ্গের সেই উত্তাল ও রক্তক্ষয়ী সময়ে বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ ‘হোমল্যান্ড’ বা নিজস্ব ভূমি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উল্লেখ্য, এই প্রথম রাজ্য তথা দেশজুড়ে সরকারি স্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্লকের বিডিও অফিস সভাগৃহে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শুরুতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রীরা ভক্তিভরে ‘বন্দে মাতরম’ গান গেয়ে দেশমাতার বন্দনা করে, যা অনুষ্ঠানের পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, ১৯৪৭ সালে ভারতভাগের সময় বাংলা দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়েছিল— একটি পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যটি পূর্ববঙ্গ। পূর্ববঙ্গ মূলত পাকিস্তানের অংশ হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে একটি পৃথক সার্বভৌম দেশের খণ্ড হিসেবে যুক্ত হয়। অন্যদিকে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময়োচিত ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থেকে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই আজ লক্ষ লক্ষ বাঙালি নিজেদের নিজস্ব ভূমিতে মাথা উঁচু করে সসম্মানে ও মর্যাদার সাথে বসবাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা আরও জানান যে, এই দীর্ঘ লড়াইয়ের সূচনা মূলত হয়েছিল ১৯৩৫ সালের ‘গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ বা ভারত শাসন আইন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক মানচিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিশেষ দিবসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি, ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সমর্থনে যে সকল ব্যক্তিত্ব ভোট দিয়েছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
- অবশেষে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবগ্রামের চাণক বাসস্ট্যান্ড সরকারি অনুমোদিত বাসস্ট্যান্ড হিসেবে তার পথচলা শুরু করেছে। এখন থেকে সমস্ত সরকারি বাস নিয়ম মেনে এই স্ট্যান্ডে দাঁড়াবে। শনিবার সকাল প্রায় ১১টায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন বাসস্ট্যান্ডের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করা হয়। নবগ্রামের বিধায়ক দিলীপ সাহা ফিতা কেটে এবং ফলক উন্মোচন করে এর উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে দু'নম্বর মন্ডল সভাপতি টোটন মিস্ত্রি-সহ এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার সকাল থেকেই চাণক বাসস্ট্যান্ডটিকে ফুল ও আলো দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছিল। উদ্যোক্তারা স্ট্যান্ডে আসা প্রথম সরকারি বাসের চালক ও কন্ডাক্টরকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং তাঁদের মিষ্টিমুখও করান। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ডল সভাপতি জানান যে, চাণক এলাকাটিকে বাসস্ট্যান্ডের জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে একটি বড় সামাজিক উদ্দেশ্য রয়েছে। মূলত দুটি বিষয়কে এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: এই এলাকায় আদিবাসী স্কুল-সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকায়, বাসস্ট্যান্ডটি চালু হওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এছাড়া, এলাকার মহিলারা যাতে খুব ভোরে বা সন্ধের পর নিরাপদে এবং সহজেই যাতায়াত করতে পারেন, সেই সুরক্ষার দিকটিও বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে হাওড়া ব্রিজকে ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে রাঙানো আলোয় সজ্জিত করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে সেখানে একটি লেজার শো-ও আয়োজিত হচ্ছে। এই আলোর ঝলকানি এবং লেজার শো-এর মাধ্যমে শহর এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের নিমতিতা আন্ডারপাসে রাস্তা নির্মাণ কাজ ঘিরে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। এই নির্মাণ প্রকল্পে টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং কাজের সময়সূচি (শিডিউল) নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। এই বিতর্কের জেরে রাস্তা তৈরির কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে যে, এই প্রকল্পকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরেই মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এই বচসা ও অভিযোগের কারণেই নিমতিতা আন্ডারপাসের রাস্তা নির্মাণের কাজ বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- শনিবার মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর-১নং ব্লকের কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের খড়মপুর গ্রামে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীরা অবিলম্বে কাটমানির টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। উপেন যাদব নির্দল প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত হলেও পরে শাসক দল তৃণমূলের সমর্থন নিয়ে কাজ করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় এক বছর আগে তাদের নাম আবাস যোজনায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর পরই পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাটমানি হিসেবে কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, কারও কাছ থেকে ১৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ২০ হাজার, এমনকি কয়েকজনের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করেছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, কাটমানি দিতে না চাইলে উপভোক্তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হতো এবং দাবি মতো টাকা না দিলে পরের কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই কারণে বহু উপভোক্তা বাধ্য হয়ে পঞ্চায়েত সদস্যকে কাটমানি দিয়েছেন, যার ফলে এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু উপভোক্তা তাদের বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা একত্রিত হয়ে কাটমানি ফেরতের দাবিতে গ্রামের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। যদিও পঞ্চায়েত সদস্য উপেন যাদব তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।1
- শনিবার নলহাটি পৌরসভার উদ্যোগে স্থানীয় এলআইসি বিল্ডিংয়ে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পৌরসভার আধিকারিক, কর্মীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। একইসঙ্গে, রাজ্যস্তরের মূল অনুষ্ঠান তারকেশ্বরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন। "পশ্চিমবঙ্গ: ঐতিহ্য, সম্প্রীতি এবং উন্নয়ন" — এই থিমকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত তারকেশ্বরের এই মঞ্চ থেকেই তিনি রাজ্যের উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। নলহাটির অনুষ্ঠানে পৌরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সহ অন্যান্য আধিকারিক, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে দিনটির গুরুত্ব তুলে ধরেন। যথাযথ মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করা হয়।1
- মালদা জেলার চাঁচল-২ ব্লকের জালালপুরে অবস্থিত জালালপুর প্রাইমারি স্কুলের পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে উঠেছে। স্কুলে পাইপ লিক হয়ে যাওয়ার কারণে জল জমে যাচ্ছে, যার ফলে সেখানকার সার্বিক অবস্থা খুবই খারাপ। অভিযোগ উঠেছে যে এই গুরুতর সমস্যা সমাধানে এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।1
- আজ ২০শে জুন, ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। ১৯৪৭ সালের এই বিশেষ দিনটিতেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং চিন্তাভাবনার ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। বঙ্গভঙ্গের সেই উত্তাল ও রক্তক্ষয়ী সময়ে বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি নিরাপদ ‘হোমল্যান্ড’ বা নিজস্ব ভূমি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। উল্লেখ্য, এই প্রথম রাজ্য তথা দেশজুড়ে সরকারি স্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহাসিক ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপন করা হচ্ছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা ব্লকের বিডিও অফিস সভাগৃহে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লকের বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শুরুতে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রীরা ভক্তিভরে ‘বন্দে মাতরম’ গান গেয়ে দেশমাতার বন্দনা করে, যা অনুষ্ঠানের পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তোলে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, ১৯৪৭ সালে ভারতভাগের সময় বাংলা দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়েছিল— একটি পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যটি পূর্ববঙ্গ। পূর্ববঙ্গ মূলত পাকিস্তানের অংশ হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ নামে একটি পৃথক সার্বভৌম দেশের খণ্ড হিসেবে যুক্ত হয়। অন্যদিকে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সময়োচিত ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে থেকে যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভূমিকার কারণেই আজ লক্ষ লক্ষ বাঙালি নিজেদের নিজস্ব ভূমিতে মাথা উঁচু করে সসম্মানে ও মর্যাদার সাথে বসবাস করার সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা আরও জানান যে, এই দীর্ঘ লড়াইয়ের সূচনা মূলত হয়েছিল ১৯৩৫ সালের ‘গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ বা ভারত শাসন আইন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক মানচিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বিশেষ দিবসে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি, ১৯৪৭ সালে বঙ্গভঙ্গের ঐতিহাসিক প্রস্তাবের সমর্থনে যে সকল ব্যক্তিত্ব ভোট দিয়েছিলেন এবং পশ্চিমবঙ্গ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, তাঁদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।1