আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক অভিনব উপায়ে সুস্থ থাকার এই মহোৎসব পালিত হয়েছে। চিরাচরিত মাঠ বা হলের চার দেওয়ালের পরিবর্তে, এবার ফরাক্কার গঙ্গা বক্ষে নবনির্মিত নতুন সেতুতে এক মনোরম যোগ শিবিরের আয়োজন করা হয় ফরাক্কা ব্লক প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে। আজ সকালে ভোরের আলো ফুটতেই ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক, কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দলে দলে ফরাক্কার এই নতুন সেতুতে এসে উপস্থিত হন। গঙ্গার প্রবহমান হাওয়া এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাক্ষী রেখে একসঙ্গে বহু মানুষ যোগাসনে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ওপর এই অভিনব পরিবেশে যোগ অভ্যাস করতে পেরে ফরাক্কাবাসী স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক অভিনব উপায়ে সুস্থ থাকার এই মহোৎসব পালিত হয়েছে। চিরাচরিত মাঠ বা হলের চার দেওয়ালের পরিবর্তে, এবার ফরাক্কার গঙ্গা বক্ষে নবনির্মিত নতুন সেতুতে এক মনোরম যোগ শিবিরের আয়োজন করা হয় ফরাক্কা ব্লক প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে। আজ সকালে ভোরের আলো ফুটতেই ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক, কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দলে দলে ফরাক্কার এই নতুন সেতুতে এসে উপস্থিত হন। গঙ্গার প্রবহমান হাওয়া এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাক্ষী রেখে একসঙ্গে বহু মানুষ যোগাসনে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ওপর এই অভিনব পরিবেশে যোগ অভ্যাস করতে পেরে ফরাক্কাবাসী স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
- মুর্শিদাবাদের চৈতন্যপুর প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে ঘিরে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের সংস্কার ও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন কার্যত জরাজীর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে, যার প্রতিবাদে এলাকাবাসী হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন এবং পরিষেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাসপাতালটিকে অনলাইনে ১০ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে দেখানো হলেও বাস্তবে কোনো পরিকাঠামোই নেই। চিকিৎসক ও নার্সরা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকেন না, এবং উপস্থিত থাকলেও রোগীরা যথাযথ চিকিৎসা পান না। হাসপাতালের বিভিন্ন ঘর ভেঙে পড়ার মুখে এবং চত্বর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঝোপঝাড়ে ঢেকে গিয়ে প্রায় 'ভূতুড়ে হাসপাতাল'-এ পরিণত হয়েছে। এর ফলে সামান্য কারণে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধ্য হন পরিজনেরা। স্থানীয়রা ক্ষোভের সঙ্গে জানান যে, এক সহৃদয় জমিদার হাসপাতাল নির্মাণের জন্য জমি দান করেছিলেন, যা একসময় এলাকার মানুষের চিকিৎসার লাইফলাইন ছিল, কিন্তু বর্তমানে অবহেলা ও প্রশাসনের উদাসীনতায় সেই ঐতিহ্য ধ্বংসের মুখে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা স্বাভাবিক করতে গ্রামবাসীরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের মূল দাবিগুলি হলো: অবিলম্বে হাসপাতালের ইনডোর এবং আউটডোর পরিষেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে; গ্রামীণ হাসপাতালের উপযুক্ত পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে; এবং হাসপাতালের জমি যাতে বেদখল না হয়, তার জন্য অবিলম্বে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।1
- মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে সুতি থানার পুলিশ। গত শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮৮৭ পিস ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আনারুল হক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদের মোড় সংলগ্ন সুচনি পাড়া এলাকার একটি ইঁটভাটার সামনে সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তিন চাকার যান (টোটো) পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালালে তার ভেতর থেকে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। ধৃত আনারুল হকের বাড়ি মালদা জেলার চাঁচল থানার শামসি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত ব্যক্তি একটি সক্রিয় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মালদা থেকে মাদকদ্রব্য এনে সুতি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তার। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্য, মজুতের স্থান এবং পাচারের রুট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে রবিবার আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাদক পাচার রুখতে ভবিষ্যতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।1
- জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান সুতির নিমতিতা বিড়ি শ্রমিক হাসপাতালের জমি দখলের ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন।1
- শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর মণ্ডল-২ বিজেপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশাত্মবোধক গান এবং বাংলার ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানান দিক তুলে ধরা হয়। এই আয়োজনে হরিশ্চন্দ্রপুর মন্ডল ২ সভাপতি অজয় পাসওয়ান, জেলা যুব সহ-সভাপতি মনোজ দাস, মণ্ডল-৩ সভাপতি ভরত কুমার মণ্ডল, জেলা মহিলা মোর্চার সহ-সভাপতি অনামিকা পাণ্ডে, বিজেপি নেতা রতন দাস, কৌশিক মিশ্র, বাবলু কর্মকার, গোপাল শর্মা-সহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন একটি ষাঁড় দলীয় কার্যালয় চত্বরে চলে এলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে বিস্কুট খাইয়ে আদর করেন, যা সবার মধ্যে কৌতূহল ও আনন্দের সৃষ্টি করে। সভায় বক্তারা বাংলার গৌরবময় ইতিহাস, ভাষা এবং সংস্কৃতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বক্তারা আরও জানান যে, ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায় এক অভিনব উপায়ে সুস্থ থাকার এই মহোৎসব পালিত হয়েছে। চিরাচরিত মাঠ বা হলের চার দেওয়ালের পরিবর্তে, এবার ফরাক্কার গঙ্গা বক্ষে নবনির্মিত নতুন সেতুতে এক মনোরম যোগ শিবিরের আয়োজন করা হয় ফরাক্কা ব্লক প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগে। আজ সকালে ভোরের আলো ফুটতেই ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিক, কর্মী, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দলে দলে ফরাক্কার এই নতুন সেতুতে এসে উপস্থিত হন। গঙ্গার প্রবহমান হাওয়া এবং মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে সাক্ষী রেখে একসঙ্গে বহু মানুষ যোগাসনে অংশ নেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যের সচেতনতা বাড়াতে এবং দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গার ওপর এই অভিনব পরিবেশে যোগ অভ্যাস করতে পেরে ফরাক্কাবাসী স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত। গোটা অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার শান্তিনিকেতনে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি প্রথমে বিশ্বভারতীর গৌর প্রাঙ্গনে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বিজেপির উদ্যোগে বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে আয়োজিত যোগ দিবসের কর্মসূচিতেও উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিট পরীক্ষা নিয়ে বলেন যে, কোনো গাফিলতি বা লিকেজ বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে সিবিআই তদন্ত করা হবে। এরপর বোলপুরে তিনি সম্প্রতি বিভিন্ন পদ থেকে তৃণমূল নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে দাবি করেন যে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর অনেকেই আর পদে থাকতে আগ্রহী নন। একই সঙ্গে কয়লা ও বালি দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, যারা এতদিন নানা ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের এখন আর সেই সব কাজে আগ্রহ নেই বলেই পদত্যাগের ঘটনা ঘটছে। তৃণমূলের নিচুতলার কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার প্রসঙ্গ তুলে ডঃ মজুমদার বলেন যে, অনেক কর্মী নাকি মামলা চালানোর খরচ জোগাড় করতে পারছেন না। সেই প্রসঙ্গেই তিনি ব্যঙ্গের সুরে কটাক্ষ করেন যে, যারা মামলার খরচ বহন করতে পারছেন না তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চার্টার্ড বিমানের বিভিন্ন অংশ খুলে এনে বিক্রি করে দিতে পারেন। এমনকি তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জামাকাপড় বিক্রির কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, বোলপুরে বিজেপির আদি ও নব্য কর্মীদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ডঃ সুকান্ত মজুমদার তা অস্বীকার করেন। তিনি জোরালভাবে বলেন যে, বিজেপিতে কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, বিজেপির একটাই গোষ্ঠী, সেটি হল পদ্মফুলের গোষ্ঠী। তার দাবি, যে কেউ এই গোষ্ঠীর বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি স্বাভাবিকভাবেই দলের বাইরে চলে যাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য, জনগণের সমর্থন হারালে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক অস্তিত্বও সংকটে পড়বে। পাশাপাশি নিয়োগ ও শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নাম বারবার উঠে আসছে বলেও তিনি দাবি করেন। ডঃ মজুমদারের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1