Shuru
Apke Nagar Ki App…
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বীজপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর হালিশহর স্টেশন রোডের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ত্রিপল এবং অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসন উদ্ধার হওয়া এই সামগ্রীর উৎস, কেন সেগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে এগুলির কোনো যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে। এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
DEB SARKAR
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বীজপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর হালিশহর স্টেশন রোডের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। ব্যারাকপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ত্রিপল এবং অন্যান্য ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রশাসন উদ্ধার হওয়া এই সামগ্রীর উৎস, কেন সেগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছিল এবং সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে এগুলির কোনো যোগ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে। এই বিষয়ে প্রাক্তন বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ফের ডিম থেরাপি, এবার জগদ্দল বিধানসভার এক তৃণমূল নেতা খোকন মন্ডল জগদ্দল বিধানসভা এলাকার কাঁকিনাড়ার পানপুর কেউটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সীমা বিবির স্বামী তথা তৃণমূল নেতা খোকন মন্ডল কে একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করে বাসুদেবপুর থানার পুলিশ। সোমবার তাকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে আজ তাকে হাফপ্যান্ট গেঞ্জি পরিয়ে এলাকায় ঘোরানো। তাকে দেখে এলাকাবাসী চোর চোর স্লোগান দিয়ে তাড়া করে এরপর তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোঁড়ে।পুলিশ তড়িঘড়ি খোকনকে এলাকা থেকে নিয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ কারোর জমি ছিনিয়ে নিয়েছে খুন করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।2
- উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা ব্লকের কাশবা ধানতোলায় একটি ভাঙা সেতুর রাস্তা বর্তমানে অত্যন্ত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়রা এই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করেন, যার ফলে তাঁদেরকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর শেখ রাজার পার্টি অফিস দখল করে নিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, তারা বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কাউকে রেয়াত করা হবে না। বিজেপি কর্মীরা আরও জানিয়েছে যে, এই পার্টি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরনের 'দুষ্কর্ম' সংঘটিত হতো। তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, এখানে তোলাবাজি, রাহাজানি এবং হিন্দু মেয়েদের 'কুপ্রস্তাব' দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতো।1
- গুপ্তিপাড়ার বলাগড়ে বর্ষা শুরুতেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে রাস্তায় গাড়ি পার্ক করার সময়ও হ্যাজার্ড ল্যাম্প জ্বালিয়ে রাখতে হচ্ছে। দুপুরের পর থেকেই কালো মেঘে আকাশ ঢেকে যায় এবং বিকেলের মধ্যেই সন্ধ্যার মতো অন্ধকার নেমে আসে। শুুরু নিউজের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে বর্ষার আগমনের এই চিত্র।1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতায় হাড়োয়া বিধানসভার অন্তর্গত দেগঙ্গা হাটে একটি জনকল্যাণ শিবির আয়োজিত হয়েছে। এই শিবিরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং জব কার্ডের ফর্ম জমা দেওয়া যাবে। এছাড়াও, আরও অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের ফর্ম জমা দেওয়ার সুবিধা এই শিবিরে রয়েছে।1
- ওয়াশিং মেশিন হাতে পথে কংগ্রেস, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কলকাতায় বিক্ষোভ1
- পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর একটি কড়া মন্তব্য বর্তমানে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। নন্দীগ্রামে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন যে, সরকারি কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা এখন থেকে আর সবাইকে দেওয়া উচিত নয়। বরং, এই সুবিধা কেবল সেইসব 'দায়িত্বশীল নাগরিক'-দেরই দেওয়া উচিত। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, যারা দেশের পরিচয় 'বন্দে মাতরম'-এর প্রতি সম্মান দেখান না এবং স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশ সত্ত্বেও টিকাকরণ করান না, তাদের কেন সরকারি সুবিধা দেওয়া হবে? শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্যের মাধ্যমে টিএমসি-র শাসনামলে চলমান দুর্নীতির প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন। তার এই বিবৃতিটি সরাসরি সেইসব মানুষকে সতর্ক করছে, যারা সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেন, কিন্তু যখন দেশপ্রেম বা মৌলিক নাগরিকত্বের নিয়ম পালনের প্রশ্ন আসে, তখন তারা পিছিয়ে যান। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এখন সরকারি প্রকল্পগুলিতে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলার উপর জোর দিচ্ছেন। তার লক্ষ্য হল রাজ্যে সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা সঠিক ও যোগ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তিনি চান যে, বাংলায় ভর্তুকি ও প্রকল্পের বন্টন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ হোক।1
- কাঁচরাপাড়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর উৎপল দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে এলাকায় জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয়রা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়েছে। কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে এর আগেও বিরোধীদের দোকান ভাঙচুর, দোকান পুড়িয়ে দেওয়া, এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে মারধর এবং তোলাবাজি সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ ছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বীজপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং কাউন্সিলর উৎপল দাশগুপ্তকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।2