Shuru
Apke Nagar Ki App…
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রাক্কালে পুরুলিয়া জেলার ঝালদায় উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। এই বিশেষ দিনটির প্রস্তুতিতে পুলিশ প্রশাসন এবং বন দপ্তরের আধিকারিকরা একযোগে কাজ করছেন। এই উদ্যোগে শরীর ও প্রকৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
Tittu Tittu
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রাক্কালে পুরুলিয়া জেলার ঝালদায় উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। এই বিশেষ দিনটির প্রস্তুতিতে পুলিশ প্রশাসন এবং বন দপ্তরের আধিকারিকরা একযোগে কাজ করছেন। এই উদ্যোগে শরীর ও প্রকৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রাক্কালে পুরুলিয়া জেলার ঝালদায় উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। এই বিশেষ দিনটির প্রস্তুতিতে পুলিশ প্রশাসন এবং বন দপ্তরের আধিকারিকরা একযোগে কাজ করছেন। এই উদ্যোগে শরীর ও প্রকৃতির মেলবন্ধন ঘটানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।1
- সুস্থ শরীর ও শান্ত মনকে একটি সুস্থ সমাজ গঠনের প্রথম শর্ত উল্লেখ করে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের উদ্যোগে দুর্গাপুরের শহীদ ভগত সিং স্টেডিয়ামে একটি যোগ ও ধ্যান শিবিরের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির মূল বার্তা ছিল ব্যস্ততা, মানসিক চাপ এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের ভিড়ে নিজেদের জন্য সময় বের করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা। রাসপ্রিত সিংয়ের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই শিবিরে প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন। এতে পূর্ব বিভাগের বিভিন্ন থানার পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীদের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন বয়সের ছেলে-মেয়েরাও অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন। এই উদ্যোগকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে পুলিশ প্রশাসনের এক বিশেষভাবে প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। নিয়মিত যোগ ও ধ্যান শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জানানো হয়েছে। সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সফল এই কর্মসূচি আবারও মনে করিয়ে দিল যে, একটি সুস্থ শরীর ও সুস্থ মন থেকেই একটি সুস্থ, সচেতন এবং সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে।1
- বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুরের সিহাস মোড়ে কমরেড সেখ বাবুজানের স্মরণে একটি স্মরণসভা ও রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।1
- ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ লাইনে সম্প্রতি যোগাসনের অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে পুলিশ সুপারও উপস্থিত ছিলেন।1
- রাজনৈতিক সভা কেবল অলিন্দেই সীমাবদ্ধ না থেকে কর্মীদের মধ্যে মেলবন্ধন ও উৎসবের রূপ নিতে পারে, যার সাক্ষী হয়েছিল ঝাড়গ্রাম পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মেদিনীপুর কলেজিয়েট মাঠে তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হাত ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগদানের ঐতিহাসিক সভার দিনে এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল। সেই মুহূর্তের সাক্ষী হতে ঝাড়গ্রাম পৌরসভার ৩, ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৩০০ জন কর্মী-সমর্থক তিনটি বাসে মেদিনীপুর রওনা হয়েছিলেন। সভার ব্যস্ততা ও ভিড়ের কারণে সেদিন কর্মীদের প্রায় সারাদিন অভুক্ত অবস্থাতেই কাটাতে হয়েছিল, কোনো রকম খাওয়া-দাওয়ার সুযোগ মেলেনি। তবে রাজনীতির ময়দানে লড়াই বা সভার ক্লান্তি থাকলেও, কর্মীদের উদ্দীপনায় ভাটা পড়েনি। আজ শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পর, ঝাড়গ্রামের ওই চার ওয়ার্ডের কর্মীরা সেই মেদিনীপুর যাত্রার স্মৃতিকে স্মরণ করে নিজেদের মধ্যে এক অভিনব চড়ুইভাতি বা পিকনিকের আয়োজন করেন। বিগত দিনে সভার দিন খাওয়া-দাওয়া না হওয়ার যে খামতি ছিল, তা এই আনন্দানুষ্ঠানের মাধ্যমে সুদে-আসলে পুষিয়ে নেওয়া হয়। সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্যোগে আয়োজিত এই চড়ুইভাতিতে রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি চেনা পরিচিতদের সাথে গল্পগুজব ও ভূরিভোজের দেদার ব্যবস্থা ছিল। প্রায় ১৫০ জন কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন, যা একটি সুন্দর পারিবারিক ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়। দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ধরণের আয়োজন কর্মীদের মধ্যে একতা আরও সুদৃঢ় করে তোলে। অতীতের খিদের ক্লান্তি ভুলে একসঙ্গে বসে দু-মুঠো খাওয়ার এই আনন্দ, আগামী দিনেও তাঁদের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও মজবুত রাখবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে আশাবাদী।1
- গত ১৪ তারিখ গভীর রাতে ঝাড়গ্রামের জামদায় কানাড়া ব্যাঙ্কের এটিএম লুটের ছক কষেছিল তিন দুষ্কৃতীর একটি দল। অত্যন্ত পেশাদার কায়দায় তারা প্রথমে ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি বিকল করে দেয়। কিন্তু এটিএম মেশিন ভাঙতে গিয়ে বিকট আওয়াজ হওয়ায় ধরা পড়ার ভয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা, ফলে তাদের লুটের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এই ঘটনার খবর পেয়েই প্রশাসন সক্রিয় হয় এবং ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ ক্যামেরা বিকল করার আগের এবং আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে জোরদার তল্লাশি শুরু করে। এই তল্লাশিতে অভাবনীয় সাফল্য মেলে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের জালে ধরে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই লুটের চেষ্টার মূল পাণ্ডা বা প্রধান অভিযুক্তের নাম দেবু বোস, যিনি ঝাড়গ্রামেরই উত্তর বামদা এলাকার বাসিন্দা এবং তাঁর বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ বোস। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ পুনর্নির্মাণের জন্য কড়া পুলিশি পাহারায় মূল অভিযুক্ত দেবু বোসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এত দ্রুত দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে অন্য কোনও বড় গ্যাং জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে।1
- বিজেপি নেতা রঞ্জিত ভকতের উদ্যোগে এক মহা ভোজের আয়োজন করা হয়েছে। সরকার গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই বিশেষ দিনটির কথা স্মরণ করে এই ভোজের ব্যবস্থা করা হয়। এর কারণ হলো, এক জনসভায় যোগ দিতে গিয়ে অনেককে সেদিন ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘরে ফিরতে হয়েছিল। সেই অপ্রীতিকর স্মৃতিকে মনে রেখেই রঞ্জিত ভকত এই বিশাল ভোজের উদ্যোগ নিয়েছেন।1
- ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের চাঁদাবিলা রেঞ্জে একটি কুয়োর ভেতর থেকে এক হাতির ছানার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ৩টে নাগাদ চাঁদাবিলা রেঞ্জের তপোবন জঙ্গলের দোরখুলি থেকে আসা ২৫টি হাতির একটি দল বাছুরখোয়ার এলাকায় প্রবেশ করে। সেখানেই একটি ইটের ভাটার কাছে থাকা কাঁঠাল গাছ থেকে কাঁঠাল খেতে গিয়ে আচমকা ভারসাম্য হারিয়ে দলের একটি ছোট হাতির বাচ্চা গভীর কুয়োর ভেতরে পড়ে যায়। সকাল হতেই গ্রামবাসীরা হাতির দলটিকে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখেন। দিনের আলো ফোটার পর হাতির মূল দলটি সাঁকরাইলের দিকে নদী পেরিয়ে চলে গেলেও, মা হাতিটি তার সন্তানকে ফেলে যেতে পারেনি। সে কুয়োর পাড়েই ঠায় দাঁড়িয়ে তার শুঁড় ভেতরে নামিয়ে বাচ্চাটিকে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যায়, কিন্তু গভীর কুয়ো থেকে সন্তানকে টেনে তোলা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদাবিলা রেঞ্জের প্রতাপপুর বিটের বনকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। মা হাতিটিকে কোনোমতে কিছুটা দূরে সরিয়ে একটি জেসিবি মেশিন এনে কুয়োর চারপাশের মাটি খনন করার কাজ শুরু করা হয়। বন দফতরের আধিকারিকরা আশা করেছিলেন যে ছানাটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে তার দলের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যাবে। তবে, দীর্ঘক্ষণ কুয়োর সংকীর্ণ ও দমবন্ধ করা পরিবেশে আটকে থাকার কারণে উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার আগেই ছানাটি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। জেসিবি দিয়ে কুয়োর একপাশ কেটে যখন তাকে বের করা হয়, তখন তার শরীরে আর প্রাণ ছিল না। বন দফতরের প্রাথমিক অনুমান, দীর্ঘক্ষণ কুয়োর ভেতর আটকে থেকে অতিরিক্ত আতঙ্ক এবং শ্বাসকষ্টের কারণেই ছানাটির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর মৃতদেহটির ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।1
- ঝাড়গ্রাম শহরের গুরুত্বপূর্ণ জুবলি মার্কেট এলাকায় গতকাল বুধবার পানীয় জলের পাইপ ফেটে যাওয়ায় স্থানীয়রা ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। পৌরসভাকে জানানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পাইপ ফেটে জল রাস্তায় নষ্ট হচ্ছে এবং পথচারীদের গায়ে লেগে যাতায়াতে অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, এই সমস্যা সমাধানে পৌরসভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যার ফলস্বরূপ প্রশাসনের প্রতি তাদের ক্ষোভ বাড়ছে।1