পুড়শুড়ার কাবলে মোর এলাকার বাসিন্দা মনিমোহন ঘোষ প্রায় দেড় দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে নিজের অধিকার ফিরে পেয়েছেন। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর কাছে অনুরোধ জানায় যে, তাঁর দোকানঘরটি অস্থায়ীভাবে মাত্র ছয় মাসের জন্য পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হোক। দলীয় স্বার্থে মনিমোহন ঘোষ সেই অনুরোধ মেনে নেন। তবে, অভিযোগ ওঠে যে সেই ‘ছয় মাস’ আর শেষ হয়নি। বারবার আবেদন জানিয়েও তিনি নিজের দোকান ফেরত পাননি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়লেও তিনি আশা ছাড়েননি। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি নিজের দোকানের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে পুড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি শোনার পর বিধায়ক তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার অবশ্যই ফিরে পাবেন। অবশেষে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো। বিধায়ক বিমান ঘোষের উদ্যোগে আজ মনিমোহন ঘোষের হাতে তাঁর বহুদিনের হারানো দোকানঘর ফিরিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই লড়াইয়ের শেষে এমন প্রাপ্তি স্বাভাবিকভাবেই মনিমোহন ঘোষ ও তাঁর পরিবারকে আবেগঘন করে তুলেছে। এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
পুড়শুড়ার কাবলে মোর এলাকার বাসিন্দা মনিমোহন ঘোষ প্রায় দেড় দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে নিজের অধিকার ফিরে পেয়েছেন। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর কাছে অনুরোধ জানায় যে, তাঁর দোকানঘরটি অস্থায়ীভাবে মাত্র ছয় মাসের জন্য পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হোক। দলীয় স্বার্থে মনিমোহন ঘোষ সেই অনুরোধ মেনে নেন। তবে, অভিযোগ ওঠে যে সেই ‘ছয় মাস’ আর শেষ হয়নি। বারবার আবেদন জানিয়েও তিনি নিজের দোকান ফেরত পাননি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়লেও তিনি আশা ছাড়েননি। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি নিজের দোকানের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে পুড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি শোনার পর বিধায়ক তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার অবশ্যই ফিরে পাবেন। অবশেষে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো। বিধায়ক বিমান ঘোষের উদ্যোগে আজ মনিমোহন ঘোষের হাতে তাঁর বহুদিনের হারানো দোকানঘর ফিরিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই লড়াইয়ের শেষে এমন প্রাপ্তি স্বাভাবিকভাবেই মনিমোহন ঘোষ ও তাঁর পরিবারকে আবেগঘন করে তুলেছে। এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
- পুড়শুড়ার কাবলে মোর এলাকার বাসিন্দা মনিমোহন ঘোষ প্রায় দেড় দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে নিজের অধিকার ফিরে পেয়েছেন। একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁর কাছে অনুরোধ জানায় যে, তাঁর দোকানঘরটি অস্থায়ীভাবে মাত্র ছয় মাসের জন্য পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হোক। দলীয় স্বার্থে মনিমোহন ঘোষ সেই অনুরোধ মেনে নেন। তবে, অভিযোগ ওঠে যে সেই ‘ছয় মাস’ আর শেষ হয়নি। বারবার আবেদন জানিয়েও তিনি নিজের দোকান ফেরত পাননি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়লেও তিনি আশা ছাড়েননি। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তিনি নিজের দোকানের সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে পুড়শুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষের শরণাপন্ন হন। বিষয়টি শোনার পর বিধায়ক তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার অবশ্যই ফিরে পাবেন। অবশেষে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হলো। বিধায়ক বিমান ঘোষের উদ্যোগে আজ মনিমোহন ঘোষের হাতে তাঁর বহুদিনের হারানো দোকানঘর ফিরিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৫ বছরের এই লড়াইয়ের শেষে এমন প্রাপ্তি স্বাভাবিকভাবেই মনিমোহন ঘোষ ও তাঁর পরিবারকে আবেগঘন করে তুলেছে। এলাকায় এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।1
- সঞ্জুর মৃত্যুর কারণ কী, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। বিশেষত, এই প্রসঙ্গে স্থানীয়দের বক্তব্য এবং তাদের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- নির্বাচনে জয়ের পর শ্রীনগর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা এক বিজয় মিছিলে অংশ নেন, যেখানে তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা এবং মুখে ছিল জয়ের স্লোগান। এই উৎসবের আবহে গোটা এলাকা রঙিন হয়ে ওঠে, হাজারো মানুষের সমাগমে এক জনজোয়ার তৈরি হয়। মিছিলে উপস্থিত নেতারা সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, জনগণের সমর্থনই ছিল এই জয়ের মূল শক্তি। শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত এই বিজয় মিছিলকে ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।4
- হুগলি জেলার দশঘড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জয়লাভ করেছে। এই জয়ের পর আয়োজিত বিজয় মিছিলে বহু সংখ্যক নাগরিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাদের অফুরন্ত ভালোবাসা ও সমর্থনের ফলেই আজ বিজেপি এই পঞ্চায়েতে বিজয়ী হয়েছে, যা মিছিলে তাদের বিপুল উপস্থিতির মাধ্যমে সুস্পষ্ট।1
- বাঁকুড়া জেলার বামনগাছি এলাকায় একটি খেলার মাঠকে দখলমুক্ত করাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।1
- এক মহিলাকে তুলসী গাছে জল না দেওয়া এবং ঠাকুরঘর অপরিষ্কার রাখার কারণ জানতে চেয়ে হেনস্থা করা হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয় যে, তিনি কেন তুলসী গাছে জল দেননি এবং কেন ঠাকুরঘর পরিষ্কার রাখা হয়নি। এই দুটি বিষয়কেই কেন্দ্র করে ওই মহিলাকে হেনস্থার শিকার হতে হয়।1
- হুগলির আরামবাগে একটি রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে আরামবাগ প্রফুল্ল চন্দ্র সেন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চত্বরে এই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। মৃত ৪৬ বছর বয়সী অভিজিৎ জানা পুড়শুড়া থানার সোদপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং কর্মসূত্রে তিনি আরামবাগের মথুরডাঙ্গায় থাকতেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে তিনি মথুরডাঙ্গা থেকে বাইকে করে পুড়শুড়ার কুলবাদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে সোদপুর এলাকায় একটি দ্রুতগামী চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। গাড়িটি ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়। পুড়শুড়া থানার পুলিশ গুরুতর জখম অভিজিৎ জানাকে উদ্ধার করে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। মৃতের স্ত্রীর অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি করার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও কোনো চিকিৎসক তাঁকে দেখতে আসেননি। বারবার নার্সদের জানানো সত্ত্বেও কেবল দু-একবার ইনজেকশন দেওয়া হয়। সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। রবিবার সকালে অভিজিৎ জানার মৃত্যু হলে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালের চত্বরে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।1
- সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় চণ্ডীতলা থানায় একটি ডেপুটেশন জমা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন।1