বড়ঞা জোড়া খুনে চাঞ্চল্য: স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ, পরে স্বামীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার পোষপাড়া পছিপাড়া এলাকায় স্ত্রীকে খুন করে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতরা হলেন তাপস দাস ও তাঁর স্ত্রী তাপসী দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী তাপস দাস বটি দিয়ে স্ত্রী তাপসী দাসের মাথায় ও গলায় আঘাত করেন। গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকেন তাপসী। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর কিছুক্ষণ পরেই তাপস দাস ঘরের চিলেকোঠায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। ঘটনার খবর পেয়ে বড়ঞা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দী মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। মৃত তাপসীর বোন শিলা দাস অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাপস দাস তাঁর দিদিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এদিন সেই নির্যাতনেরই চরম পরিণতি ঘটেছে বলে তাঁর দাবি। মৃত দম্পতির দুই মেয়ে রেনুকা দাস ও পাপিয়া দাসও অভিযোগ করেন, তাঁদের বাবা তাঁদের মাকে খুন করেছেন এবং পরে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। মা-বাবা দুজনকেই একসঙ্গে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে দুই মেয়ে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা জানায়, “মা-বাবা দুটোই আজ পৃথিবীতে নেই, আমরা কীভাবে বাঁচব?” অন্যদিকে, তাপসী দাসের কাকা মতন দাস অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাশুড়ি ও ননদেরও যোগ থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে বড়ঞা থানার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।
বড়ঞা জোড়া খুনে চাঞ্চল্য: স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ, পরে স্বামীর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার পোষপাড়া পছিপাড়া এলাকায় স্ত্রীকে খুন করে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতরা হলেন তাপস দাস ও তাঁর স্ত্রী তাপসী দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী তাপস দাস বটি দিয়ে স্ত্রী তাপসী দাসের মাথায় ও গলায় আঘাত করেন। গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকেন তাপসী। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর কিছুক্ষণ পরেই তাপস দাস ঘরের চিলেকোঠায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন। ঘটনার খবর পেয়ে বড়ঞা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দী মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়। মৃত তাপসীর বোন শিলা দাস অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাপস দাস তাঁর দিদিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এদিন সেই নির্যাতনেরই চরম পরিণতি ঘটেছে বলে তাঁর দাবি। মৃত দম্পতির দুই মেয়ে রেনুকা দাস ও পাপিয়া দাসও অভিযোগ করেন, তাঁদের বাবা তাঁদের মাকে খুন করেছেন এবং পরে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। মা-বাবা দুজনকেই একসঙ্গে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে দুই মেয়ে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা জানায়, “মা-বাবা দুটোই আজ পৃথিবীতে নেই, আমরা কীভাবে বাঁচব?” অন্যদিকে, তাপসী দাসের কাকা মতন দাস অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাশুড়ি ও ননদেরও যোগ থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে বড়ঞা থানার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- গাঁজা পাচারের আগেই বড়সড় সাফল্য পেল দিনহাটা থানার পুলিশ। রবিবার দুপুরে দিনহাটা রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের নাম দীপক শীল, তার বাড়ি নদীয়া জেলায় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দিনহাটা থানার একটি দল স্টেশন চত্বরে নজরদারি শুরু করে। সেই সময় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছে থাকা দুটি ব্যাগ তল্লাশি চালাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। ব্যাগের ভিতর থেকে মোট ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হয়। পরবর্তীতে দিনহাটা থানার আইসি বুধাদিত্য রায়ের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা চেষ্টা চলছে, এই বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কোথায় পাচার করার পরিকল্পনা ছিল। এই ঘটনায় একটি বড় পাচার চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান করছে পুলিশ। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।1
- বর্তমান মানুষের কাঁথাপটন1
- রবিবারের ভোট প্রচারে গান ও প্রধানমন্ত্রী মোদির গলা অনুকরণে জমিয়ে দিলেন যুব তৃণমন্ত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মাঘপালায় তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।সাংসদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে দেখতে মাঘপালা এপি বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়ে ভিড়। বক্তৃতায় সায়নী বলেন, দিল্লিতে লড়াই শুরু হয়েছে এবং বাংলাতেও এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। পাশাপাশি ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যের কথাও জানান। এদিন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এই নির্বাচনে জিততে হলে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”1
- আগামী ২৩ এপ্রিল ৭ নং বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল শুকারুর কুঠি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী উদয়ন গুহর সমর্থনে কুর্শাহাট থেকে ধাপড়াহাট পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মহিলার বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কুর্শাহাট থেকে শুরু হয়ে শুকারুর কুঠি অঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। হাতে দলীয় পতাকা, প্লাকার্ড, মুখে উন্নয়নের স্লোগান এবং উদয়ন গুহর সমর্থনে জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মহিলাদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণে নির্বাচনী আবহে নতুন উদ্দীপনা দেখা যায়। আজকের এই মহিলা মহা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ভারতী সেন, উপপ্রধান মাহাবুব রহমান, সেকেন্দার আলী, দীপক সেন, ফারুক মিয়া, মানিক বাগচী সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব দীপক সেন বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন, মহিলা কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী কাজের উপর ভরসা রেখেই সাধারণ মানুষ আবারও তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই বিশাল মিছিল প্রমাণ করে, ৭ নং বিধানসভা কেন্দ্রে উদয়ন গুহর সমর্থনে জনসমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আত্মবিশ্বাসী। আজকের মিছিল দেখে বিরোধী প্রার্থী ভয়ে পালিয়ে যাবেন বলেও দাবি অঞ্চল নেতৃত্ব দীপক সেনের।1
- গাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে গান, শুকটাবাড়িতে নজর কাড়লেন সায়নী ঘোষ1
- Post by Goutam laskar1
- বিধানসভা ভোটের আগে গ্রামের মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরাতে এবং ভয়-ভীতি দূর করতে দিনহাটার গ্রামে জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার। রবিবার বিকেলে দিনহাটা মহকুমার ভেটাগুড়ি এলাকায় গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলার পাশাপাশি বুথ পরিদর্শন করেন কোচবিহারের জেলা শাসক জিতিন যাদব এবং জেলা পুলিশ সুপার জসপ্রিত সিং। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন দিনহাটা পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত দেবনাথ, আইসি বুধাদিত্য রায় সহ আরো অনেকেই। এদিন বুথ পরিদর্শনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলতে দেখা যায় জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা শাসক কে। এদিন সেখান থেকেই তারা দিনহাটা কলেজে ডিসিআরসি সেন্টার পরিদর্শন করেন তারা। মূলত নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন বলে জানা গেছে।1