পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবারে অপ্রত্যাশিতভাবে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে ‘মাছ’। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ পরিচয়কে সামনে রেখে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই এই ইস্যুতে সরব হয়ে উঠেছে, আর তা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। মমতা ব্যানার্জী একাধিক জনসভা থেকে অভিযোগ তুলেছেন যে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নাকি মাছ, মাংস ও ডিম খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় এলে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এক সভায় তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মাছ-মাংস-ডিম খাবে না তো কি আমার মাথা খাবে?”—যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। হেমন্ত বিশ্ব শর্মা পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, অসমে বিজেপি সরকার থাকা সত্ত্বেও কেউ কি মাছ খাওয়া বন্ধ করেছে? তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসমে এসে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণও জানান। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেছেন। স্মৃতি ইরানি প্রচারে এসে ‘ইলিশ মাছ’ নিয়ে মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে বেছে খাওয়াতেও প্রস্তুত। আবার ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী পয়লা বৈশাখে মাছ হাতে প্রচারে নেমে বার্তা দেন—বাঙালির মাছ-ভাত সংস্কৃতিতে কোনও হস্তক্ষেপ হবে না। একইভাবে বিধাননগরের প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও কাতলা মাছ হাতে প্রচার করে দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে বরং মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, খাদ্যাভ্যাসের মতো একটি দৈনন্দিন বিষয় এবারের নির্বাচনে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ‘মাছ’ এখন শুধু খাদ্য নয়, বরং ভোটের ময়দানে প্রতীকী অস্ত্র—যার মাধ্যমে বাঙালির আবেগকে ছুঁতে চাইছে সব পক্ষই।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবারে অপ্রত্যাশিতভাবে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে ‘মাছ’। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ পরিচয়কে সামনে রেখে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই এই ইস্যুতে সরব হয়ে উঠেছে, আর তা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। মমতা ব্যানার্জী একাধিক জনসভা থেকে অভিযোগ তুলেছেন যে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নাকি মাছ, মাংস ও ডিম খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় এলে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এক সভায় তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মাছ-মাংস-ডিম খাবে না তো কি আমার মাথা খাবে?”—যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। হেমন্ত বিশ্ব শর্মা পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, অসমে বিজেপি সরকার থাকা সত্ত্বেও কেউ কি মাছ খাওয়া বন্ধ করেছে? তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসমে এসে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণও জানান। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেছেন। স্মৃতি ইরানি প্রচারে এসে ‘ইলিশ মাছ’ নিয়ে মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে বেছে খাওয়াতেও প্রস্তুত। আবার ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী পয়লা বৈশাখে মাছ হাতে প্রচারে নেমে বার্তা দেন—বাঙালির মাছ-ভাত সংস্কৃতিতে কোনও হস্তক্ষেপ হবে না। একইভাবে বিধাননগরের প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও কাতলা মাছ হাতে প্রচার করে দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে বরং মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, খাদ্যাভ্যাসের মতো একটি দৈনন্দিন বিষয় এবারের নির্বাচনে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ‘মাছ’ এখন শুধু খাদ্য নয়, বরং ভোটের ময়দানে প্রতীকী অস্ত্র—যার মাধ্যমে বাঙালির আবেগকে ছুঁতে চাইছে সব পক্ষই।
- দিনহাটাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জনতার ভিড় দেখে চোখ কপালে উঠে যাচ্ছে অন্য দলের1
- স্বামীর নিষেধ অমান্য! “গরু-ছাগল তুমি দেখো” মমতা দিদিকে দেখতে দিনহাটার জনসভায় আসলেন মহিলারা1
- নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই এদিন ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। স্কুল চত্বরে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী, পাশাপাশি ছিল রাজ্য পুলিশেরও নজরদারি। ভোটকর্মীদের জন্য আলাদা করে বুথের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়। সকাল থেকেই পর্যায়ক্রমে ভোটকর্মীরা লাইনে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেন। ভোটকর্মীদের অনেকেই জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে তারা যথেষ্ট নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পদক্ষেপে নজরদারি রাখা হয়েছে বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, তুফানগঞ্জ বিবেকানন্দ স্কুলে ভোটকর্মীদের এই ভোটদান পর্ব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রশাসন।1
- কোচবিহারের ভবানীগঞ্জে ফের দুঃসাহসিক চুরি! গতকাল গভীর রাতে ভবানীগঞ্জ বাজারের নিউমার্কেটের সোনা পট্টিতে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা। দুষ্কৃতীরা লক্ষাধিক টাকার সোনা ও রুপার সামগ্রী নিয়ে চম্পট দিয়েছে বলে অভিযোগ। বারবার শহরের ব্যস্ততম ও কেন্দ্রস্থল এলাকায় এমন চুরির ঘটনায় আতঙ্কে ব্যবসায়ী মহল। প্রশ্ন উঠছে— কোচবিহার শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আদৌ কতটা সুরক্ষিত? ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা বাড়াতে হবে, নইলে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনহাটা সংহতি ময়দানে গানের তালে তালে নাচলেন।1
- রাজবংশীদের হলদিয়া গামছা গলায় দিনহাটার স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে নিজের গানে নাচলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়1
- *দিনহাটা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাচে অংশ নিলেন দিনহাটার কলাকৌশলী।1
- এখন অভিযোগ-প্রতিঅভিযোগের লড়াইয়ে রীতিমতো সরগরম করে তুলেছে গোটা অঞ্চলকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এলাকায় ব্যাপকভাবে পতাকা লাগানো হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী পক্ষ আপত্তি তোলে এবং অভিযোগ করে, জোর করে ও পরিকল্পিতভাবে এলাকা দখলের চেষ্টা চলছে। পাল্টা শাসকদলের দাবি, সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার মেনেই তাদের দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছে এবং বিরোধীরাই অযথা উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বচসা বাধে, এমনকি পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলেও অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ চাইছেন দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক। এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরনের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবমিলিয়ে, শামুকতলায় পতাকা বিতর্ক এখন রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলেছে, যার প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশেও।1