Shuru
Apke Nagar Ki App…
*দিনহাটা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাচে অংশ নিলেন দিনহাটার কলাকৌশলী। *দিনহাটা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাচে অংশ নিলেন দিনহাটার কলাকৌশলী।
Eccn news 24×7
*দিনহাটা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাচে অংশ নিলেন দিনহাটার কলাকৌশলী। *দিনহাটা সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নাচে অংশ নিলেন দিনহাটার কলাকৌশলী।
More news from Coochbehar and nearby areas
- বৃহস্পতিবার মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের গোপালপুর এলাকায় শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের সমর্থনে সভা অনুষ্ঠিত হলো।এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার,কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মন সহ অন্যান্যরা।এদিনের সভা থেকে বিজেপি নেতারা রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ফলিমারিতে বৃহস্পতিবার জনসভা করে একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্র বোসের সমর্থনে সভা থেকে তিনি দাবি করেন, অসমে ফের বিজেপি সরকার গঠন নিশ্চিত এবং বাংলাতেও পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। তাঁর মন্তব্য—“বাংলাদেশে হিন্দুদের উপড় কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন।তাই এবার যারা ভয় পাবেন, তাঁদের পক্ষে এখানে থাকা কঠিন" মাছ-মাংস নিষিদ্ধ বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি শাসিত কোথাও এমন নিষেধাজ্ঞা নেই এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আশঙ্কা ‘ভিত্তিহীন’। পাশাপাশি অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে কড়াকড়ির দাবি তোলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডিসহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতারা।1
- ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ পরিচয়কে সামনে রেখে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই এই ইস্যুতে সরব হয়ে উঠেছে, আর তা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। মমতা ব্যানার্জী একাধিক জনসভা থেকে অভিযোগ তুলেছেন যে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নাকি মাছ, মাংস ও ডিম খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় এলে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এক সভায় তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মাছ-মাংস-ডিম খাবে না তো কি আমার মাথা খাবে?”—যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। হেমন্ত বিশ্ব শর্মা পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, অসমে বিজেপি সরকার থাকা সত্ত্বেও কেউ কি মাছ খাওয়া বন্ধ করেছে? তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসমে এসে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণও জানান। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেছেন। স্মৃতি ইরানি প্রচারে এসে ‘ইলিশ মাছ’ নিয়ে মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে বেছে খাওয়াতেও প্রস্তুত। আবার ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী পয়লা বৈশাখে মাছ হাতে প্রচারে নেমে বার্তা দেন—বাঙালির মাছ-ভাত সংস্কৃতিতে কোনও হস্তক্ষেপ হবে না। একইভাবে বিধাননগরের প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও কাতলা মাছ হাতে প্রচার করে দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে বরং মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, খাদ্যাভ্যাসের মতো একটি দৈনন্দিন বিষয় এবারের নির্বাচনে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ‘মাছ’ এখন শুধু খাদ্য নয়, বরং ভোটের ময়দানে প্রতীকী অস্ত্র—যার মাধ্যমে বাঙালির আবেগকে ছুঁতে চাইছে সব পক্ষই।1
- দিনহাটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় উপচে পড়া ভিড়। সেই জনসমাগম দেখে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন গুহ বলেন, “এই ধরনের ভিড় সাধারণত ব্রিগেডে দেখা যায়।” তাঁর মতে, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের শক্তির বড় বার্তা।1
- ⭕BJP ক্ষমতায় আসার পর থানার সামনে শুধু জিপ থাকবে না থাকবে হলুদ রঙের বুলডোজার 'গোপালপুরে সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত মজুমদার1
- *দিনহাটার ও সিতাইয়ের মহিলারা সব সময় দিদির সাথে আছে মহিলারাই জিতাবে।1
- নির্বাচনের আবহে কোচবিহারের মাটি থেকে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দিনহাটার সংহতি ময়দানের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং এনআরসি ইস্যুতে সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, "বাংলায় কাউকেও ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে দেব না।" মুখোমুখি লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ এদিন সভার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তৃণমূল নেত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “দিনহাটায় ৩০-৩২ হাজার নাম কাটা হয়েছে। ভীরু-কাপুরুষের দল! মেঘের আড়াল থেকে লড়াই করে। সামনাসামনি লড়তে পারে না। সাহস থাকলে আমার মুখোমুখি বসুন, তারপর বাংলার দিকে তাকাবেন।” বিজেপিকে ‘মীরজাফর’ আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “এদের মতো বিশ্বাসঘাতক কোথাও পাবেন না।”1
- দিনহাটার সভায় সায়ন্তনের গলায় হলুদ গামছা নিয়ে নিজের গলায় পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী!কি বললেন সায়ন্তন।1