বিধায়ক অজয় রায় সম্প্রতি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সোমবার দুপুরে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষদের সাথে একটি বৈঠকও করেন। এই বৈঠকে বিধায়ক ছাড়াও দিনহাটার মহকুমা শাসক ভরত সিং, হাসপাতালের সুপার রণজিৎ মন্ডল, চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য, চিকিৎসক কল্লোল ব্যানার্জি সহ অন্যান্য আধিকারিক ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, মহকুমা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, জল নিকাশী ব্যবস্থার উন্নতি এবং সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পর বিধায়ক অজয় রায়কে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। বিধায়ক অজয় রায় জানান যে, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পায় এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে, এই বৈঠক প্রসঙ্গে হাসপাতাল সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি, এবং জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই যা বলার বলবে।
বিধায়ক অজয় রায় সম্প্রতি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সোমবার দুপুরে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষদের সাথে একটি বৈঠকও করেন। এই বৈঠকে বিধায়ক ছাড়াও দিনহাটার মহকুমা শাসক ভরত সিং, হাসপাতালের সুপার রণজিৎ মন্ডল, চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য, চিকিৎসক কল্লোল ব্যানার্জি সহ অন্যান্য আধিকারিক ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, মহকুমা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, জল নিকাশী ব্যবস্থার উন্নতি এবং সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পর বিধায়ক অজয় রায়কে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। বিধায়ক অজয় রায় জানান যে, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পায় এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে, এই বৈঠক প্রসঙ্গে হাসপাতাল সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি, এবং জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই যা বলার বলবে।
- বিধায়ক অজয় রায় সম্প্রতি দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সোমবার দুপুরে তিনি হাসপাতাল পরিদর্শন করার পাশাপাশি কর্তৃপক্ষদের সাথে একটি বৈঠকও করেন। এই বৈঠকে বিধায়ক ছাড়াও দিনহাটার মহকুমা শাসক ভরত সিং, হাসপাতালের সুপার রণজিৎ মন্ডল, চিকিৎসক উজ্জ্বল আচার্য, চিকিৎসক কল্লোল ব্যানার্জি সহ অন্যান্য আধিকারিক ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র অনুযায়ী, মহকুমা হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, জল নিকাশী ব্যবস্থার উন্নতি এবং সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। বৈঠকের পর বিধায়ক অজয় রায়কে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করেন। বিধায়ক অজয় রায় জানান যে, সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পায় এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে, এই বৈঠক প্রসঙ্গে হাসপাতাল সুপারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি, এবং জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই যা বলার বলবে।1
- রায়গঞ্জের সোহারই এলাকায় এক নিখোঁজ শ্রমিকের দেহ উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত ওই শ্রমিকের নাম জহরুল মহাম্মদ ওরফে ঝাপি (৫৫) এবং তিনি পিরোজপুর এলাকার বাসিন্দা। পরিবারের দাবি অনুযায়ী, শনিবার তিনি একটি রাইস মিলে কাজ করতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু তারপর আর ফেরেননি। রবিবার দুপুরে সোহারই মোড় এলাকায় তাঁর দেহ উদ্ধার হলে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, জহরুলকে খুন করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সরকারি জমিতে এক তৃণমূল নেতার অবৈধভাবে নির্মিত বাড়ি খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ নির্মাণ এবং দখলদারির অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- আজকের তাজা খবর হিসাবে ডালখোলা রাস্তায় তীব্র যানজটের কথা জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দর্শকদের বাইপাস রাস্তা ব্যবহার করে আসার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বক্তা এই ভিডিওটি বেশি বেশি করে শেয়ার করার অনুরোধ করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তিনি নতুন আরও কিছু খবর নিয়ে আসবেন। এর পাশাপাশি, বক্তা আরও উল্লেখ করেছেন যে তিনি তাঁর 'কানতির পার'-এর কাছে 'দাউদ ইব্রাহিমের বাড়ি' দেখেছেন।1
- করনদিঘী ব্লকের রসাখোয়া হাটে ভুট্টা কিনতে আসা এক ব্যবসায়ীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জানা গেছে, ওই ভুট্টা ব্যবসায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ভুট্টা কেনার সময় মাপার যন্ত্রে প্রতি কুইন্টাল ভুট্টায় প্রচুর পরিমাণে ওজনে কারচুপি করছিল, যা স্থানীয়ভাবে ‘মারিং’ নামে পরিচিত। কৃষকদের ভুট্টা মাপার যন্ত্রের তথ্য যাচাই করার সময় তার এই প্রতারণা ধরা পড়ে। ঘটনার পর ওই ব্যবসায়ীকে করনদিঘী থানার রসাখোয়া পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে দেওয়া হয়।1
- মালদা জেলার বঙ্গাবাড়ি এবং মহারাপাড়া গ্রামে একটি গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকায় একটি পিপুল গাছের ঠিক পাশেই দুটি বিদ্যুৎ ট্রান্সমিটার স্থাপন করা হয়েছে, এবং এর খুব কাছেই ১১০০০ ভোল্টের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইন রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা বিরাজ করছে যে, ঝড়-বৃষ্টির সময় এই পিপুল গাছটি যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। যদি গাছটি পড়ে যায়, তবে এর ফলে দুটি ট্রান্সমিটারেরই পুড়ে যাওয়ার মারাত্মক সম্ভাবনা রয়েছে, যা ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।1
- রবিবার মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, যা ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত। এর উদ্বোধনের দিনেই নয়জন ব্যক্তিকে এই হোল্ডিং সেন্টারে এনে রাখা হয়েছে, যাদের বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নয়জনের মধ্যে তিনজন মহিলা এবং ছয়জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আটক করে এখানে আনা হয়েছে। নতুন এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য, তিনজন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং তিনজন সিভিক স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রে বসবাসকারী ব্যক্তিদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য রাঁধুনিও নিয়োগ করা হয়েছে।1
- গাজোলে বিজেপির দ্বিতীয় বিজয় মিছিল এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মূর্তি উন্মোচন এক বিশেষ উৎসবে পরিণত হয়েছিল। এই আয়োজনের মাধ্যমে বিজেপি গাজোলে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে।1