Shuru
Apke Nagar Ki App…
পানীয় জলের সরকার কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি সরকার কি পানির ব্যাবস্থা করবে পানীয় জলের সরকার কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি খুব অসুবিধা হচ্ছে দির্ঘ 15বৎসর
ডাবর
পানীয় জলের সরকার কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি সরকার কি পানির ব্যাবস্থা করবে পানীয় জলের সরকার কোনো ব্যাবস্থা নেয়নি খুব অসুবিধা হচ্ছে দির্ঘ 15বৎসর
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মমতা পরসে, জঙ্গলমহল হাসছে”,পুরুলিয়ায় সায়নী ঘোষের হাত ধরে উদ্বোধন হলো পরিবর্তনের নতুন তথ্যচিত্র!1
- পুরুলিয়া বিধানসভায় অঞ্চল ধরে ধরে নির্বাচনি প্রচার পারছেন সুজয় বন্দোপাধ্যায়, প্রতিটি অঞ্চলেই কর্মী সমর্থকদের দারুন উৎসাহ উদ্দীপনা শুক্রবার ছররা দুমদুমি অঞ্চলে প্রচারে কর্মী সমর্থকদের ঢল।1
- শুক্রবার বলরামপুর থানার অন্তর্গত ডাভা গ্রামে শিব, দুর্গা এবং কালী মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে সার্বজনীন কমিটির উদ্যোগে এক বিশাল কলস যাত্রার আয়োজন করা হয়। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৭ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। ছোট ছোট শিশুদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। গ্রামের শেষ প্রান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া শাখা নদীতে জল সংকল্প করার পর ভক্তরা মাথায় কলস নিয়ে প্রায় দু’কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে মন্দিরে পৌঁছান। এরপর মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে সকলেই মন্দিরে প্রবেশ করেন। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর গ্রামবাসীদের এই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় চারদিকে খুশির আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। রাজকুমার জয়সওয়াল ও তাঁর পরিবারের বিশেষ সহযোগিতায় মন্দির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এদিন তাঁর স্ত্রী ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাত দিয়ে ফিতে কেটে মন্দিরের দ্বার উদ্বোধন করা হয়। আনন্দে ও আবেগে ভেসে ওঠে জয়সওয়াল পরিবার। কমিটির সদস্যরা জানান, “আজ আমাদের বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমরা যতটা মানুষের সমাগম আশা করেছিলাম, তার থেকেও অনেক বেশি মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। এই আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।”1
- দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের ব্যস্ত প্রান্তে অবস্থিত শোরুমে আজ এক বিশেষ মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন উপস্থিত অতিথিরা। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল বহুল প্রতীক্ষিত ‘চিত্রাঙ্গী’ কালেকশন যেখানে বাঙালির বনেদিয়ানা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য যেন সোনার গহনার শরীরে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। এই নতুন কালেকশনের প্রধান আকর্ষণ নিখুঁত কারুকার্য। বিশেষ করে ‘কুলো’র উপর সূক্ষ্ম নকশার কাজ—যা এক কথায় অকল্পনীয়। প্রতিটি গহনার ডিজাইনে ফুটে উঠেছে বাংলার চিরাচরিত শিল্পভাবনা, যা একদিকে যেমন ঐতিহ্যের ধারাকে বহন করছে, অন্যদিকে আধুনিক রুচির সঙ্গেও দারুণভাবে সামঞ্জস্য রেখেছে। শোরুমে উপস্থিত তিনজন মডেল নিজেদের পরিহিত ঐতিহ্যবাহী গহনা নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, এই কালেকশনের গয়না পরলে যেন নিজের শিকড়ের সঙ্গে আরও গভীর সংযোগ অনুভব হয়। তাদের কথায়, “এটা শুধু অলংকার নয়, একটা সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ।” উদ্বোধনের পর কেক কেটে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখা হয়। উপস্থিত অতিথি ও ক্রেতাদের মধ্যে ছিল উৎসবের আবহ। শোরুম জুড়ে প্রদর্শিত বিভিন্ন কালেকশনও মন কেড়েছে সকলের—প্রতিটি গহনার মধ্যে যেন লুকিয়ে রয়েছে আলাদা গল্প, আলাদা ঐতিহ্যের ছোঁয়া। শোরুম কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসন্ন Akshaya Tritiya উপলক্ষে বিশেষ অফার ও আকর্ষণীয় ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে, যা ক্রেতাদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। সব মিলিয়ে, ‘চিত্রাঙ্গী’ কালেকশন শুধু একটি নতুন গহনার সিরিজ নয়, এটি বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক শিল্পময় উদযাপন—যা দুর্গাপুরের বুকে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।1
- Pbn Bangla (ICDS)এর শিশুদের মুখের আহার চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিশুদের পুষ্টিকর আহার, আর সেই আহারেই থাবা বসালো একদল অসাধু চক্র! দুর্নীতির চরম সীমা। এবার icds কেন্দ্রের চাল ও ডাল চুরির অভিযোগে উত্তাল পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা। নাম জড়ালো খোদ শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্যের! ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের মাগরুল গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজরা গ্রামে। অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরেই ওই এলাকার আইসিডিএস (ICDS) কেন্দ্রের শিশুদের জন্য বরাদ্দ চাল ও ডাল চুরি করে বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে হাতেনাতে ধরা পড়ল সেই চুরির ঘটনা। গ্রেফতার: চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ির পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জন মহিলা কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তরা হলেন: আইসিডিএস শিক্ষিকা রাখি পণ্ডিত এবং দেবযানী পোড়ে। গ্রামবাসীদের দাবি, এই দুর্নীতির মূলে রয়েছেন শাসক দলের পঞ্চায়েত সদস্য সুনীল রায়। (গ্রামবাসীদের ক্ষোভ ও) এলাকার মানুষের দাবি, এটাই প্রথমবার নয়; এর আগেও বহুবার ওই আইসিডিএস শিক্ষিকা বাচ্চাদের খাবার সরিয়ে ফেলেছেন। বারবার সতর্ক করলেও কোনো লাভ হয়নি। অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙায় গ্রামবাসীরাই রুখে দাঁড়ান এবং গোটা চক্রটি ফাঁস করে দেন। "বাচ্চাদের মুখের আহার কেড়ে নিয়ে যারা নিজেদের পকেট ভরছে, তাদের কঠোর শাস্তি চাই"— এই দাবি এখন হাজিরা গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে। (অভিযুক্তের সাফাই ও বর্তমান পরিস্থিতি) যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত সদস্য সুনীল রায়। তার দাবি, তাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে পুলিশ এই ঘটনার গভীরে যেতে তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত দুই মহিলা কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রে আর কে কে জড়িত আছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। ভাবতেও অবাক লাগে, যেখানে শিশুদের বিকাশের জন্য সরকারি প্রকল্প, সেখানেই দুর্নীতির এমন নগ্ন রূপ! এখন দেখার, প্রশাসন এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা রাঘববোয়ালদের খাঁচায় বন্দি করতে পারে কি না। দোষী ব্যক্তিদের নাম (দেবযানী পোড়ে সুনীল রায়, রাখি পণ্ডিত) তার মধ্যে দুই আইসিডিএস কর্মীও ও হকার মোট তিনজনকে "গ্রেফতার করল চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ি পুলিশ"দোষী ব্যক্তিদের নাম (দেবযানী পোড়ে সুনীল রায়, রাখি পণ্ডিত) তার মধ্যে দুই আইসিডিএস কর্মীও ও হকার মোট তিনজনকে "গ্রেফতার করল চন্দ্রকোনার রামজীবনপুর ফাঁড়ি পুলিশ"2
- "উন্নয়ন কোথায়?" জঙ্গলমহলের অনুন্নয়ন নিয়ে শাসকদলকে তুলোধোনা বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডুর।1
- এই যে এখানে বাপ-বেটা আছে এন্ড কম্পানি! এত বড় ডাকাত পুরুলিয়া কেন পশ্চিমবঙ্গে কম আছে। কাশীপুরের সভা থেকে এমনি বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আরো কি কি বললেন শুনুন।1
- ভোটের মুখে বিপুল নগদ অর্থ সহ দুই যুবক গ্রেপ্তার ঘিরে বাড়ছে জল্পনা ভোটের প্রাক্কালে বড়সড় নগদ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিহারের দুই যুবককে। ধৃতদের নাম গুড্ডু রায় ও তপন কুমার মিত্র। শনিবার সকাল ১১ টায় তাদের অন্ডাল জিআরপি আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হয়। জিআরপি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বিহার থেকে ট্রেনে করে দুর্গাপুর স্টেশনে নামে ওই দুই যুবক। তাদের সঙ্গে থাকা ভারী ব্যাগ ও আচরণে অসঙ্গতি নজরে আসায় সন্দেহ হয় জিআরপির। এরপর শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় ব্যাগে তল্লাশি চালানো হলে সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য ব্যাগ ভর্তি নগদ টাকা। গুনে দেখা যায়, মোট ৫০ লক্ষ টাকা রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরে নামার পর হাওড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে এত বিপুল পরিমাণ টাকা কোথা থেকে এল, কার জন্যই বা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল—তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আগে এত বড় অঙ্কের নগদ উদ্ধার হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, এই টাকা কি ভোটে প্রভাব খাটানোর উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল? গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।1
- "জল নেই, রাস্তা নেই, ভোট নেই!"- এমনই দাবি নিয়ে বেলপাহাড়ির বিডিও অফিস অভিযানে কুশভুলা গ্রামের কয়েকশো মহিলা।1