Shuru
Apke Nagar Ki App…
জীবন দায়ী ওষুধের দোকানের উদ্বোধন এই প্রথম রাজারহাট বাজারে উদ্বোধন হলো লাইসেন্স প্রাপ্ত ওষুধের দোকান কেয়ার এন্ড কিউর। বুধবার তার শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল। উদ্বোধন করেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বসবেন এখানে। খুবই স্বল্প মূল্যে এখানে পরিষেবা মিলবে বলে জানা গিয়েছে।
ময়নাগুড়ি নিউজ
জীবন দায়ী ওষুধের দোকানের উদ্বোধন এই প্রথম রাজারহাট বাজারে উদ্বোধন হলো লাইসেন্স প্রাপ্ত ওষুধের দোকান কেয়ার এন্ড কিউর। বুধবার তার শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল। উদ্বোধন করেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বসবেন এখানে। খুবই স্বল্প মূল্যে এখানে পরিষেবা মিলবে বলে জানা গিয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জীবন দায়ী ওষুধের দোকানের উদ্বোধন এই প্রথম রাজারহাট বাজারে উদ্বোধন হলো লাইসেন্স প্রাপ্ত ওষুধের দোকান কেয়ার এন্ড কিউর। বুধবার তার শুভ উদ্বোধন হয়ে গেল। উদ্বোধন করেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রোগের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বসবেন এখানে। খুবই স্বল্প মূল্যে এখানে পরিষেবা মিলবে বলে জানা গিয়েছে।1
- জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকান ঘরে ধাক্কা #news1
- জলপাইগুড়ির ডেঙ্গুয়াঝাড় বাজার এলাকা থেকে নেশার ট্যাবলেটসহ এক যুবককে আটক করল পুলিশ। সন্দেহজনকভাবে বাইক নিয়ে অপেক্ষা করার সময় তল্লাশিতে তার ব্যাগ থেকে বিপুল ট্যাবলেট উদ্ধার হয়। ধৃতের বাড়ি আদরপাড়ায়। বিক্রির উদ্দেশ্যেই ট্যাবলেট আনা হয়েছিল বলে অনুমান। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।1
- ধুপগুড়িতে নির্বিঘ্নে শুরু হল চতুর্থ দিনের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। ধুপগুড়ি মহকুমার প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে শুরু হয় চতুর্থ দিনের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে বুধবার উচ্চমাধ্যমিকের ভোকেশনাল সাবজেক্ট গুলোর পরীক্ষা শুরু হয়।1
- Post by Tapas Roy1
- Post by Raj roy1
- Post by ASHISH MITRA1
- ফাস্টফুডের দাপটে বিলুপ্ত খাদ্য সংস্কৃতি! সময়ের সাথে সাথে তাল মিলিয়ে মানুষ যেভাবে পরিবর্তন হচ্ছে ঠিক তেমনি বদলে যাচ্ছে খাওয়ার রীতিনীতি, বদলে যাচ্ছে খাওয়ার রুচি। আজ থেকে কয়েকদশক আগেকার কথা। তখন, এখনকার মতন অত্যাধুনিক যান বাহন ছিল না। দূর থেকে দূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা পায়ে হেঁটে কিংবা গরুর গাড়িতে করে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী ময়নাগুড়ির জল্পেশ মেলায় আসত। এখনো সেই কথা মনে পড়লে আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েন প্রবীণরা। জানা গেছে, মন্দিরে পুজো দিয়ে, জল্পেশ মেলায় আগত পুণ্যার্থীরা দই চিড়া খেতেন। তখন জল্পেশ মেলার একটা অন্যতম জৌলুস ছিল এই দই-চিড়া। সেই সময় জল্পেশ মেলায় এসে দই চিড়া খাইনি এমন ব্যক্তির সন্ধান খুবই কম মিলত। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় জল্পেশের দই চিড়ার জৌলুস এখন ভাটার টান। এর ফলে জল্পেশ মেলার ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। ফাস্টফুড এবং বিভিন্ন রকমারি খাবারের প্রতিযোগিতায় ক্রমশ হারাতে বসেছে জল্পেশের ঐতিহাসিক খাওয়ার দই চিড়া। এখনো জল্পেশ মেলায় দই চিঁড়া পাওয়া গেলেও হিরিকটা খুবই কম। এর ফলে বংশ পরস্পরায় জল্পেশ মেলায় দই চিড়ার দোকান দিয়ে আসা বিক্রেতাদের যেমন কপাল ভাঁজ, ঠিক তেমনি মেলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাওযায় মেলার 'ঐতিহ্য বিলুপ্তি' বলে মনে করছেন প্রবীণরা। তাদের কথায়, জল্পেশ মেলায় আসলে দই চিড়া না খেলে, মেলায় আসাই মনে হয় না। তবুও পুরানো ঐতিহ্য বজায় রেখে জল্পেশ মেলায় দই চিড়া খেতে দেখা যায় গ্রামের প্রবীনদের। তবে সেটাও হাতে গোনা যায় বলে দাবি করেছেন দই চিড়া বিক্রেতারা। বছর পঁচিশের যুবক স্বরূপ রায়ের কথায়, শুনেছি আগে দই চিড়ার দোকানে লাইন পড়ে যেত। এখন তা না হলেও এখানকার দই চিঁড়ার যে অন্যরকম স্বাদ রয়েছে তা অস্বীকার করতে পারবে না কেউ।1