Shuru
Apke Nagar Ki App…
সরকারের ব্যর্থ শিক্ষানীতির কারণে শিক্ষা এখন সম্পূর্ণভাবে ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে একটি গণডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে।
Biswajit Dey
সরকারের ব্যর্থ শিক্ষানীতির কারণে শিক্ষা এখন সম্পূর্ণভাবে ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে একটি গণডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- সরকারের ব্যর্থ শিক্ষানীতির কারণে শিক্ষা এখন সম্পূর্ণভাবে ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ছাত্র-ছাত্রীদের মৌলিক অধিকার খর্ব হচ্ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে যুবরাজনগর ব্লক কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে স্কুল পরিদর্শকের কাছে একটি গণডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের কালীদিঘীর উত্তর পাড়ে অবস্থিত প্রবীণ অঙ্গনে গত ২১ জুন ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির উদ্যোগে 'নৃপেন্দ্র কুমার রায় মেমোরিয়াল অকশন ব্রিজ রানিং টুর্নামেন্ট'-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবছর টুর্নামেন্টটি তার দ্বিতীয় বর্ষে পদার্পণ করেছে, যা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণভাবে পালিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্মনগরের বিধায়ক জহর চক্রবর্তী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর সাথে এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি, ক্রীড়াপ্রেমী ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রয়াত নৃপেন্দ্র কুমার রায়ের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং সমাজে ব্রিজ খেলার জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানান। বিধায়ক জহর চক্রবর্তী তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে টুর্নামেন্টের সার্বিক সাফল্য কামনা করে অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানসিক দক্ষতা, ধৈর্য এবং কৌশলনির্ভর এই খেলা সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে একত্রিত করতে এবং একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে সক্ষম। ধর্মনগর অকশন ব্রিজ কমিটির সম্পাদক শিবশঙ্কর রায় জানিয়েছেন যে, এবছর মোট ২৮টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগীরা তাঁদের দক্ষতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন। কমিটি আগামী দিনে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে গিয়ে রাজ্যব্যাপী টুর্নামেন্টে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা করছে। প্রবীণ অঙ্গনে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা ইতিমধ্যেই ব্রিজপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। আয়োজকরা আশা করছেন যে, আগামী বছরগুলোতে আরও বেশি সংখ্যক দল ও খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন এবং এর ফলস্বরূপ ধর্মনগর তথা গোটা রাজ্যেই ব্রিজ খেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।3
- পানিসাগর রেলওয়ে স্টেশন পরীক্ষামূলক বৈদ্যুতিক মেমো ট্রেনের আগমনের মধ্য দিয়ে এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে। রেল পরিষেবা আধুনিকীকরণের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।4
- উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগরে অবস্থিত ধর্মনগর রেলওয়ে ডিভিশন ডিমান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমিটির ১১তম বার্ষিক সাধারণ সভা রবিবার ধর্মনগর পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড সংলগ্ন টিজিটিএ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভায় সংগঠনের বিগত এক বছরের কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব-নিকাশ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সভায় সম্পাদক হিমাংশু পাল তাঁর বার্ষিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদনে সংগঠনের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রতিবেদনের শুরুতেই সম্প্রতি প্রয়াত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস.এন. ভট্টাচার্যের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। একইসঙ্গে প্রয়াত বিধায়ক স্পিকার বিশ্ববন্ধু সেন সহ সমাজ ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ধর্মনগরে রেল ডিভিশন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি ধারাবাহিকভাবে গণআন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই দাবির সমর্থনে স্মারকলিপি প্রদান, জনসভা, পথসভা, প্রচারপত্র বিতরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।1
- রাজা সাহা একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি পুলিশকে 'টিউবলাইটের মতো!' বলে উল্লেখ করেছেন। তার এই মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।1
- ভারত বিকাশ পরিষদ পূর্ব শাখার উদ্যোগে রাধানগরের রাধামাধব মন্দির প্রাঙ্গণে একটি বাল সংস্কার শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করে, যাদের মধ্যে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল। শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শ্রীমতি সান্তনা সাহা মহোদয়া। এছাড়াও, প্রান্তীয় সংরক্ষণ শ্রী ধীরেন্দ্র কোলই, শাখা স্তরের প্রেসিডেন্ট শ্রী শ্যামল ভট্টাচার্য, এবং প্রান্তীয় মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি এষা ধরসহ ভারত বিকাশ পরিষদের অন্যান্য সম্মানিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে রিজিওনাল সেক্রেটারি বাল বিকাশ শ্রীমতি মঞ্জু দেব, প্রান্তীয় সেক্রেটারি শ্রী আশীষ নাথ, এবং সম্পর্ক প্রমুখ শ্রী ভজন ভট্টাচার্য অন্যতম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন রিজনাল সেক্রেটারি সংস্কার শ্রীমতি জবা ভট্টাচার্য, এবং স্বাগত ভাষণ রাখেন শাখা স্তরের মহিলা সহভাগীতা বাল বিকাশ শ্রীমতি মিনাক্ষী চক্রবর্তী। এই শিবিরে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সংস্কার, নৈতিক ও চারিত্রিক গঠনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। তাদের উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন মনীষীদের বই ও স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে, শাখা স্তরের সেক্রেটারি ইন্দ্রজিৎ সাহা ছাত্রছাত্রীদের ভারত বর্ষকে পৃথিবীর বুকে বিশ্ব গুরু হিসেবে গড়ে তোলার শপথ বাক্য পাঠ করান।1
- মাত্র এক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় তলিয়ে গেল রাজধানী আগরতলার রাজপথ থেকে অলিগলি। 'স্মার্ট সিটি' তকমাধারী এই শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে অমূলক নয়, তা ফের একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনায়। বিকেল গড়াতেই আকাশ ভেঙে শুরু হওয়া ৬০ মিনিটের এই বৃষ্টিতে শহরের কৃষ্ণনগর, বটতলা, শকুন্তলা রোড এবং এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এলাকাগুলো কার্যত হ্রদে পরিণত হয়। হাঁটু সমান জল ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষ। অনেক জায়গায় রাস্তার ওপর জমে থাকা জলের কারণে যানবাহন চলাচল থমকে যায়। বেশ কিছু দোকানপাটে জল ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। এছাড়া ড্রেন উপচে নোংরা জল রাস্তায় মিশে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়েও আতঙ্কিত। ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্মার্ট সিটি প্রজেক্টের নামে কোটি কোটি টাকা খরচ হলেও নিকাশি ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই এই চরম পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, "স্মার্ট সিটির তকমাটা কেবল খাতায়-কলমেই রয়ে গেল, দুর্ভোগ আমাদের কমলো না।" এদিকে, শহরের এই জলমগ্ন পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের খবর পাওয়া যায়নি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শহরবাসীর একটাই প্রশ্ন— কবে মিলবে এই জলযন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি?1