ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরণ! দিনহাটায় অনশনে বসলেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কোচবিহারের দিনহাটায় ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের নাম বিচারাধীন করা হয়েছে, এমনকি অনেকের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। এই অভিযোগেই সরব হয়ে গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার সকাল ঠিক ৯টা থেকে দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে শুরু হয় এই গণ অনশন। মন্ত্রীর সঙ্গে অনশনে সামিল হন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরাও। আন্দোলনের মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন তিনি। মন্ত্রী অভিযোগ করেন, প্রকৃত ভোটারদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গণ অনশন চলবে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত। দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে তাই এখন কার্যত আন্দোলনের মঞ্চ—যেখানে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে সরব শাসক দলের নেতা-কর্মীরা।
ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরণ! দিনহাটায় অনশনে বসলেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ কোচবিহারের দিনহাটায় ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের নাম বিচারাধীন করা হয়েছে, এমনকি অনেকের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। এই অভিযোগেই সরব হয়ে গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার সকাল ঠিক ৯টা থেকে দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে শুরু হয় এই গণ অনশন। মন্ত্রীর সঙ্গে অনশনে সামিল হন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরাও। আন্দোলনের মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন তিনি। মন্ত্রী অভিযোগ করেন, প্রকৃত ভোটারদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গণ অনশন চলবে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত। দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে তাই এখন কার্যত আন্দোলনের মঞ্চ—যেখানে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে সরব শাসক দলের নেতা-কর্মীরা।
- গত দুদিন থেকে জলপাইগুড়ি জেলার মেটেলি থানার অন্তর্গত গরুমারা জাতীয় অভয়ারণ্যের মধ্যে অবস্থিত টিয়া বনে ছড়িয়ে পড়েছে দাবানল, ধোঁয়ায় ডেকেছে আকাশ ,আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে উচ্চ গাছের কঠোরে বসবাসকারী পক্ষী কুলকে , স্থানিয় স্বেচ্ছা সেবি এবং ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দার বন বিভাগের কর্মীরা গাছের ডাল দিয়েই অনবরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গলের এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে। উল্লেখ্য, এই টিয়া বনে রয়েছে বিশেষ হেলি প্যাড, ডুয়ার্স অঞ্চলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলে এই হেলি প্যাডে অবতরণ করেন তিনি। তবে এই ঘটনা নতুন কিছু নয়, বিগত দেড় দশকে চালশা, লাটাগুরী,মালবাজার প্রভৃতি অঞ্চলে জঙ্গলের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শাসক দলের মদতে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে হোটেল ,রিসোর্ট এই অভিযোগ প্রায়ই তোলেন পরিবেশ প্রেমির দল সহ রাজনৈতিক সংগঠন গুলো। অবৈজ্ঞানিক ভাবে শুকনো মরশুমে জঙ্গলের গভীরে দেদার প্রবেশ এবং বেড়াতে আসা এক শ্রেনীর উশৃঙ্খল পর্যটকদের আচরণে ফল এই দাবানল বলেই দাবি করেন পরিবেশকর্মী সুমন চৌধুরী। (বাইট ১). অপরদিকে বন বিভাগের কর্মীরা কথায় জঙ্গল লাগোয়া বন বস্তির মানুষ গবাদি পশু চড়াতে নিয়ে যায় এদের দাড়াও অনেক ক্ষেত্রে জঙ্গলে ছড়িয়ে পড়ে দাবানল।1
- দিনহাটার অনশন মঞ্চকে ঘিরে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। তিনি বলেন, “কলকাতায় বসে আছে পিসি, আর কোচবিহারের দিনহাটায় বসে আছে কমল গুহর কুপুত্র।” এই মন্তব্যে তিনি সরাসরি দিনহাটার বিধায়ক ও মন্ত্রী Udayan Guha-কে নিশানা করেন।1
- মাথাভাঙা ২ ব্লকের প্রেমেরডাঙা এলাকায় দিনভর দাপিয়ে বেড়ালো দুটি বাইসন1
- এবার কোচবিহারে আলুর ফলন ভালো।আলু হিমঘরে মজুত করতে কৃষকদের লম্বা লাইন চোখে পড়েছে নিশিগঞ্জে।কোনোরকম অশান্তি এড়াতে ছিল পুলিশি টহলদারিও।1
- কোচবিহারের দিনহাটায় ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা। অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের নাম বিচারাধীন করা হয়েছে, এমনকি অনেকের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। এই অভিযোগেই সরব হয়ে গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার সকাল ঠিক ৯টা থেকে দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে শুরু হয় এই গণ অনশন। মন্ত্রীর সঙ্গে অনশনে সামিল হন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরাও। আন্দোলনের মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন তিনি। মন্ত্রী অভিযোগ করেন, প্রকৃত ভোটারদের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই গণ অনশন চলবে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত। দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে তাই এখন কার্যত আন্দোলনের মঞ্চ—যেখানে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে সরব শাসক দলের নেতা-কর্মীরা।1
- বৈধ নাগরিকদের আন্ডার এডজুডিকেশন মুক্ত করে ভোটাধিকারের প্রশ্নে কোচবিহার জেলাশাসকের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে স্মারকলিপি দিলেন নস্যশেখ উন্নয়ন পরিষদ ও অল বেঙ্গল ইমাম মুয়াজ্জিন অ্যাসোসিয়েশন সোমবার কোচবিহার রাসমেলার ময়দানে জেলার প্রায় ২৫ হাজার নস্যশেখ জনজাতির মানুষের উপস্থিতিতে একটি মহা মিছিল কোচবিহার শহর পরিক্রমা করে তারা ডিএম অফিস চত্বরে গিয়ে পৌঁছান। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে জানান রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ নাগরিককে ভোটাধিকারের প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন নির্বাচন কমিশন। সংগঠনের তরফে জানান নির্বাচন কমিশন একটি রাজনৈতিক দলকে সন্তুষ্ট করবার জন্য ২০০২ সালের ম্যাপিং করা বৈধ ভোটারদেরকেও বাতিল করার ষড়যন্ত্র করেছেন। লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির অজুহাতে ওই ৬০ লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার বিচারাধীনে রেখেছেন। তাই এদিন ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে ডেপুটেশনের মাধ্যমে তারা দাবি করেন নির্বাচন ঘোষণার আগেই জুডিকেশনের অধীনে রাখা ভোটারদের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় নির্বাচন ঘোষণা করা চলবে না। আজকের ডেপুটেশনের ভিত্তিতে তাদের দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি দিয়েছেন।1
- Post by Rajkumar ray1
- কন্ট্রাকচুয়াল মেকানিক ও কন্ট্রাকচুয়াল কন্ডাক্টরদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সোমবার কোচবিহার সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাসে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হল নর্থ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন। এদিন সকাল থেকেই ইউনিয়নের সদস্যরা উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার কোচবিহার সেন্ট্রাল বাস টার্মিনাস চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প বেতনে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন কন্ট্রাকচুয়াল কর্মীরা, অথচ কাজের চাপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিক্ষোভকারীরা জানান, পরিবহন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে কন্ট্রাকচুয়াল মেকানিক ও কন্ডাক্টরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় তাদের বেতন অত্যন্ত কম। পাশাপাশি স্থায়ী কর্মীদের তুলনায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। তাই অবিলম্বে বেতন বৃদ্ধি ও কর্মপরিবেশের উন্নতির দাবিতে এই অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ইউনিয়ন নেতৃত্ব। এদিন বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে ইউনিয়নের নেতারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে কর্মীদের। বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা। এই কর্মসূচির জেরে বাস টার্মিনাস এলাকায় কিছু সময়ের জন্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও পরিষেবা স্বাভাবিক ছিল বলে জানা গেছে।1