কি বললেন রুদ্রনীল ঘোষ, সেটা না শুনলে miss করবেন। পার্কস্ট্রিট এ দুধ গরমের বেপারে স্বচ্ছার পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথে এক হাঁড়ি দুধ ফুটছে। সেই দুধের গন্ধে আজ কলকাতা দুই ভাগ হয়ে গেছে। একদল বলছে - ফুটপাত দখলমুক্ত করো, আরেক দল বলছে - গরিবের পেটে লাথি মারো না। আমি বলছি, এই তর্কটাই লজ্জার। আচ্ছা বলুন তো, কোন মা শখ করে ফুটপাতে বাচ্চার দুধ গরম করে? পার্কস্ট্রিটের মতো জায়গায়, যেখানে আলো ঝলমল করে, যেখানে দামি রেস্তোরাঁ, সেখানে এক মা স্টোভ জ্বালিয়ে বসে আছে - এটা কি আনন্দের ছবি? না, এটা আমাদের ব্যর্থতার ছবি। আজ ৭৮ বছর পরেও যদি একটা মাকে তার সন্তানের দুধ গরম করার জন্য ফুটপাত খুঁজতে হয়, তাহলে উন্নয়নটা হলো কোথায়? ফ্লাইওভার হয়েছে, মেট্রো হয়েছে, কিন্তু একটা মাথার ওপর ছাদ হয়নি। আমি অগ্নিমিত্রা পালকে সমর্থন করি না, বিরোধিতাও করি না। তিনি একজন মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলেন। হ্যাঁ, তার বলার ভাষাটা কঠিন ছিল, আরেকটু নরম হলে পারতেন। কিন্তু তিনি তো পুলিশ দিয়ে মা-টাকে জেলে পাঠাননি, পুলিশ প্রোটেকশন দিতে নিয়ে গেছে। আর যারা আজ ক্যামেরা নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন, "আমরা দায়িত্ব নেব" বলছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন - আপনারা তো ১৪ বছর, ৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। তখন এই মা-গুলো কোথায় ছিল? তখন কেন তাদের ঘর দেননি? আজ ফুটপাতের দুধ দেখে আপনাদের মায়া উথলে উঠছে, কাল ভোট মিটে গেলে আবার ভুলে যাবেন। মনে রাখবেন, গরিব মানুষ কোনো দলের প্রপার্টি নয়। ওই মা, ওই শিশু - ওরা রাজনীতির রুটি সেঁকার উনুন নয়। সরকারের কাজ ফুটপাত ফাঁকা করা, অবশ্যই। কিন্তু তার আগে ওই মায়ের জন্য একটা বিকল্প ঘরের ব্যবস্থা করা। উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন - এটাই মানবিকতা, এটাই উন্নয়ন। দুধটা ফুটপাতে নয়, রান্নাঘরে ফুটবে - সেই দিনটাই হোক আমাদের আসল উন্নয়ন।
কি বললেন রুদ্রনীল ঘোষ, সেটা না শুনলে miss করবেন। পার্কস্ট্রিট এ দুধ গরমের বেপারে স্বচ্ছার পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথে এক হাঁড়ি দুধ ফুটছে। সেই দুধের গন্ধে আজ কলকাতা দুই ভাগ হয়ে গেছে। একদল বলছে - ফুটপাত দখলমুক্ত করো, আরেক দল বলছে - গরিবের পেটে লাথি মারো না। আমি বলছি, এই তর্কটাই লজ্জার। আচ্ছা বলুন তো, কোন মা শখ করে ফুটপাতে বাচ্চার দুধ গরম করে? পার্কস্ট্রিটের মতো জায়গায়, যেখানে আলো ঝলমল করে, যেখানে দামি রেস্তোরাঁ, সেখানে এক মা স্টোভ জ্বালিয়ে বসে আছে - এটা কি আনন্দের ছবি? না, এটা আমাদের ব্যর্থতার ছবি। আজ ৭৮ বছর পরেও যদি একটা মাকে তার সন্তানের দুধ গরম করার জন্য ফুটপাত খুঁজতে হয়, তাহলে উন্নয়নটা হলো কোথায়? ফ্লাইওভার হয়েছে, মেট্রো হয়েছে, কিন্তু একটা মাথার ওপর ছাদ হয়নি। আমি অগ্নিমিত্রা পালকে সমর্থন করি না, বিরোধিতাও করি না। তিনি একজন মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলেন। হ্যাঁ, তার বলার ভাষাটা কঠিন ছিল, আরেকটু নরম হলে পারতেন। কিন্তু তিনি তো পুলিশ দিয়ে মা-টাকে জেলে পাঠাননি, পুলিশ প্রোটেকশন দিতে নিয়ে গেছে। আর যারা আজ ক্যামেরা নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন, "আমরা দায়িত্ব নেব" বলছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন - আপনারা তো ১৪ বছর, ৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। তখন এই মা-গুলো কোথায় ছিল? তখন কেন তাদের ঘর দেননি? আজ ফুটপাতের দুধ দেখে আপনাদের মায়া উথলে উঠছে, কাল ভোট মিটে গেলে আবার ভুলে যাবেন। মনে রাখবেন, গরিব মানুষ কোনো দলের প্রপার্টি নয়। ওই মা, ওই শিশু - ওরা রাজনীতির রুটি সেঁকার উনুন নয়। সরকারের কাজ ফুটপাত ফাঁকা করা, অবশ্যই। কিন্তু তার আগে ওই মায়ের জন্য একটা বিকল্প ঘরের ব্যবস্থা করা। উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন - এটাই মানবিকতা, এটাই উন্নয়ন। দুধটা ফুটপাতে নয়, রান্নাঘরে ফুটবে - সেই দিনটাই হোক আমাদের আসল উন্নয়ন।
- কি বললেন রুদ্রনীল ঘোষ, সেটা না শুনলে miss করবেন। পার্কস্ট্রিট এ দুধ গরমের বেপারে স্বচ্ছার পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথে এক হাঁড়ি দুধ ফুটছে। সেই দুধের গন্ধে আজ কলকাতা দুই ভাগ হয়ে গেছে। একদল বলছে - ফুটপাত দখলমুক্ত করো, আরেক দল বলছে - গরিবের পেটে লাথি মারো না। আমি বলছি, এই তর্কটাই লজ্জার। আচ্ছা বলুন তো, কোন মা শখ করে ফুটপাতে বাচ্চার দুধ গরম করে? পার্কস্ট্রিটের মতো জায়গায়, যেখানে আলো ঝলমল করে, যেখানে দামি রেস্তোরাঁ, সেখানে এক মা স্টোভ জ্বালিয়ে বসে আছে - এটা কি আনন্দের ছবি? না, এটা আমাদের ব্যর্থতার ছবি। আজ ৭৮ বছর পরেও যদি একটা মাকে তার সন্তানের দুধ গরম করার জন্য ফুটপাত খুঁজতে হয়, তাহলে উন্নয়নটা হলো কোথায়? ফ্লাইওভার হয়েছে, মেট্রো হয়েছে, কিন্তু একটা মাথার ওপর ছাদ হয়নি। আমি অগ্নিমিত্রা পালকে সমর্থন করি না, বিরোধিতাও করি না। তিনি একজন মন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলেন। হ্যাঁ, তার বলার ভাষাটা কঠিন ছিল, আরেকটু নরম হলে পারতেন। কিন্তু তিনি তো পুলিশ দিয়ে মা-টাকে জেলে পাঠাননি, পুলিশ প্রোটেকশন দিতে নিয়ে গেছে। আর যারা আজ ক্যামেরা নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন, "আমরা দায়িত্ব নেব" বলছেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন - আপনারা তো ১৪ বছর, ৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। তখন এই মা-গুলো কোথায় ছিল? তখন কেন তাদের ঘর দেননি? আজ ফুটপাতের দুধ দেখে আপনাদের মায়া উথলে উঠছে, কাল ভোট মিটে গেলে আবার ভুলে যাবেন। মনে রাখবেন, গরিব মানুষ কোনো দলের প্রপার্টি নয়। ওই মা, ওই শিশু - ওরা রাজনীতির রুটি সেঁকার উনুন নয়। সরকারের কাজ ফুটপাত ফাঁকা করা, অবশ্যই। কিন্তু তার আগে ওই মায়ের জন্য একটা বিকল্প ঘরের ব্যবস্থা করা। উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন - এটাই মানবিকতা, এটাই উন্নয়ন। দুধটা ফুটপাতে নয়, রান্নাঘরে ফুটবে - সেই দিনটাই হোক আমাদের আসল উন্নয়ন।1
- ক্যামাকস্ট্রীটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর অফিসে পুলিশি হানা1
- রাস্তার যা অবস্থা সরকারে করছে না কোন ব্যবস্থা প্রথমে ছিল টিএমসি সরকার এটা উত্তর ২৪ পরগনা নদীয়া জেলার মধ্যে পড়ে বলে রাস্তার কোন উন্নতি নেই এটাই আমার মাননীয় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বলা যে রাস্তাটা জলদি ঠিক করেছে1
- আমাদের খবর এর জেরে ফিরে এলো জঞ্জাল ফেলা গাড়ি গাড়ি গুলো গেলো কোথায়? সাহস নিয়ে আমরাই সবার প্রথমেই প্রশ্ন করতে পারি আমরা প্রথম খবর দেখাই পরিষেবা সিকেয় উঠেছে জঞ্জাল ফেলা গাড়ি গুলো সব গেলো কোথায়? খবর এর জেরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন পঞ্চায়েতে জেনারেল মিটিং হয় অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় আগামী মাস থেকে গ্রামবাসীদের ওই পরিষেবা দেওয়া হবে পুনরায় জঞ্জাল সংগ্রহ করার জন্য একটা গাড়ি ফিরে এসেছে জানাগেছে বাকি গাড়ি গুলো কেও নাকি ধীরে ধীরে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা হবে1
- কল্যাণী এইমস হাসপাতাল পর্যন্ত মেট্রো রেল হওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং পূর্ব প্রস্তাবিত অনুযায়ী ব্যারাকপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণ হওয়ার পাশাপাশি এবার কল্যাণী এইমস হাসপাতাল পর্যন্ত মেট্রো রেল হওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং।তিনি জানান এইমস হাসপাতালে সাধারণ মানুষের যাতায়াত করতে যাতে সুবিধা হয় সে কারণেই মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব রাখা হয়েছে এবং তা গৃহীত হয়েছে। ব্যারাকপুর কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ওপর দিয়ে এমস হাসপাতাল পর্যন্ত এই মেট্রোরেল পথ তৈরি করা হবে। শুধু তাই নয় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এই হাসপাতাল পর্যন্ত বাস পরিষেবারও ব্যবস্থা করা হবে বলে জানালেন রাজ্যের শ্রম ও পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। ফলে রাজ্যের মানুষের কাছে নতুন এই খবরে স্বাভাবিকভাবেই খুশি সাধারণ মানুষ।1
- প্রেরণা চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় গণ রাখি বন্ধন উৎসব,সাধারণ Smart ছাড়াও পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের রাখি বন্ধন এই সংস্থার সদস্য ও সদস্যরা। প্রেরণা চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন উদ্যোগে আয়োজন করা হয় গণ রাখি বন্ধন উৎসব।দুশোর ও অধিক মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়া হয় এছাড়াও লাড্ডু বিতরণ করা হয় সব থেকে বড় ব্যাপার পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের হাতেও রাখি পরিয়ে দেন সংস্থা।মিষ্টিমুখ করান পুলিশদের।1
- Froud contector Munna sharma Home Decor Point Alam bazar , baranagar Munna sharma Home Decor Point Alam bazar , baranagar1
- আমাদের গোড়ালের রাস্তা কি আর ঠিক হবে না টিএমসি সরকার চেঞ্জ হয়ে গেল রাস্তা করলো না কিছু এখন বিজেপি কথা দিয়েছে করছে না কোন কাজ1