নদীয়ার নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর কাছে মঙ্গলবার রাতে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই তরুণী, যেখানে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আতঙ্কিত ও আহত হন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে মৃত তরুণীর নাম মধু হালদার বলে জানা গেছে, যাঁর বাড়ি নবদ্বীপের ভরপাড়া এলাকায়। তাঁর বাবা পেশায় মাছ বিক্রেতা। আহত যুবকের নাম অনিকেত রায়, যিনি নবদ্বীপের প্রফুল্লনগর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, অনিকেত ও মধু মোটরসাইকেলে করে গৌরাঙ্গ সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেতুর পাশে কিছু সময় কাটিয়ে চা পান করার পর তাঁরা বাড়ির পথে রওনা হন। নবদ্বীপের তোরণ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পরই কৃষ্ণনগরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বালিবোঝাই লরি তাঁদের মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধাক্কার জেরে মোটরসাইকেল চালক অনিকেত রায় রাস্তার বাঁদিকে ছিটকে পড়ে যান, কিন্তু মধু হালদার চলন্ত লরির নিচে পড়ে যান। স্থানীয়রা লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে লরির পরপর চারটি চাকা তরুণীর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর লরিটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে সেটিকে আটক করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি, ঘাতক লরির চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজও শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু থেকে নামার মুখে কোনও স্পিড ব্রেকার বা বাম্পার না থাকায় অধিকাংশ ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে এর আগেও ওই এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই অংশে স্পিড ব্রেকার, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত তরুণীর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নদীয়ার নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর কাছে মঙ্গলবার রাতে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই তরুণী, যেখানে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আতঙ্কিত ও আহত হন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে মৃত তরুণীর নাম মধু হালদার বলে জানা গেছে, যাঁর বাড়ি নবদ্বীপের ভরপাড়া এলাকায়। তাঁর বাবা পেশায় মাছ বিক্রেতা। আহত যুবকের নাম অনিকেত রায়, যিনি নবদ্বীপের প্রফুল্লনগর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, অনিকেত ও মধু মোটরসাইকেলে করে গৌরাঙ্গ সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেতুর পাশে কিছু সময় কাটিয়ে চা পান করার পর তাঁরা বাড়ির পথে রওনা হন। নবদ্বীপের তোরণ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পরই কৃষ্ণনগরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বালিবোঝাই লরি তাঁদের মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধাক্কার জেরে মোটরসাইকেল চালক অনিকেত রায় রাস্তার বাঁদিকে ছিটকে পড়ে যান, কিন্তু মধু হালদার চলন্ত লরির নিচে পড়ে যান। স্থানীয়রা লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে লরির পরপর চারটি চাকা তরুণীর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর লরিটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে সেটিকে আটক করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি, ঘাতক লরির চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজও শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু থেকে নামার মুখে কোনও স্পিড ব্রেকার বা বাম্পার না থাকায় অধিকাংশ ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে এর আগেও ওই এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই অংশে স্পিড ব্রেকার, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত তরুণীর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
- নদীয়ার নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর কাছে মঙ্গলবার রাতে এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে এক তরুণীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দ্রুতগতির লরির ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ওই তরুণী, যেখানে মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আতঙ্কিত ও আহত হন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে নবদ্বীপ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে মৃত তরুণীর নাম মধু হালদার বলে জানা গেছে, যাঁর বাড়ি নবদ্বীপের ভরপাড়া এলাকায়। তাঁর বাবা পেশায় মাছ বিক্রেতা। আহত যুবকের নাম অনিকেত রায়, যিনি নবদ্বীপের প্রফুল্লনগর এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, অনিকেত ও মধু মোটরসাইকেলে করে গৌরাঙ্গ সেতু এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেতুর পাশে কিছু সময় কাটিয়ে চা পান করার পর তাঁরা বাড়ির পথে রওনা হন। নবদ্বীপের তোরণ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পরই কৃষ্ণনগরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বালিবোঝাই লরি তাঁদের মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধাক্কার জেরে মোটরসাইকেল চালক অনিকেত রায় রাস্তার বাঁদিকে ছিটকে পড়ে যান, কিন্তু মধু হালদার চলন্ত লরির নিচে পড়ে যান। স্থানীয়রা লরিটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও ততক্ষণে লরির পরপর চারটি চাকা তরুণীর শরীরের উপর দিয়ে চলে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর লরিটি দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে সেটিকে আটক করে। মৃতদেহ উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পাশাপাশি, ঘাতক লরির চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কাজও শুরু করেছে পুলিশ এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, গৌরাঙ্গ সেতু থেকে নামার মুখে কোনও স্পিড ব্রেকার বা বাম্পার না থাকায় অধিকাংশ ভারী যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। তাঁরা আরও দাবি করেন যে এর আগেও ওই এলাকায় একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই অংশে স্পিড ব্রেকার, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত তরুণীর পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- রাজস্থানের জয়পুরে একটি মনোরম ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য একটি সুখবর। এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সেখানে এক সুন্দর প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে।1
- নদীয়ার করিমপুরে তৃণমূল নেত্রী ও নদীয়া জেলা পরিষদের সদস্য টিনা ভৌমিক সাহার পৈত্রিক গৃহ থেকে তিন কেজিরও বেশি সোনা উদ্ধার হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ সোনার বর্তমান বাজার মূল্য চার কোটি টাকারও বেশি। পূর্বের তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র ও তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে জেরা করে এই সোনার সন্ধান পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, মহিলা সব্যসাচী দত্তের বান্ধবী। গতকাল, অর্থাৎ ২২/০৬/২৬ তারিখে সারা রাত ধরে বিধাননগর এবং করিমপুর থানার পুলিশ যৌথভাবে টিনা ভৌমিক সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময় সব্যসাচী দত্তকেও ওই বাড়িতে আনা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সোনার ভিডিও এবং অন্যান্য ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। এই লেখনী ও ভিডিও এডিটিং করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতকারীদের ছোড়া বোমার আঘাতে ছোট্ট মেয়ে তামান্না নিহত হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চেয়ে বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠন এদিন পথে নেমে তীব্র আন্দোলন শুরু করেছে। তামান্নার হত্যার বিচার দাবিতে তারা জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।1
- নাকাশিপাড়ায় সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সংঘের পক্ষ থেকে সরকারকে জাতীয়তাবাদী অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এই অভিনন্দন জানানো হয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০% ডিএ (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স) বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের পর।1
- পূর্ব বর্ধমানের কালনা হাট এলাকায় কালনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১০৮ নম্বর বুথের রামেশ্বরপুর কালনা স্টেশনের ঠিক পাশে অবস্থিত বন্ধুলজ নামে একটি হোটেলে দীর্ঘ দশ বছর ধরে মধুচক্র চলছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের গুরুতর অভিযোগ। গ্রামবাসীদের দাবি, তারা এই বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে থানায় অভিযোগ জানালেও, তৃণমূল সরকারের আমলে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে, বর্তমানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে আবার থানায় অভিযোগ জানালে, আজ পুলিশ ওই লজে অভিযান চালায়। এই অভিযানে লজের ভেতর থেকে হাতেনাতে দুজন মহিলাকে আটক করা হয়। এছাড়াও, রামেশ্বরপুরের বাসিন্দা হোটেল মালিক বিশ্বজিৎ দাসকেও পুলিশ আটক করেছে। বর্তমানে এই পুরো বিষয়টি পুলিশি তদন্তাধীন রয়েছে।1
- আজ হুগলি জেলার জিরাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান দিবস পালন করা হয়েছে।1
- শুরু নিউজ এবং স্কাই নিউজ চ্যানেলের কাছে বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে, কারেন্ট অফিসের নাম করে ফোন করে অবিলম্বে টাকা পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আজ সকালে ৯টা নাগাদ এমনই একটি হুমকি ফোন আসে তাদের মিডিয়া সেন্টারে, যেখানে নিজেকে 'কারেন্ট অফিস' থেকে পরিচয় দেওয়া হয়। ট্রুকলারে দেখা যায় যে এটি একটি সন্দেহজনক নম্বর। মিডিয়া সেন্টারের কর্মীরা যখন ফোনদাতাকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেন, তখন তৎক্ষণাৎ 'শালা' বলে গালাগালি দেওয়া হয়। শুরু নিউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইলেক্ট্রিক অফিসের কর্মীরা কখনো এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন না এবং এই ফোনগুলি ইলেক্ট্রিক অফিসের কেউ করছে না। বিশেষত বলাগড়ে সকালে ইলেক্ট্রিক অফিস বন্ধ থাকা সত্ত্বেও এমন ফোন আসার বিষয়টি প্রতারণার ইঙ্গিত দেয়। জনস্বার্থে প্রচারিত এই বার্তায় শুরু নিউজ সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে এবং এই ধরনের প্রতারণা থেকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছে।1