তুফানগঞ্জ ডিসিআরসি কেন্দ্রে ভোটের ব্যস্ততার মধ্যেই সৌজন্যতার এক অনন্য নজির গড়ে উঠল। নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী আকিক হোসেন এবং বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ নজর কাড়ল উপস্থিত সকলের। নির্বাচনী উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতাতেও উঠে আসে গণতন্ত্রের মর্যাদা বজায় রাখার বার্তা। তাদের এই আচরণে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়াই হওয়া উচিত। ডিসিআরসি কেন্দ্র চত্বরে উপস্থিত ভোট কর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই দৃশ্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন সৌজন্যতা বিরল হলেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা যে সম্ভব—তুফানগঞ্জের এই ঘটনা যেন সেই বার্তাই দিল।
তুফানগঞ্জ ডিসিআরসি কেন্দ্রে ভোটের ব্যস্ততার মধ্যেই সৌজন্যতার এক অনন্য নজির গড়ে উঠল। নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী আকিক হোসেন এবং বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ নজর কাড়ল উপস্থিত সকলের। নির্বাচনী উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতাতেও উঠে আসে গণতন্ত্রের মর্যাদা বজায় রাখার বার্তা। তাদের এই আচরণে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়াই হওয়া উচিত। ডিসিআরসি কেন্দ্র চত্বরে উপস্থিত ভোট কর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই দৃশ্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন সৌজন্যতা বিরল হলেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা যে সম্ভব—তুফানগঞ্জের এই ঘটনা যেন সেই বার্তাই দিল।
- কুমারগ্রাম বিধানসভা এলাকায় ভিন রাজ্যে কর্মরত শ্রমিকদের ভোটগ্রহণে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য তৎপরতা লক্ষ্য করা গেল। বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এলাকার বহু পরিযায়ী শ্রমিক নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাজের সূত্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শ্রমিকরা বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে সময়মতো এলাকায় পৌঁছনোর চেষ্টা করেছেন। কেউ ট্রেন, কেউ বা বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির মাধ্যমে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে ভোট দিতে এসেছেন। তাদের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি দায়বদ্ধতারই পরিচয় বহন করছে। এলাকার বিভিন্ন বুথে দেখা গেছে, সকাল থেকেই পরিযায়ী শ্রমিকদের লম্বা লাইন। অনেকেই জানিয়েছেন, কাজের চাপ ও দূরত্বের কারণে প্রতিবার ভোট দিতে আসা সম্ভব হয় না, তবে এবারের নির্বাচনে তারা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এই পরিযায়ী ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণে সহযোগিতা করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন। সব মিলিয়ে, কুমারগ্রাম বিধানসভা এলাকায় ভিন রাজ্যের কর্মরত শ্রমিকদের সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে এবং গণতন্ত্রের উৎসবে এক আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- কোচবিহারে ভোটের দিনে উত্তেজনার পারদ চড়ল চা বাগান এলাকায়। ৪৭ ও ৪৮ নম্বর বুথে আচমকাই তৈরি হয় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলতে এদিন বুথে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিক। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মন। দু’পক্ষের উপস্থিতিতেই শুরু হয় তুমুল বাকবিতণ্ডা, বাড়তে থাকে উত্তেজনা। তৃণমূলের অভিযোগ, বুথ এলাকায় টাকা বিলি করছিলেন নিশীথ প্রামানিক। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি শিবির। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানা গেছে।1
- Post by KRISHNA RAVA1
- তুফানগঞ্জ বিধানসভার মহিষকুচি -১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯০/৯,৯১/৯ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থীকে ঢুকতে বাধা।1
- *দিনহাটার আই সি অতি সক্রিয় অভিযোগ উদয়ন গুহ।1
- নাটাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট প্রার্থী আকিক হোসেন এবং বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়ের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ নজর কাড়ল উপস্থিত সকলের। নির্বাচনী উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়। শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতাতেও উঠে আসে গণতন্ত্রের মর্যাদা বজায় রাখার বার্তা। তাদের এই আচরণে স্পষ্ট হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়াই হওয়া উচিত। ডিসিআরসি কেন্দ্র চত্বরে উপস্থিত ভোট কর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যেও এই দৃশ্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। অনেকেই মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন সৌজন্যতা বিরল হলেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কিন্তু সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা যে সম্ভব—তুফানগঞ্জের এই ঘটনা যেন সেই বার্তাই দিল।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- Post by KRISHNA RAVA1