Shuru
Apke Nagar Ki App…
ত্রিপুরার কুমারঘাটে আইন অমান্য আন্দোলনে সামিল বাম শ্রমিক, কৃষক সংগঠন। বামেদের সর্বভারতীয় কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটেও আইন অমান্য আন্দোলনে সামিল বামফ্রন্টের শ্রমিক, কৃষক সংগঠন। পুলিশের সঙ্গে হলো নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি। বেরিকেট ভেঙে এগিয়ে গেল লাল স্রোতের মিছিল।
JOHNNY BHATTACHARJEE
ত্রিপুরার কুমারঘাটে আইন অমান্য আন্দোলনে সামিল বাম শ্রমিক, কৃষক সংগঠন। বামেদের সর্বভারতীয় কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাটেও আইন অমান্য আন্দোলনে সামিল বামফ্রন্টের শ্রমিক, কৃষক সংগঠন। পুলিশের সঙ্গে হলো নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি। বেরিকেট ভেঙে এগিয়ে গেল লাল স্রোতের মিছিল।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ* নিজস্ব প্রতিনিধি।। ধর্মনগর,১২ আগস্ট : হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।2
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ উত্তর ত্রিপুরা জেলার বাগপাশা এলাকায় অসম আগরতলা সড়ক অবরোধ1
- ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চরম অব্যবস্থার অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, ডিজেলের অভাবে বন্ধ জেনারেটর—বিপাকে রোগীরা, প্রশ্নের মুখে ডায়ালিসিস পরিষেবা। ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ফের সামনে এল চরম অব্যবস্থার অভিযোগ। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েন চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। অভিযোগ, বিদ্যুৎ পরিষেবা সচল রাখার জন্য হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর মতো পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত ছিল না। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বিকল্প ব্যবস্থাও কার্যত অচল হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। হাসপাতালে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে। বিশেষ করে ডায়ালিসিস পরিষেবা নিয়ে রোগী ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। বিদ্যুৎ না থাকলে ডায়ালিসিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জেলা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ থাকা এবং একই সময়ে জেনারেটর চালানোর জন্য ডিজেলের ঘাটতির অভিযোগকে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। জরুরি বিভাগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগীদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা-সহ হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা কীভাবে সচল রাখা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। একদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন, অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে থাকা জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানির ঘাটতির অভিযোগ—পরপর এই দুই সমস্যায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের পরিকাঠামো ও পরিষেবা ব্যবস্থা নিয়ে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রোগীদের স্বার্থে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনারেটরের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল মজুত রাখার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করারও দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।3
- *বেতন না পেয়ে চরম দুর্ভোগ, ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তা কর্মীদের বিক্ষোভ* নিজস্ব প্রতিনিধি, ধর্মনগর, ১২ আগস্ট: দীর্ঘ ১১ মাস ধরে বেতন বকেয়া থাকার অভিযোগে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের ২৭ জন নিরাপত্তাকর্মী বুধবার অনির্দিষ্টকালের ধরনায় বসেন। হাসপাতালের মেডিকেল সুপার ডা. ভাস্কর দাসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে সরব হন তাঁরা।নিরাপত্তাকর্মীদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট এন বি এস কোম্পানির মাধ্যমে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু প্রায় ১১ মাস ধরে তাঁদের বেতন দেওয়া হচ্ছে না।1
- Post by Ripon sk1
- শহরের উপর আবার মন্দিরে চুরি ঘটনা কলেজ টিলা ফারি ও পূর্ব থানার নাকের ডগায় প্রশ্ন চিহ্ন শহরের নিরাপত্তা নিয়ে , ঘটনাটি ঘটে শিবনগর মডার্ন ক্লাব পাশে শিব মন্দির ঘটনায় সিসি ক্যামেরা ফুটেজ কিছুটা ধরা পরে1
- সোনামুড়ায় যৌথ অভিযানে ৮ লক্ষ গাঁজা চারা ধ্বংস, উদ্ধার ২০ কেজি বীজ ও ২০০ কেজি শুকনো পাতা সোনামুড়া: গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজার চারা, বীজ ও শুকনো পাতা উদ্ধার করে ধ্বংস করল নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ সকাল ৮টা ২০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ধনীরামপুর ADC ভিলেজ, বিজয়নগর ADC ভিলেজ ও বাতাদোলা এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মোট ২৭টি গাঁজার বীজতলা শনাক্ত করা হয়। ওই বীজতলাগুলিতে আনুমানিক ৮ লক্ষ গাঁজার চারা ছিল বলে জানা যায়। সমস্ত আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর ঘটনাস্থলেই গাঁজার চারাগুলি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এছাড়াও অভিযানে আনুমানিক ২০ কেজি গাঁজার বীজ এবং প্রায় ২০০ কেজি শুকনো গাঁজার পাতা উদ্ধার করা হয়। সেগুলিও আইনানুগ প্রক্রিয়া মেনে ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে। উদ্ধার ও ধ্বংস করা গাঁজার চারাসহ অন্যান্য সামগ্রীর আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানটি যৌথভাবে পরিচালনা করে সোনামুড়া থানার পুলিশ, ৮১ নম্বর ব্যাটালিয়ন BSF এবং ১১তম ব্যাটালিয়ন TSR। গাঁজা চাষ ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।2
- *গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ* হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ধর্মনগর পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে রণক্ষেত্রের রূপ নিল আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা নাগাদ বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় সড়ক অবরোধে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ চলছে তাই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে রাস্তার দুই পাশে।গতকাল বাগবাসার বাসিন্দা তপন দাসের ওপর এক মর্মান্তিক ও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলেও, চব্বিশ ঘণ্টা পার হয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী।ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, বাগবাসা ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তপন দাসের ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগের আঙুল উঠেছে দক্ষিণ গঙ্গানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জয় কুমার নাথ, তাঁর ভাই জয়দেব নাথ এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আরও ১৪-১৫ জন সহযোগীর দিকে। আক্রান্তের পরিবারের দাবি, লোহার রড দিয়ে তপন দাসের ওপর এই নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়, এমনকি তাঁর পেটের ভেতর রড ঢুকিয়ে প্রাণ সংহারের চেষ্টা পর্যন্ত করে অভিযুক্তরা। সেই সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী কোনোক্রমে তাঁকে উদ্ধার করেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় তপন দাস বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর সুবিচারের আশায় আহত তপন দাসের ভাই রতন চন্দ্র দাস সহ পরিবারের সদস্যরা ধর্মনগর থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদেই বুধবার সন্ধ্যায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হন স্থানীয়রা। বাগবাসা ট্রাফিক পয়েন্টে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক স্তব্ধ করে দিয়ে চলে বিক্ষোভ। প্রতিবাদস্থল থেকে আছড়ে পড়ে "ধর্মনগর পুলিশ হায় হায়" ধ্বনি। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট দাবি—অবিলম্বে মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং আইনানুগ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।3