Shuru
Apke Nagar Ki App…
রামগঙ্গায় দুই আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার একাধিক মহিলা....
Gopi kishor Bera
রামগঙ্গায় দুই আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার একাধিক মহিলা....
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- রামগঙ্গায় দুই আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার একাধিক মহিলা....1
- মৈপিট কোস্টাল থানার বৈকুন্ঠপুর এলাকার আনন্দ মরার পুকুর থেকে বনদপ্তর উদ্ধার করে কুমির1
- কুলতলীতে পালা বদলের জল্পনা গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী পঞ্চায়েতে অনাস্থার উদ্যোগ হাসান লস্কর কুলতলী দক্ষিণ ২৪ পরগনা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীতে গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতার সমীকরণে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। মৈপীঠ কোস্টাল থানার অন্তর্গত গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে শেষ পর্যন্ত পঞ্চায়েতের দখল কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর বিভিন্ন মহলের,২৭ আসন বিশিষ্ট এই গ্রাম পঞ্চায়েতে বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৮ জন এবং বিজেপির ৯ জন সদস্য রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮টি আসন এবং বিজেপি ৯টি আসনে জয়ী হয়। এরপর তৃণমূলের জয়দেব প্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন। তবে বর্তমানে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছেন বিজেপির নয় সদস্য—বৈশাখী মিত্র, বাপন মাইতি, মানস বৈরাগী, দিলীপ ঘোষ, নিখিল দাস, তুহিন শুভ্র হালদার, স্বপন সিট, কৃষ্ণা মণ্ডল দাস এবং বাপি নস্কর। এর পাশাপাশি তৃণমূলের পাঁচ সদস্য—রিতা পোদ্দার, পূর্ণিমা পাইক, নিধিরাম নস্কর, ইন্দা মণ্ডল প্রামাণিক এবং শোভারানি মণ্ডল মাইতি—অনাস্থা প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।ফলে ২৭ সদস্যের বোর্ডে অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের পাঁচ সদস্য বিরোধীদের সঙ্গে থাকলে অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে কী ফল হয়, তা নিয়ে কুলতলী জুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।তবে অনাস্থা প্রস্তাবের পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, ভোটাভুটির দিনক্ষণ এবং চূড়ান্ত ফলাফলই নির্ধারণ করবে। গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। ফলে আপাতত সুন্দরবন লাগোয়া এই পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক পালাবদলের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সর্বশেষ খবর পাওয়া ভারতীয় জনতা পার্টির এক সদস্য তিনি মোটামুটি অংশগ্রহণ করেননি বর্তমান প্রধানের বিপক্ষে মোট পড়ে ১৯ এবং প্রধানের পক্ষে ভোট পড়ে ৭ একজন অনুপস্থিত। আগামী দিনে কে প্রধান হয় এ নিয়ে রইলো জল্পনা। কুলতলীতে পালা বদলের জল্পনা গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী পঞ্চায়েতে অনাস্থার উদ্যোগ হাসান লস্কর কুলতলী দক্ষিণ ২৪ পরগনা দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীতে গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতার সমীকরণে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। মৈপীঠ কোস্টাল থানার অন্তর্গত গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে শেষ পর্যন্ত পঞ্চায়েতের দখল কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর বিভিন্ন মহলের,২৭ আসন বিশিষ্ট এই গ্রাম পঞ্চায়েতে বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৮ জন এবং বিজেপির ৯ জন সদস্য রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮টি আসন এবং বিজেপি ৯টি আসনে জয়ী হয়। এরপর তৃণমূলের জয়দেব প্রধান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হন। তবে বর্তমানে প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছেন বিজেপির নয় সদস্য—বৈশাখী মিত্র, বাপন মাইতি, মানস বৈরাগী, দিলীপ ঘোষ, নিখিল দাস, তুহিন শুভ্র হালদার, স্বপন সিট, কৃষ্ণা মণ্ডল দাস এবং বাপি নস্কর। এর পাশাপাশি তৃণমূলের পাঁচ সদস্য—রিতা পোদ্দার, পূর্ণিমা পাইক, নিধিরাম নস্কর, ইন্দা মণ্ডল প্রামাণিক এবং শোভারানি মণ্ডল মাইতি—অনাস্থা প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।ফলে ২৭ সদস্যের বোর্ডে অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। তৃণমূলের পাঁচ সদস্য বিরোধীদের সঙ্গে থাকলে অনাস্থা প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে কী ফল হয়, তা নিয়ে কুলতলী জুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।তবে অনাস্থা প্রস্তাবের পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, ভোটাভুটির দিনক্ষণ এবং চূড়ান্ত ফলাফলই নির্ধারণ করবে। গুড়গুড়িয়া-ভুবনেশ্বরী গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। ফলে আপাতত সুন্দরবন লাগোয়া এই পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক পালাবদলের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সর্বশেষ খবর পাওয়া ভারতীয় জনতা পার্টির এক সদস্য তিনি মোটামুটি অংশগ্রহণ করেননি বর্তমান প্রধানের বিপক্ষে মোট পড়ে ১৯ এবং প্রধানের পক্ষে ভোট পড়ে ৭ একজন অনুপস্থিত। আগামী দিনে কে প্রধান হয় এ নিয়ে রইলো জল্পনা।1
- ব্যাংকে জাল নোট জমা দেয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করলো পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানার অন্তর্গত হরিহরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখাতে। মঙ্গলবার শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায় ব্যাংকের টাকা জমা দিতে আসে সেই টাকার মধ্যে অভিযোগ১২টি ১০০ টাকা জাল নোট ছিল। ব্যাংকের ম্যানেজার বারুইপুর থানায় খবর দিলে, বারুইপুর থানার পুলিশ গিয়ে সেই ব্যক্তিকে আটক করে। পুলিশ সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে কোথা থেকে এই জাল নোট এলো এবং আরো কারা জড়িত আছে।1
- আজ কুলবেড়িয়া, নিমতৌড়ী, তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর এলাকায় আমাদের রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। 🩸 আজ আমাদের রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো 🩸 আজ কুলবেড়িয়া, নিমতৌড়ী, তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুর এলাকায় আমাদের রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এই মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী সকল রক্তদাতা ও সহযোগীদের জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। ❤️🩸 মানবতার সেবায় রক্তদান—জীবন বাঁচানোর মহান উদ্যোগ। 🙏1
- Post by Sanjay Talukdar1
- বাংলার বীর সন্তান শ্রদ্ধেয় গোপাল মুখার্জী-র আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন হলো আজ বেহালা, শীলপাড়া অঞ্চলে। কলকাতা: ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বুধবার, বাস্কেট বল গ্রাউণ্ডের সন্নিকটে জেমস্ লঙ সরনী এবং শীলপাড়ার সংযোগস্থলে শ্রী অমর নাথ পালের উদ্যোগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও গোপাল মুখোপাধ্যায়,আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করা হয়। মানবতা ও দেশপ্রেম মানুষের একমাত্র পরিচয় হলে মৃত্যু শেষ কথা ভারতকেশরী শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং বাংলার বীর সন্তান শ্রদ্ধেয় গোপাল মুখার্জী-র আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন হলো আজ বেহালা, শীলপাড়া অঞ্চলে। এই মুহূর্তেকে গৌরবময় করেছিল সম্মাননীয় রাজ্যসভার সাংসদ ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মহাশয় ও সম্মাননীয়া রাজ্য বিজেপি সাধারণ সম্পাদিকা শশী অগ্নিহোত্রী মহাশয়া উপস্থিতি। সম্মাননীয় বিধায়ক (বেহালা পূর্ব বিধানসভা) শংকর সিকদার মহাশয় তত্ত্বাবধানে , শমীক ভট্টাচার্য মহাশয় আজ এই মূর্তি উন্মোচন করলেন। শ্রদ্ধেয় গোপাল মুখার্জীর ভ্রাতুষ্পুত্র সম্মাননীয় সুবোধ মুখার্জী মহাশয় উপস্থিত না থাকতে পারলেও তাঁর প্রতিনিধি ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। উপস্থিত ছিলেন জেলার সকল নেতা নেত্রী এবং শতাধিক কর্মী। Manab Mondal1
- আবারও কুলতলীতে কুমিরের আতঙ্ক গৃহস্থের পুকুরে ভাসতে দেখা গেল বিশালাকার কুমির, উদ্ধার বনদপ্তরের সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীতে ফের কুমিরের আতঙ্ক। এবার মৈপিঠ কোস্টাল থানার রবিবারের বাজার এলাকার সিনি অফিস সংলগ্ন উত্তর বৈকুণ্ঠপুরে এক গৃহস্থের পুকুরে দেখা মিলল বিশালাকার একটি কুমিরের। কুমিরটিকে পুকুরের জলে ভাসতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বনদপ্তরের কর্মী, কুলতলির কুইক রেসপন্স টিমের সদস্য এবং মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা আনন্দ ময়রার পুকুরে গতকাল পরিবারের সদস্যরা প্রথম বিশালাকার কুমিরটিকে দেখতে পান। পুকুরের জলে কুমিরের উপস্থিতি নজরে আসতেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিরটিকে দেখতে আশপাশের বহু মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অনুমান, ঠাকুরান নদী থেকেই কুমিরটি কোনওভাবে গৃহস্থের পুকুরে ঢুকে পড়েছে। সুন্দরবনের নদী-খাঁড়িতে কুমিরের বিচরণ থাকায় জোয়ার-ভাটার সময় জলপথ ধরে লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বনদপ্তরের উদ্ধারকারী দল। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুকুরটি ঘিরে ফেলা হয়। কুমিরটি যাতে কোনওভাবে লোকালয়ে বেরিয়ে এসে মানুষের ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপর উপর থেকে জাল ফেলে এবং একাধিক কৌশল অবলম্বন করে দীর্ঘ চেষ্টার পর কুমিরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। উদ্ধারের পর কুমিরটিকে বনদপ্তরের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। বনদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর কুমিরটিকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর নদী ও লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে। বনদপ্তরের পক্ষ থেকেও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং কোনও বন্যপ্রাণী দেখতে পেলে নিজে থেকে ধরতে বা তাড়াতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবারও কুলতলীতে কুমিরের আতঙ্ক গৃহস্থের পুকুরে ভাসতে দেখা গেল বিশালাকার কুমির, উদ্ধার বনদপ্তরের সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীতে ফের কুমিরের আতঙ্ক। এবার মৈপিঠ কোস্টাল থানার রবিবারের বাজার এলাকার সিনি অফিস সংলগ্ন উত্তর বৈকুণ্ঠপুরে এক গৃহস্থের পুকুরে দেখা মিলল বিশালাকার একটি কুমিরের। কুমিরটিকে পুকুরের জলে ভাসতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বনদপ্তরের কর্মী, কুলতলির কুইক রেসপন্স টিমের সদস্য এবং মৈপিঠ কোস্টাল থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা আনন্দ ময়রার পুকুরে গতকাল পরিবারের সদস্যরা প্রথম বিশালাকার কুমিরটিকে দেখতে পান। পুকুরের জলে কুমিরের উপস্থিতি নজরে আসতেই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে কুমিরটিকে দেখতে আশপাশের বহু মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অনুমান, ঠাকুরান নদী থেকেই কুমিরটি কোনওভাবে গৃহস্থের পুকুরে ঢুকে পড়েছে। সুন্দরবনের নদী-খাঁড়িতে কুমিরের বিচরণ থাকায় জোয়ার-ভাটার সময় জলপথ ধরে লোকালয়ের কাছাকাছি চলে আসার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বনদপ্তরের উদ্ধারকারী দল। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পুকুরটি ঘিরে ফেলা হয়। কুমিরটি যাতে কোনওভাবে লোকালয়ে বেরিয়ে এসে মানুষের ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপর উপর থেকে জাল ফেলে এবং একাধিক কৌশল অবলম্বন করে দীর্ঘ চেষ্টার পর কুমিরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন বনকর্মীরা। উদ্ধারের পর কুমিরটিকে বনদপ্তরের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। বনদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর কুমিরটিকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের একবার সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর নদী ও লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে। বনদপ্তরের পক্ষ থেকেও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং কোনও বন্যপ্রাণী দেখতে পেলে নিজে থেকে ধরতে বা তাড়াতে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।1