খেলার মাঠ থাকবে রাজনীতিমুক্ত, বার্তা ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁয়ের সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৫ আগস্ট: “রাজনীতির ময়দানে রাজনীতি হবে, খেলার ময়দান থাকবে রাজনীতিমুক্ত”— পূর্ব বর্ধমানে এসে এমনই কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। মঙ্গলবার জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল-সহ প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে জেলার ক্রীড়া পরিকাঠামো ও প্রতিভা অন্বেষণ নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, “এখন থেকে খেলার ময়দান খেলোয়াড়রাই পরিচালনা করবেন।” তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। আগামী দিনে ক্রীড়া প্রশাসনে কৃতী খেলোয়াড়দের আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। জ্যোতির্ময়ী শিকদার, দিব্যেন্দু বড়ুয়া, বুলা চৌধুরী ও পৌলমী ঘটকের মতো প্রাক্তন ক্রীড়াবিদদেরও ক্রীড়া প্রশাসনে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। ইন্দ্রনীল খাঁর দাবি, রাজ্যের ক্রীড়া ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে কলকাতাকেন্দ্রিক হয়ে রয়েছে। ফলে বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, হুগলি, উত্তরবঙ্গ ও সুন্দরবনের মতো জেলার প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁর কথায়, “প্রতিভা খুঁজে না বার করলে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়েই থাকবে।” অব্যবস্থার কারণে বহু খেলোয়াড় অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন, আবার অনেকে খেলাধুলাই ছেড়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংগঠনে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়া এবং অ্যাডহক কমিটি দিয়ে কাজ চলা নিয়েও বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে। মন্ত্রীর দাবি, শুধু বর্ধমান নয়, গোটা রাজ্যেই ক্রীড়ার পরিবেশে দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। খেলোয়াড়দের বঞ্চনা ও বৈষম্য বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৯ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে নবান্ন সভাগৃহে বর্ধমান-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার কৃতী ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তার প্রস্তুতি নিয়েই মঙ্গলবারের বৈঠক বলে জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি ২৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য এবং ২৮ আগস্ট রাখিবন্ধন উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও জানান তিনি। ক্রীড়ামন্ত্রীর বার্তা, কলকাতার পাশাপাশি জেলার মাঠ থেকেই নতুন প্রতিভা তুলে এনে জাতীয় স্তরে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই এখন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
খেলার মাঠ থাকবে রাজনীতিমুক্ত, বার্তা ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁয়ের সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৫ আগস্ট: “রাজনীতির ময়দানে রাজনীতি হবে, খেলার ময়দান থাকবে রাজনীতিমুক্ত”— পূর্ব বর্ধমানে এসে এমনই কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। মঙ্গলবার জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়াল-সহ প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে জেলার ক্রীড়া পরিকাঠামো ও প্রতিভা অন্বেষণ নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, “এখন থেকে খেলার ময়দান খেলোয়াড়রাই পরিচালনা করবেন।” তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনে রাজনৈতিক প্রভাব ছিল। আগামী দিনে ক্রীড়া প্রশাসনে কৃতী খেলোয়াড়দের আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। জ্যোতির্ময়ী শিকদার, দিব্যেন্দু বড়ুয়া, বুলা চৌধুরী ও পৌলমী ঘটকের মতো প্রাক্তন ক্রীড়াবিদদেরও ক্রীড়া প্রশাসনে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী। ইন্দ্রনীল খাঁর দাবি, রাজ্যের ক্রীড়া ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে কলকাতাকেন্দ্রিক হয়ে রয়েছে। ফলে বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, হুগলি, উত্তরবঙ্গ ও সুন্দরবনের মতো জেলার প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা যথাযথ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁর কথায়, “প্রতিভা খুঁজে না বার করলে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়েই থাকবে।” অব্যবস্থার কারণে বহু খেলোয়াড় অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছেন, আবার অনেকে খেলাধুলাই ছেড়ে দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংগঠনে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়া এবং অ্যাডহক কমিটি দিয়ে কাজ চলা নিয়েও বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে। মন্ত্রীর দাবি, শুধু বর্ধমান নয়, গোটা রাজ্যেই ক্রীড়ার পরিবেশে দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। খেলোয়াড়দের বঞ্চনা ও বৈষম্য বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৯ আগস্ট জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে নবান্ন সভাগৃহে বর্ধমান-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলার কৃতী ক্রীড়াবিদদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তার প্রস্তুতি নিয়েই মঙ্গলবারের বৈঠক বলে জানান মন্ত্রী। পাশাপাশি ২৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য এবং ২৮ আগস্ট রাখিবন্ধন উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও জানান তিনি। ক্রীড়ামন্ত্রীর বার্তা, কলকাতার পাশাপাশি জেলার মাঠ থেকেই নতুন প্রতিভা তুলে এনে জাতীয় স্তরে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোই এখন সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
- নবদ্বীপে ভেজাল দুধের কারবারের অভিযোগ, কারখানায় হানা দিয়ে আটক এক। নবদ্বীপে ভেজাল দুধের কারবারের অভিযোগ, কারখানায় হানা দিয়ে আটক এক। নবদ্বীপে দুধের নামে কি তৈরি হচ্ছিল রাসায়নিক মেশানো তরল? মহিশুড়া ঘোষপাড়া কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় হানা দিল নবদ্বীপ থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কারখানার ভিতর থেকে রাসায়নিক, পাউডার, ওষুধ, লিকুইড এবং তৈরি তরল দুধ উদ্ধার হয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে ভেজাল দুধ তৈরির কারবার চলছিল। বিজেপি নেতা শশধর নন্দীর দাবি, মাত্র ২০ লিটার ভালো দুধের সঙ্গে ছানার জল, বিভিন্ন রাসায়নিক, ওষুধ এবং অ্যাসিড মিশিয়ে প্রায় ১০০ লিটার তরল দুধ তৈরি করা হতো। পরে সেই তরল দুধ প্যাকেট ও কন্টেনারে ভরে বিভিন্ন এলাকায় এবং ছোট দুধের সংস্থায় সরবরাহ করা হতো বলে অভিযোগ। শশধর নন্দীর দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে রাসায়নিক মিশিয়ে তরল দুধ তৈরির কাজ চলতে দেখা যায়। এরপর কারখানার মালিকের ভাগ্নে বলে পরিচিত এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য দপ্তর এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছেও লিখিত অভিযোগ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের মধ্যেই আরও একটি বিষয় ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। কারখানার ভিতরে দেখা মিলেছে ‘নবদ্বীপ ঘোষপাড়া দুগ্ধ উৎপাদক সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর বোর্ডের। বোর্ডে সমিতিটির একটি দুধ উৎপাদক ইউনিয়নের অন্তর্গত থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে। যদিও ওই সমবায় সমিতির সঙ্গে অভিযুক্ত কারখানার সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারখানাটি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী আসলে কী, কীভাবে দুধ তৈরি করা হচ্ছিল এবং এই কারবারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না—সবদিক খতিয়ে দেখছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। ভেজাল দুধ তৈরির এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তে কতটা সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর।1
- বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন1
- শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের নব নির্বাচিত বিজেপি প্রধান ও উপ প্রধান আজ কি জানালেন শুনুন #micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #krishanagarpolice #santipurpolice #bikestunt #motorvan #jaipur শান্তিপুর হরিপুর পঞ্চায়েতের নব নির্বাচিত বিজেপি প্রধান ও উপ প্রধান আজ কি জানালেন শুনুন #micarjunsing #80thindipendenceday #krishnagarcarcithouse #nadiazillaporisod #santipurmotorvan #krishanagarpolice #santipurpolice #bikestunt #motorvan #jaipur1
- নতুনভাবে সেজে উঠছে গুপ্তিপাড়া রেলস্টেশন আমাদের ক্যামেরায় দেখুন সবার প্রথমেই, সবার আগেই একটি বিশেষ প্রতিবেদন গুপ্তিপাড়া থেকে সাংবাদিক চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়1
- তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা হেয়ারিং সফল : ভরতপুরের গড্ডায় নতুন বোর্ড গঠনে প্রস্তুত কংগ্রেস। ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের গড্ডা পঞ্চায়েতে শাসক দল তৃণমূলের অপশাসন ও অগণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রতিবাদ জানিয়ে পঞ্চায়েতের ৫ জন সদস্য রীতা মান্ডি, সাকিনুর খাতুন, হাসিবুল সেখ, ইয়াজউদ্দিন সেখ এবং মানিক মণ্ডল অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। পঞ্চায়েত পরিচালনায় স্বচ্ছতার অভাব, প্রশাসনিক কাজে অসহযোগিতা ও সদস্যদের মতামত উপেক্ষার অভিযোগ তুলে তৃণমূল পরিচালিত প্রধান গোলাপি খাতুনের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত আইন, ১৯৭৩-এর ১২(২) ধারা অনুযায়ী গত ১৭ ই আগস্ট তারা বিডিও-র কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন। উক্ত অনাস্থা প্রস্তাব ও বিশেষ সভা আহ্বানের আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে সোমবার ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অফিসে বিডিও-র উপস্থিতিতে মূল শুনানি অর্থাৎ হেয়ারিং প্রক্রিয়াসম্পন্ন হয়। শুনানিতে অনাস্থা প্রস্তাবটি সফলভাবে পাস করায় গড্ডা পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ডের পতন কার্যত সুনিশ্চিত এবং নতুন প্রধান গঠনের দিনক্ষণ প্রশাসনিকভাবে শীঘ্রই চূড়ান্ত হবে। এদিন শুনানি শেষে ব্লক কংগ্রেস সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক কমলেশ চ্যাটার্জি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জানান যে, তৃণমূলের স্বৈরাচারী চালচলন বুঝতে পেরে মানুষ আজ অধীর চৌধুরীর উন্নয়ন ও আদর্শের পথেই ভরসা রাখছেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সদস্য ইয়াজউদ্দিন সেখ বলেন, এলাকায় পঞ্চায়েতের কাজে স্বচ্ছতা ফেরানো ও সাধারণ মানুষকে সঠিক প্রশাসনিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে শামিল হয়ে এই অনাস্থা পাস করিয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদ মারুট উত্তর পারা কালি মুন্দি আমার নাম সুশান্ত1
- জাহের স্থান দখলমুক্তের দাবিতে গুসকরায় আদিবাসীদের মিছিল, পুলিশ ফাঁড়িতে দেওয়া হল স্মারকলিপি আদিবাসীদের ধর্মীয় ‘জাহের স্থান’ দখলমুক্ত এবং অধিকার রক্ষার দাবিতে মঙ্গলবার আনুমানিক বিকাল ৪টা নাগাদ গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে স্মারকলিপি দিল আদিবাসী অধিকার রক্ষা কমিটি। জানা গিয়েছে, আউশগ্রাম-১ ব্লকের যাদবগঞ্জ মৌজার চরণপাড়ায় প্রায় ২৫ বিঘা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতা চলছে।আদিবাসীদের দাবি, ওই জমিতে তাঁরা চাষাবাদ, খেলাধুলার পাশাপাশি সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মঙ্গল কামনায় জাহের স্থানে পূজার্চনা করে আসছেন। সম্প্রতি জমির মালিকানা দাবি করা এক ব্যক্তি সেখানে সাবমার্সিবেল বসানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। আদিবাসীদের অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের দখলে থাকা জমি, জাহের স্থান ও খেলার মাঠ থেকে তাঁদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। তারা এদিন তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। এদিন প্রায় শ'তিনেক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ গুসকরা রেল স্টেশনে জড়ো হয়ে তারা মিছিল করে গুসকরা বিট হাউসে পৌঁছান। আর অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে আগে থেকেই বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন ছিল। তারপর সংগঠনের সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে তার হাতে তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত একটি কপি তুলে দেন। তবে প্রতিবাদের আবহেও নজর কাড়ে পুলিশের মানবিক উদ্যোগ। মিছিল করে আসা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষেরা ফাঁড়িতে পৌঁছতেই পুলিশকর্মীরা তাদের হাতে তুলে দেন ঠান্ডা জলের বোতল। পুলিশের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।1
- অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে সোজা ইসরোতে, দেবজিতের পিতা ও মাতার প্রতিক্রিয়া। অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে সোজা ইসরোতে, দেবজিতের পিতা ও মাতার প্রতিক্রিয়া। . . . . #Ranaghat #WestBengal #ranaghatnews #BengaliNews #খবর #রানাঘাট #ISRO #bignews #NadiaNews #job1