শনিবার সাতসকালে বহরমপুর পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ড রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়, যখন প্রশাসন বিশাল পুলিশবাহিনী ও বুলডোজার নিয়ে শাসকদলের আমলে তৈরি বেশ কয়েকটি ‘অবৈধ’ দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেয়। পুর কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা এলাকায় পৌঁছে একে একে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহরমপুর মিউনিসিপ্যালিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই দোকানঘরগুলি গত তৃণমূল বোর্ডের আমলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার একাংশ এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার মদতে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই অবৈধ দোকানগুলি বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরব ছিল এবং প্রশাসনের একাধিক জায়গায় স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে শাসকদলের ‘গা জোয়ারি’ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসন সবকিছু জেনেও কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং কার্যত হাত গুটিয়ে বসে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।
শনিবার সাতসকালে বহরমপুর পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ড রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়, যখন প্রশাসন বিশাল পুলিশবাহিনী ও বুলডোজার নিয়ে শাসকদলের আমলে তৈরি বেশ কয়েকটি ‘অবৈধ’ দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেয়। পুর কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা এলাকায় পৌঁছে একে একে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহরমপুর মিউনিসিপ্যালিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই দোকানঘরগুলি গত তৃণমূল বোর্ডের আমলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার একাংশ এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার মদতে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই অবৈধ দোকানগুলি বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরব ছিল এবং প্রশাসনের একাধিক জায়গায় স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে শাসকদলের ‘গা জোয়ারি’ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসন সবকিছু জেনেও কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং কার্যত হাত গুটিয়ে বসে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।
- শনিবার সাতসকালে বহরমপুর পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ড রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়, যখন প্রশাসন বিশাল পুলিশবাহিনী ও বুলডোজার নিয়ে শাসকদলের আমলে তৈরি বেশ কয়েকটি ‘অবৈধ’ দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেয়। পুর কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা এলাকায় পৌঁছে একে একে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ শুরু করলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহরমপুর মিউনিসিপ্যালিটির ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই দোকানঘরগুলি গত তৃণমূল বোর্ডের আমলে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, পৌরসভার একাংশ এবং স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী নেতার মদতে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এই অবৈধ দোকানগুলি বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এই অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরব ছিল এবং প্রশাসনের একাধিক জায়গায় স্মারকলিপিও জমা দিয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে শাসকদলের ‘গা জোয়ারি’ ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রশাসন সবকিছু জেনেও কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং কার্যত হাত গুটিয়ে বসে থাকতে বাধ্য হয়েছিল।1
- প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা কাটমানি নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এক তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর মালদহের ইংলিশ বাজার ব্লক দপ্তরের সামনে উপভোক্তারা এই অভিযোগে সোচ্চার হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই ঘটনায় যদুপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য আইজুল শেখের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজপুর গ্রামের কয়েকশো মহিলা একত্রিত হয়ে এই অভিযোগ তুলেছেন যে, স্থানীয় তৃণমূল সদস্য আইজুল শেখ ঘর দেওয়ার নাম করে প্রতি বাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা করে আদায় করেছেন। এই কাটমানির প্রতিবাদে তারা আজ বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তবে, এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত তৃণমূল সদস্যের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলায় অবস্থিত NH312-এর পণ্ডিতপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি রাস্তার একপাশ দীর্ঘদিন ধরে খালের আকার ধারণ করেছে। এর ফলে স্থানীয় বহু মানুষ চরম অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন, বিশেষ করে বৃষ্টির জল জমে যাওয়ায় জনজীবনে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যত দ্রুত সম্ভব ওই খালটি বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।4
- মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের আওতায় চলতে থাকা একটি বড় 'স্ক্যাম' চক্রের হদিশ পেয়েছে এবং এর মূল পান্ডাকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনাকে রাজ্য জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে একটি 'বড় ব্রেক থ্রু' হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের জটের নাগাল পেতে পুলিশ প্রথমে মুর্শিদাবাদ থেকে পেশায় পুরুষ রাকিবুলকে ভুয়ো মহিলা সেজে বছরের পর বছর ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের ভাতা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করে। তার সূত্র ধরেই শুক্রবার পুলিশ এই বড় চক্রের মূল হোতা মোস্তাফিজুর রহমানকে পাকড়াও করে। ধৃত মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ এলাকায়। মোস্তাফিজুর রহমান সম্পর্কে অভিযোগ উঠেছে যে, সে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে যেকোনো পুরুষকে রাতারাতি কাগজ-কলমে তাদের লিঙ্গের পরিবর্তন ঘটিয়ে ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করত। এরপর একাধিক মহিলার নাম ব্যবহার করে যথেচ্ছভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাইয়ে দিত।1
- বহরমপুর পৌরসভা ২১ নম্বর ওয়ার্ডের লালদিঘী সংলগ্ন এলাকার এফসিআই গোডাউনের পিছনে ও পাশে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত ঘর ও দোকান ভাঙতে বুলডোজার চালায়। এই নির্মাণগুলি কয়েক বছর আগেই সরকারি জায়গা দখল করে তৈরি হয়েছিল। বহরমপুরের বিধায়ক জানান যে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জায়গায় এই অবৈধ নির্মাণগুলি থাকলেও পৌরসভা এতদিন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে শনিবার বহরমপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে জেসিবি ব্যবহার করে একে একে সমস্ত অবৈধ ঘর ও দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ এদিন দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে।1
- রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রসঙ্গে একটি বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন যে, এখন থেকে হাসপাতালগুলির নাম 'আয়ুষ্মান মন্দির' হবে।1
- রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সুজলি গ্রাম পঞ্চায়েত কাট মানি ফেরতের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে। বুধবার কমলাগাঁও সুজলি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারী স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান নূরী বেগম হাউজিং স্কিমের নামে তাঁদের কাছ থেকে কাট মানি আদায় করেছেন। যদিও নূরী বেগম এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন, তবুও বিক্ষোভকারীরা তাঁদের দাবিতে অটল রয়েছেন। তাঁরা সাফ জানিয়েছেন যে তাঁদের টাকা ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন এবং এই স্থান ত্যাগ করবেন না।1