Shuru
Apke Nagar Ki App…
panjipara
Chandan Roy
panjipara
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- panjipara1
- বিধায়ক আনন্দময় বর্মন নকশালবাড়ি ব্লকের প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।1
- স্থানীয় সংবাদ সূত্রে জানা গেছে যে চারদিকে দিন দিন কেবল মারামারি ও ঝগড়া-বিবাদ বেড়েই চলেছে। এর পাশাপাশি বড়সড় ঝামেলাও ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে যদি একই অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে দেশের অগ্রগতি কীভাবে সম্ভব হবে, এই প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন যে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদনের জন্য ৯০ দিনের সুযোগ পাওয়া যাবে।1
- হলদিবাড়ি থানার পক্ষ থেকে একটি বিশেষ সতর্কতামূলক প্রচার অভিযান চালানো হয়েছে।1
- রায়গঞ্জ পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের উকিলপাড়ার বাসিন্দারা জলাভূমি ভরাটের কারণে জলনিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তারা বুধবার পৌরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিকের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। তাদের অভিযোগ, সৎসংঘ সরণী সংলগ্ন জলাভূমি ভরাট হয়ে যাওয়ায় ড্রেনের জল বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে রাস্তাঘাট ও বাড়িতে জল জমছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রিয়রঞ্জন পাল জানিয়েছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে এই ভরাট কাজ চললেও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসন অবশ্য বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।1
- নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ ঘিরে বিরোধী শিবির সরব হয়ে উঠেছে। এই দুর্নীতির অভিযোগের আবহে অজয় ওরাওঁ নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণ প্রসঙ্গে একটি কড়া বার্তা দিয়েছেন।1
- শিলিগুড়ি কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে সোমবার ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ চত্বর। শিক্ষার্থীদের সহায়তার জন্য হেল্প ডেস্ক বসানোকে ঘিরে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কলেজ প্রাঙ্গণে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি, বচসা ও সংঘর্ষ। এই ঘটনায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ছাত্রনেতা বিবেক ঝা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভর্তি সংক্রান্ত সহায়তা শিবির পরিচালনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতি ও মারামারির আকার নেয়। টিএমসিপি অভিযোগ করেছে যে এবিভিপি কর্মীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের হেল্প ডেস্কে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। যদিও এবিভিপি এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে যে এটি টিএমসিপি'র অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ফল। সংঘর্ষের জেরে কলেজে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং বহু শিক্ষার্থী নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত কলেজে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে কলেজ চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি রয়েছে এবং পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে ঘটনার পর শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব আহত ছাত্রনেতা বিবেক ঝার বাড়িতে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। মেয়র স্পষ্টভাবে জানান যে এই হামলার সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার হওয়া উচিত এবং যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষাঙ্গনে এ ধরনের হিংসা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।1