উত্তরপাটকাপাড়া মৌজা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের পূর্বানুমতি ছাড়াই পড়ুয়াদের ফাইলেরিয়া ও কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ওষুধ সেবনের পর এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি এমন হয় যে, তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে স্কুলের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের এই ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছিল। তবে, অভিভাবকদের অভিযোগ যে, তাঁদের অধিকাংশকে এই বিষয়ে আগে থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানানো হয়নি। ওষুধ খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের ভিড় জমে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন যে, সন্তানদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিভাবকদের সম্মতি কেন নেওয়া হলো না। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধিদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন স্বাস্থ্য কর্মসূচি চালানোর আগে তাঁদের যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। অন্যদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সরকারি নির্দেশিকা মেনেই এই স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
উত্তরপাটকাপাড়া মৌজা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের পূর্বানুমতি ছাড়াই পড়ুয়াদের ফাইলেরিয়া ও কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ওষুধ সেবনের পর এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি এমন হয় যে, তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে স্কুলের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের এই ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছিল। তবে, অভিভাবকদের অভিযোগ যে, তাঁদের অধিকাংশকে এই বিষয়ে আগে থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানানো হয়নি। ওষুধ খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের ভিড় জমে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন যে, সন্তানদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিভাবকদের সম্মতি কেন নেওয়া হলো না। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধিদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন স্বাস্থ্য কর্মসূচি চালানোর আগে তাঁদের যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। অন্যদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সরকারি নির্দেশিকা মেনেই এই স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
- কলকাতার ফুলবাগান এলাকার বাড়ি থেকে প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে গ্রেপ্তার করার পর বৃহস্পতিবার ভোরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কোচবিহারের দিনহাটা থানায় আনা হয়েছে। তিনি প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় কাট মানি নেওয়া, দিনহাটা শিশুমঙ্গল সমিতির নামে আর্থিক প্রতারণা সহ বিভিন্ন অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর রাতভর আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে দিনহাটা নিয়ে আসা হয়। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দিনহাটা থানা চত্বরে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। উদয়ন গুহকে থানায় আনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানা চত্বরে সাধারণ মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলো এই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করা শুরু করলেও, তৃণমূলের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে যে, আজ তাঁকে আদালতে তোলা হতে পারে। আদালতে পেশ করার পর তদন্তের স্বার্থে পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হবে কি না, সেদিকেই এখন রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের নজর। এই ঘটনাকে ঘিরে দিনহাটা সহ গোটা কোচবিহার জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।1
- দিনহাটা থানায় প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে নিয়ে এসেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- Post by Ranjit Barman1
- রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে কলকাতায় গ্রেফতারের পর দিনহাটায় নিয়ে আসা হয়েছে। এই খবর দিনহাটা মহকুমায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।1
- মাথাভাঙা গৃহ শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার দাবিতে মাথাভাঙা স্কুল পরিদর্শককে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। বুধবার মাথাভাঙার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গৃহ শিক্ষকরা এদিন সেখানে জমায়েত হন। গৃহ শিক্ষক সমিতির সভানেত্রী নিবেদিতা রায় মজুমদার জানিয়েছেন যে, ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে কোনো স্কুল শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন করাতে পারবেন না। কিন্তু এই নিয়ম উপেক্ষা করে শিক্ষকদের একটি অংশ এখনও প্রাইভেট টিউশন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাই এই স্কুল শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করার দাবিতেই তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন এবং দ্রুত এই নিয়ম কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক জানিয়েছেন যে বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখবেন।1
- প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গের দিনহাটায় বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা বিজয় উল্লাস করেছে। গুহ'র গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিজেপি কর্মীরা আনন্দ ও উল্লাসে মেতে ওঠে।1
- kisi bidan baat hai ki nahi hota hai na ki korbo bujte parsi na ki korbo bujte parsi na ki korbo bujte parsi na dhon rava kakra kheti Kisi bhi namaskar postures ki1
- উত্তরপাটকাপাড়া মৌজা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের পূর্বানুমতি ছাড়াই পড়ুয়াদের ফাইলেরিয়া ও কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ওষুধ সেবনের পর এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিভাবকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি এমন হয় যে, তাঁরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে স্কুলের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি স্বাস্থ্য কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের এই ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছিল। তবে, অভিভাবকদের অভিযোগ যে, তাঁদের অধিকাংশকে এই বিষয়ে আগে থেকে লিখিত বা মৌখিকভাবে জানানো হয়নি। ওষুধ খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এক ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের ভিড় জমে। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন যে, সন্তানদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিভাবকদের সম্মতি কেন নেওয়া হলো না। ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষককে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের প্রতিনিধিদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন স্বাস্থ্য কর্মসূচি চালানোর আগে তাঁদের যথাযথভাবে অবহিত করতে হবে। অন্যদিকে, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সরকারি নির্দেশিকা মেনেই এই স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।1