রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্র থেকে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান শহরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে এই লোগো ভাঙতে ও সরাতে দেখা যায়। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা ভারতীয় জনতা পার্টির সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ জানান, এই পদক্ষেপ সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাঁর মতে, এই লোগোটি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বার্তা বহন করত, যা সাধারণ মানুষের কাছে 'বিশ্ব বাংলা'র প্রকৃত রূপ ছিল না। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই লোগোর পরিবর্তে ভারতের জাতীয় প্রতীক 'অশোক স্তম্ভ' বা এই জাতীয় কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হোক। মিলন ঘোষ আরও জানান যে, এই বিষয়ে তাঁরা দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা নেতৃত্বকে সাথে নিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভায় গিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে তাঁদের দাবি উত্থাপন করেন। চেয়ারম্যান তাঁদের এই দাবিতে সম্মতি জানান এবং দ্রুততার সাথে লোগোটি ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করেন। সরকারি নির্দেশে ধুলিয়ানে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো ভাঙা এবং দ্রুত পদক্ষেপে বিজেপি নেতৃত্ব সাধুবাদ জানিয়েছে।
রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই বিভিন্ন সরকারি ক্ষেত্র থেকে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান শহরেও বিভিন্ন জায়গা থেকে এই লোগো ভাঙতে ও সরাতে দেখা যায়। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা ভারতীয় জনতা পার্টির সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ জানান, এই পদক্ষেপ সরকারের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে এবং এটি একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাঁর মতে, এই লোগোটি একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বার্তা বহন করত, যা সাধারণ মানুষের কাছে 'বিশ্ব বাংলা'র প্রকৃত রূপ ছিল না। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই লোগোর পরিবর্তে ভারতের জাতীয় প্রতীক 'অশোক স্তম্ভ' বা এই জাতীয় কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হোক। মিলন ঘোষ আরও জানান যে, এই বিষয়ে তাঁরা দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা নেতৃত্বকে সাথে নিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভায় গিয়ে ধুলিয়ান পৌরসভার চেয়ারম্যানের কাছে তাঁদের দাবি উত্থাপন করেন। চেয়ারম্যান তাঁদের এই দাবিতে সম্মতি জানান এবং দ্রুততার সাথে লোগোটি ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করেন। সরকারি নির্দেশে ধুলিয়ানে 'বিশ্ব বাংলা' লোগো ভাঙা এবং দ্রুত পদক্ষেপে বিজেপি নেতৃত্ব সাধুবাদ জানিয়েছে।
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আইহো এবং ঋষিপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থিত বুড়িতলা এলাকায় রাজ্য সড়কের কিছুটা অংশ জমে থাকা মাটিতে বৃষ্টিতে কাদায় পরিণত হয়ে বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে এমনই বিপজ্জনক পরিস্থিতির ছবি ধরা পড়েছে, যার ফলে এই অংশ দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে ছোটোখাটো দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, এলাকা দিয়ে প্রচুর ট্রাক্টর যাতায়াত করে। জমি থেকে ফসল তুলে ট্রাক্টরগুলি আইহো-সিঙ্গাবাদ রাজ্য সড়কে ওঠার সময় তাদের চাকার সঙ্গে লেগে থাকা কাদা মাটি রাস্তায় পড়ে যায়। এই মাটি দিনের পর দিন জমে সড়কের উপর একটি পুরু আস্তরণ তৈরি করেছে, যা বৃষ্টি পড়লেই পিচ্ছিল কাদায় রূপান্তরিত হয়। এর ফলস্বরূপ, পিচ্ছিল কাদার উপর দিয়ে কোনও যানবাহন চলাচল করলেই তার চাকা পিছলে যাচ্ছে। চালকরা জানিয়েছেন, এর কারণে সোমবার সকাল থেকেই বেশ কয়েকটি ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও চালকদের দাবি, এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত দৃষ্টি দেওয়া উচিত। অন্যথায়, আগামীতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।1
- বাঁকুড়া শহরের K92 সিমিটারি রোড এলাকায় রেল গেট বন্ধ করার উদ্যোগে চরম সমস্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ১০,০০০ মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার শঙ্কায় রয়েছেন। স্থানীয়দের এই চরম সংকটের মুহূর্তে বিজেপি নেতা ডাঃ সুভাষ সরকার এবং দলের অন্যান্য নেতারা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে তাঁরা রেল দপ্তরের ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন।1
- সোমবার থেকে তারামায়ের সঙ্গে দেওঘরের শিবক্ষেত্রের সংযোগকারী নতুন জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ১১৪ এ নম্বর এই জাতীয় সড়কটি রামপুরহাটের মাঝখন্ড গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ঝাড়খন্ডের অভ্যন্তরে প্রবেশ করবে, যার মাধ্যমে তারাপীঠের সঙ্গে দেওঘরের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে জেলাশাসক ধবল জৈনের সঙ্গে ঝাড়খন্ডের আধিকারিকরা অনলাইনে একটি বৈঠক করেছেন। এই জাতীয় সড়কের নির্মাণকে ‘বাংলার উন্নয়ন’ এবং ‘RoadDevelopment’ এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা অঞ্চলটির পর্যটন ও পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।1
- বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় গঙ্গারামপুর হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা প্রদান করেছেন।1
- মঙ্গলবার সকালে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে প্রাক্তন কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে আবারও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সুরক্ষা বেষ্টনীতে এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ইডি কর্তারা সিল করা বাড়ির মূল দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে আন্দুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মামনি রাজবংশী এবং তার স্বামী জগন্নাথ রাজবংশীও রয়েছেন। উল্লেখ্য, এই বাড়িতে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ছাড়াও তার বোন কান্দি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌরী সিনহা বিশ্বাস বসবাস করেন। এর আগে গত শুক্রবার সকালে ইডির একটি দল এই বাড়িতে হানা দিয়েছিল। দীর্ঘক্ষণ ধরে রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালানোর পর আধিকারিকরা বাড়িটি সিল করে দিয়েছিলেন। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে ইডির অভিযান চলল। আজ সকালে মূল গেটের পাশাপাশি বাড়ির পিছনের দিকে সিল করা গেটটিও খুলে দেন ইডি আধিকারিকরা। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও তারা এখনো বাড়ির ভেতরেই তল্লাশি চালাচ্ছেন। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে ফের তল্লাশি চালানোর কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জের রূপাহারে সাপের ছোবলে এক বৃদ্ধ পুরোহিতের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পুরোহিতের নাম রাজেন রায় (৭৬), যিনি কমলাবাড়ি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঠুনঠুনি মোড় এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। জানা গেছে, রাজেন রায় রূপাহারের একটি মন্দিরে পুরোহিতের কাজ করতেন। অভিযোগ উঠেছে যে, সোমবার গভীর রাতে যখন তিনি ঘুমন্ত ছিলেন, তখন তাঁকে সাপে ছোবল দেয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ নিলেও, প্রথমে তাঁকে একজন ওঝার কাছে নিয়ে যান, যার ফলে তাঁর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ বিলম্ব ঘটে। অবশেষে তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর মঙ্গলবার পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি)-কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই চ্যালেঞ্জের সময় তিনি ওসির উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনাকে গ্রেফতার করতে দিন, তারপর বুঝবো!’।1
- মালদার হবিবপুর ব্লকের আইহো এবং ঋষিপুর অঞ্চলের মাঝামাঝি অবস্থিত বুড়িতলা এলাকায় রাজ্য সড়কের একটি অংশ বৃষ্টিতে কাদা জমে বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে এমনই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে কাদামাটির কারণে বিভিন্ন যানবাহনের চাকা পিছলে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা এই পরিস্থিতি নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই পথ দিয়ে চলাচলকারী প্রচুর ট্রাক্টর জমি থেকে ফসল তুলে আইহো-সিঙ্গাবাদ রাজ্য সড়কে ওঠার সময় তাদের চাকার সঙ্গে লেগে থাকা কাদামাটি রাস্তায় ফেলে যায়। দিনের পর দিন এই কাদা জমতে জমতে একটি পুরু আস্তরণ তৈরি হয়েছে, যা বৃষ্টি পড়লেই পিচ্ছিল কাদায় রূপান্তরিত হয়। এর ফলস্বরূপ, সোমবার সকাল থেকে বেশ কয়েকটি ছোটোখাটো দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন দ্রুত এই বিষয়ে নজর না দিলে আগামীতে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় আবারও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হরিহরপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আলামিন মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মে হরিহরপাড়া থানা পুলিশ রাজু শেখ ও সাবির আলী নামে দুই ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছিল। ধৃতদের চার দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় আরও অস্ত্র মজুত থাকার তথ্য সামনে আসে। পুলিশের দাবি অনুযায়ী, ধৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে তর্তিপুর খামারমাটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে আলামিন মণ্ডল নামে এক দুষ্কৃতীকে আটক করে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ এই আগ্নেয়াস্ত্র চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্র কোথা থেকে আনা হয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মঙ্গলবার ধৃত আলামিন মণ্ডলকে বহরমপুর জেলা জজ আদালতে তোলা হলে, তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তার ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন জানায়।2