Shuru
Apke Nagar Ki App…
পশ্চিমবঙ্গের শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি)-কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই চ্যালেঞ্জের সময় তিনি ওসির উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনাকে গ্রেফতার করতে দিন, তারপর বুঝবো!’।
Avijit Mondal
পশ্চিমবঙ্গের শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি)-কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই চ্যালেঞ্জের সময় তিনি ওসির উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনাকে গ্রেফতার করতে দিন, তারপর বুঝবো!’।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পশ্চিমবঙ্গের শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি)-কে প্রকাশ্য জনসমক্ষে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। এই চ্যালেঞ্জের সময় তিনি ওসির উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনাকে গ্রেফতার করতে দিন, তারপর বুঝবো!’।1
- রবিবার মালদা জেলায় একটি হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে, যা ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্কে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত। এর উদ্বোধনের দিনেই নয়জন ব্যক্তিকে এই হোল্ডিং সেন্টারে এনে রাখা হয়েছে, যাদের বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নয়জনের মধ্যে তিনজন মহিলা এবং ছয়জন নাবালক ও নাবালিকা রয়েছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া এলাকা থেকে আটক করে এখানে আনা হয়েছে। নতুন এই হোল্ডিং সেন্টারটিকে কঠোর নিরাপত্তার বেষ্টনীতে রাখা হয়েছে এবং সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রের সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য মোট ১২ জন পুলিশ সদস্য, তিনজন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং তিনজন সিভিক স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, কেন্দ্রে বসবাসকারী ব্যক্তিদের খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য রাঁধুনিও নিয়োগ করা হয়েছে।1
- নির্দেশনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মুর্শিদাবাদের লালগোলায় দ্রুত একটি 'হোল্ডিং ক্যাম্প' চালু করা হয়েছে। এই ক্যাম্পে রোহিঙ্গা এবং অন্যান্য অনুপ্রবেশকারীদের রাখা শুরু হয়েছে। এই আকস্মিক পদক্ষেপের জেরে সোমবার মুর্শিদাবাদের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শহর লালগোলা এলাকায় সীমান্তজুড়ে ব্যাপক চাপা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে জোরদার করার লক্ষ্যে বিজেপি সরকার এই তৎপরতা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, লালগোলায় একটি কোঅপারেটিভ সোসাইটির তিনতলায় প্রাথমিকভাবে একটি হোল্ডিং সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এই সেন্টারের মূল উদ্দেশ্য হলো অনুপ্রবেশকারী এবং ধরা পড়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করা।1
- মালদা জেলার বঙ্গাবাড়ি এবং মহারাপাড়া গ্রামে একটি গুরুতর ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে। ওই এলাকায় একটি পিপুল গাছের ঠিক পাশেই দুটি বিদ্যুৎ ট্রান্সমিটার স্থাপন করা হয়েছে, এবং এর খুব কাছেই ১১০০০ ভোল্টের একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইন রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা বিরাজ করছে যে, ঝড়-বৃষ্টির সময় এই পিপুল গাছটি যেকোনো মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। যদি গাছটি পড়ে যায়, তবে এর ফলে দুটি ট্রান্সমিটারেরই পুড়ে যাওয়ার মারাত্মক সম্ভাবনা রয়েছে, যা ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।1
- দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সরকারি জমিতে এক তৃণমূল নেতার অবৈধভাবে নির্মিত বাড়ি খালি করার কাজ শুরু হয়েছে। আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনার প্রেক্ষিতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। অবৈধ নির্মাণ এবং দখলদারির অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদের ছয়ঘড়ি এলাকার একটি বাঁশবাগান থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে সমগ্র এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- সোমবার সকালে দৌলতাবাদে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে বাঁশ বাগানের মধ্যে থেকে এক মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দৌলতাবাদ থানার ছয়ঘরী সাহাজিপাড়া এলাকার একটি বাগানে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে মৃতদেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয় এবং ঘটনাস্থলে বহু বাসিন্দা ভিড় জমান। খবর পেয়ে দৌলতাবাদ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মহিলার মৃত্যুর কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।1
- জ্যৈষ্ঠের তীব্র দাবদাহের কারণে ফরাক্কা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পাম্প এবং জল সরবরাহ ব্যবস্থার বিপর্যয়ের ফলে ফরাক্কার বেশ কিছু অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে, গ্রামীণ এলাকার মানুষের জলের সমস্যা দ্রুত মেটানোর দাবিতে সোমবার ফরাক্কার নবনির্বাচিত জাতীয় কংগ্রেসের বিধায়ক মোতাব শেখ ফরাক্কা ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের (বিডিও) দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিন বিধায়ক একটি প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে ফরাক্কা বিডিও অফিসে পৌঁছান এবং ব্লক আধিকারিকের দপ্তরে দীর্ঘক্ষণ ধরে এলাকার জলসংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিধায়ক মোতাব শেখ বিডিও-র কাছে তুলে ধরেন যে ফরাক্কার কোন কোন পকেটে এই মুহূর্তে জলের সমস্যা সবচেয়ে বেশি এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি (পিএইচই) দপ্তরের পাম্পের কী কী যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে। আলোচনা চলাকালীন ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিভিন্ন সরকারি স্কিমের বরাদ্দ টাকা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই খরচ করতে হয়, তবে জরুরি ভিত্তিতে জলের এই সমস্যা মেটাতে প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।1