Shuru
Apke Nagar Ki App…
বাংলায় বিজেপির ক্ষমতা দখল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অসামান্য এই জয়ের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় জয়ের উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। রবিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভার বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/ ১১৪ নং বুথে বিজয় মিছিল করলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বুথের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গেরুয়া আবির খেলায় মাতলেন সমর্থকেরা।
ময়নাগুড়ি নিউজ
বাংলায় বিজেপির ক্ষমতা দখল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অসামান্য এই জয়ের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় জয়ের উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। রবিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভার বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/ ১১৪ নং বুথে বিজয় মিছিল করলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বুথের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গেরুয়া আবির খেলায় মাতলেন সমর্থকেরা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বিজেপির জয়ে উচ্ছ্বাস, চুরা ভান্ডারে শান্তিপূর্ণ বিজয় মিছিল ময়নাগুড়ি ব্লকের চুরা ভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের পূজারী পাড়া এলাকায় বিজেপির জয়কে ঘিরে অনুষ্ঠিত হলো বিজয় মিছিল। এদিন কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিতে গোটা এলাকাজুড়ে দেখা যায় উৎসবের আবহ। লিচু তোলা এলাকা থেকে শুরু হয় বিজয় মিছিল। পরে মিছিলটি পূজারী পাড়া সহ গোটা এলাকা পরিক্রমা করে। মিছিল চলাকালীন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা যায়। তবে পুরো কর্মসূচিই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় বলে জানা গেছে। বিজেপি কর্মী হরিদাস রায় বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের বিজয় মিছিল চলছে। আমাদের মনের আশা পূর্ণ হয়েছে।”1
- বাংলায় বিজেপির ক্ষমতা দখল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অসামান্য এই জয়ের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় জয়ের উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। রবিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভার বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/ ১১৪ নং বুথে বিজয় মিছিল করলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বুথের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গেরুয়া আবির খেলায় মাতলেন সমর্থকেরা।1
- ময়নাগুড়ি থানার উদ্যোগে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। থানা চত্বরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইসি সুবল ঘোষ কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে স্মারক ও উপহার তুলে দেন। পুলিশের এই অভিনব উদ্যোগ এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।1
- সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল মুখপাত্র দাবি করেছেন যে, আসন্ন নির্বাচনে টিকিটের বিনিময়ে তাঁর কাছে ৫০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল। এই বিস্ফোরক মন্তব্যে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- জলপাইগুড়িতে একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। নির্মাতা দর্শকদের ভিডিওটি পছন্দ, শেয়ার এবং মন্তব্য করার অনুরোধ জানিয়েছেন, পাশাপাশি পেজটি ফলো করতেও বলেছেন।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কালীঘাটে পুজো দিতে গিয়ে দাবি করেন, কালীমায়ের পা থেকে পদ্মফুল তাঁর কাছে পড়েছে। তিনি এটিকে বঙ্গ বিজেপির জয়ের জন্য কালীমায়ের আশীর্বাদ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।1
- এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ডাঙ্গারহাটে ডাঙ্গারহাটে এক গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম লিপিকা রায়। তাঁর বাপের বাড়ি কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বিয়ে হয়েছিল বাগডোকরা ফুলকাডাবরির বারুনি মেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায়। পরে সন্তানের পড়াশোনার সুবিধার জন্য স্বামী ও চার বছরের সন্তানকে নিয়ে ডাঙ্গারহাটের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাঁর স্বামী বেশ কয়েক মাস ধরে কর্মসূত্রে কেরলে রয়েছেন। রবিবার সকালে বাড়ির ভিতর থেকে লিপিকা রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে কুচলিবাড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চার বছরের শিশুকে রেখে মায়ের এমন পরিণতিতে প্রতিবেশীরাও মর্মাহত। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও ঘটনা, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1
- জল্পেশে শুরু ঐতিহ্যবাহী ৪০ প্রহর মহানাম সংকীর্তন, জল বরণে ভক্তিময় পরিবেশ জল্পেশে ঐতিহ্যবাহী ৪০ প্রহর ব্যাপী মহানাম সংকীর্তনের শুভ সূচনা হলো রবিবার জল বরণ পর্বের মধ্য দিয়ে। এদিন জল্পেশ হরি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি জর্দা নদীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয় জল বরণের জন্য। শোভাযাত্রায় ছোট ছোট শিশুদের ঢুলির বেশে আকর্ষণীয় বাদ্য পরিবেশন সকলের নজর কেড়েছে। ভক্তদের উপস্থিতিতে গোটা এলাকা ভক্তিময় ও আনন্দঘন পরিবেশে ভরে ওঠে। ভক্তি ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় জল বরণ পর্ব। কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারে এই মহানাম সংকীর্তনের ৫১তম বর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। পাঁচ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এলাকার মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিদিনই বহু ভক্তের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভক্তদের জন্য প্রসাদেরও বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে। কীর্তন কমিটির সহ-সভাপতি লক্ষীকান্ত রায় জানান, “বিশ্ব শান্তি মহানাম যজ্ঞ কমিটির পক্ষ থেকে এই কীর্তন গত ৫১ বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আমরা সকল ভক্তকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।” অন্যদিকে অনন্ত কুমার রায় বলেন, “আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষ, রাধা-কৃষ্ণের ভক্ত। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক, মানুষে মানুষে বিদ্বেষ দূর হোক—এই কামনাতেই সকলকে এই কীর্তনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাই।”1