ভারতীয় রেলওয়ে ১৯৮৯ সালের রেলওয়ে আইনের ১৩৭ ধারা অনুযায়ী টিকিট ছাড়া ভ্রমণের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। আগে যেখানে ন্যূনতম জরিমানা ছিল ২৫০ টাকা, তা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য ভাড়া ও অতিরিক্ত চার্জও আদায় করা হবে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো যাত্রী বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি নির্ধারিত গন্তব্যের চেয়ে বেশি দূরত্ব ভ্রমণ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ন্যূনতম জরিমানা ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া ও চার্জ আগের মতোই প্রযোজ্য থাকবে। ট্রেনের মধ্যে বিপজ্জনক বা নিষিদ্ধ সামগ্রী বহন করলে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী কারাদণ্ডেরও বিধান রাখা হয়েছে। অন্যের নামে ইস্যু করা টিকিট ব্যবহার করে যাত্রা করলে সেই টিকিট বাতিল বলে গণ্য হবে এবং যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া ছাড়াও ন্যূনতম ৫০০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হবে। রেল স্টেশন বা ট্রেনে অনুমতি ছাড়া পণ্য বিক্রি, ফেরি করা বা ভিক্ষাবৃত্তি করলে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে এবং একই অপরাধ বারবার করলে কারাদণ্ডও হতে পারে। নির্ধারিত রেল এলাকায় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে ৫০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, আর রেলের অন্যান্য সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে জরিমানা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত কোচ, আসন বা কেবিনে অনুমতি ছাড়া কোনো পুরুষ যাত্রী প্রবেশ করলে ২,৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এই জরিমানা পরিশোধ না করলে বিষয়টি আদালতে গড়াতে পারে, যেখানে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নতুন নিয়মগুলি কার্যকর হলে টিকিটবিহীন যাত্রা এবং বিভিন্ন ধরনের নিয়মভঙ্গের ঘটনা হ্রাস পাবে, যা যাত্রী পরিষেবায় আরও বেশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
ভারতীয় রেলওয়ে ১৯৮৯ সালের রেলওয়ে আইনের ১৩৭ ধারা অনুযায়ী টিকিট ছাড়া ভ্রমণের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। আগে যেখানে ন্যূনতম জরিমানা ছিল ২৫০ টাকা, তা বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এর সঙ্গে প্রযোজ্য ভাড়া ও অতিরিক্ত চার্জও আদায় করা হবে। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো যাত্রী বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি নির্ধারিত গন্তব্যের চেয়ে বেশি দূরত্ব ভ্রমণ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে ন্যূনতম জরিমানা ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া ও চার্জ আগের মতোই প্রযোজ্য থাকবে। ট্রেনের মধ্যে বিপজ্জনক বা নিষিদ্ধ সামগ্রী বহন করলে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী কারাদণ্ডেরও বিধান রাখা হয়েছে। অন্যের নামে ইস্যু করা টিকিট ব্যবহার করে যাত্রা করলে সেই টিকিট বাতিল বলে গণ্য হবে এবং যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া ছাড়াও ন্যূনতম ৫০০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানা আদায় করা হবে। রেল স্টেশন বা ট্রেনে অনুমতি ছাড়া পণ্য বিক্রি, ফেরি করা বা ভিক্ষাবৃত্তি করলে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে এবং একই অপরাধ বারবার করলে কারাদণ্ডও হতে পারে। নির্ধারিত রেল এলাকায় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে ৫০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, আর রেলের অন্যান্য সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের ক্ষেত্রে জরিমানা ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত কোচ, আসন বা কেবিনে অনুমতি ছাড়া কোনো পুরুষ যাত্রী প্রবেশ করলে ২,৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এই জরিমানা পরিশোধ না করলে বিষয়টি আদালতে গড়াতে পারে, যেখানে জরিমানার পরিমাণ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, এই নতুন নিয়মগুলি কার্যকর হলে টিকিটবিহীন যাত্রা এবং বিভিন্ন ধরনের নিয়মভঙ্গের ঘটনা হ্রাস পাবে, যা যাত্রী পরিষেবায় আরও বেশি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
- এবারের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ‘Yoga for Healthy Ageing’ থিমকে সামনে রেখে যোগচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং এতে কয়েক হাজার অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে বিশাল যোগ অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন Narendra Modi। এই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন এবং প্রধানমন্ত্রী সকলের সঙ্গে যোগাসন করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে যোগ শুধু শরীরচর্চা নয়, এটি মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সুস্থতার বার্তা বহন করে।1
- আজ সারা রাজ্য জুড়ে যোগা দিবস পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনি মন্দিরের সামনেও বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে যোগা দিবস উদযাপন করা হয়।1
- ঐতিহ্যমণ্ডিত জয়নগর-মজিলপুরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনে উক্ত অঞ্চলে যোগ দিবস পালিত হয়।1
- বিজেপি প্রার্থী বিকাশ হালদার বাসন্তী এলাকার জন্য কী বলেছেন এবং তিনি কী করতে চান, তা নিয়ে এই পোস্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভুবনখালী প্রতিবন্ধী সমবায় উন্নয়ন সমিতির ব্যবস্থাপনায় কুলতলির দয়ালের মোড়ে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উদযাপিত হয়েছে। এই আয়োজনে পাঁচ শতাধিক প্রতিবন্ধী অংশগ্রহণ করেন।1
- হলদিয়া পুরসভার বিশেষ উদ্যোগে হলদি নদীর তীরে পালিত হয়েছে যোগা দিবস। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ কুমার বিজলী এবং মহকুমাশাসক তথা পুর-প্রশাসক সুরভি সিংলা। এছাড়াও পুরসভার একাধিক আধিকারিকরাও যোগা দিবসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।1
- বিজেপি সরকার যেখানে প্রতিটি বাড়িতে স্মার্ট মিটার স্থাপনের কথা বলছে, সেখানে জনগণের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছে যে তারা এই মিটার লাগাতে ইচ্ছুক কিনা এবং তাদের মন্তব্য জানাতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যে, স্মার্ট মিটার লাগানোর পর প্রতি মাসে ১২,০০০ টাকার 'স্মার্ট বিল' আসছে। এই উচ্চ বিলের পরিপ্রেক্ষিতে, এখন সবাইকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- এক অনন্য মুহূর্তে সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী, যা দর্শক-শ্রোতাদের সান্নিধ্যে আরও বিশেষ হয়ে ওঠে। মৈত্রীর সুরেলা কণ্ঠের গান এবং মিতির মনোমুগ্ধকর নৃত্য উপস্থিত সকলকে মুগ্ধতায় বেঁধে রাখে। এই বিশেষ সময় এবং স্মরণীয় সন্ধ্যা সকলের হৃদয়ে আজীবন অমলিন স্মৃতি হয়ে থাকবে।1