বীরভূম জেলার বোলপুরে এক পরিচিত টোল ব্যবসায়ী নাসির শেখের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের হানাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় আয়কর আধিকারিকরা নাসির শেখের বাসভবনে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে টোল ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে নাসির শেখের বিরুদ্ধে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই আয়কর দপ্তরের একটি বিশেষ দল এদিন সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। অভিযান চলাকালীন বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দলিল ও লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যদিও আয়কর দপ্তরের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, এবং ঠিক কত পরিমাণ অঘোষিত সম্পত্তি বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
বীরভূম জেলার বোলপুরে এক পরিচিত টোল ব্যবসায়ী নাসির শেখের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের হানাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় আয়কর আধিকারিকরা নাসির শেখের বাসভবনে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে টোল ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে নাসির শেখের বিরুদ্ধে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই আয়কর দপ্তরের একটি বিশেষ দল এদিন সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। অভিযান চলাকালীন বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দলিল ও লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যদিও আয়কর দপ্তরের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, এবং ঠিক কত পরিমাণ অঘোষিত সম্পত্তি বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
- বীরভূমের রামপুরহাটে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমের স্টোররুম থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে অবস্থিত ওই নার্সিংহোমে ঘটে। নার্সিংহোমের মালিক ডাবলু ভকতের প্রাথমিক ধারণা, মৃত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তবে তিনি কীভাবে নার্সিংহোমের স্টোররুমে প্রবেশ করলেন এবং কেউ বিষয়টি টের পেলেন না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বেশ কয়েকদিন পর স্টোররুম এলাকা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করলে কর্মীদের সন্দেহ হয়। তারা প্রথমে এটিকে পশুর মৃত্যু বলে মনে করলেও পরে খোঁজাখুঁজি করে স্টোররুমের ভেতর থেকে ওই ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। একজন ব্যক্তি কীভাবে নার্সিংহোমের স্টোররুমে ঢুকে পড়লেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে পড়ে থাকলেও কর্তৃপক্ষের নজরে এল না, তা নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- নিট পরীক্ষা কান্ড নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন। তিনি এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তুলে ধরেছেন।1
- রাজ্যের গ্রন্থাগার ও অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ ভগবানগোলায় আয়োজিত জনকল্যাণ শিবির পরিদর্শনে এসেছিলেন। এই পরিদর্শনে এসে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য সরকারের নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং প্রশাসনের ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিবির পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের মাত্র এক মাসের মধ্যেই সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবির চালু করা হয়েছে। তাঁর মতে, এই উদ্যোগের ফলে বহু মানুষ সরাসরি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান হচ্ছে। তিনি ভগবানগোলা ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) এবং ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজের বিশেষ প্রশংসা করেন। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই শিবিরে আসা সাধারণ মানুষ সুচারুভাবে পরিষেবা পাচ্ছেন। উল্লেখ্য, গৌরীশঙ্কর ঘোষ ভগবানগোলার পার্শ্ববর্তী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হলেও, মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর এই প্রথমবার তাঁকে ভগবানগোলায় দেখা গেল। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে শিবির প্রাঙ্গণে উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়। শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষও সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং বলেন যে, এক ছাদের নিচে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাওয়ায় তাঁদের সময় ও হয়রানি অনেকটাই কমেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনেও এই ধরনের জনমুখী কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ সরকারি পরিষেবার আওতায় আসতে পারেন।1
- রাজ্যে ১৮ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ শিবির চলবে এবং এই শিবিরগুলিতে মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখে শুভেন্দু অধিকারী আস্থা প্রকাশ করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদ জেলায় জনকল্যাণ শিবিরে প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও বিপুল সাড়া মিলেছে। গত দুদিনে মোট ২ লক্ষ ৮ হাজার ৩৬১টি আবেদন জমা পড়েছে, যেখানে মানুষ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনের নিরিখে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড প্রথম স্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার এই প্রকল্পে ৪৮ হাজার ৬৪৩টি আবেদন জমা পড়েছিল এবং গত দুদিনে মোট ৭০ হাজার ৮৬৩টি আবেদন জমা পড়েছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা, যেখানে দ্বিতীয় দিনের শিবিরে ১৩,৬১৮টি এবং দুদিনে মোট ২৮,৫৬৮টি আবেদন জমা পড়েছে। মঙ্গলবার জেলায় আয়োজিত ৬৮টি শিবিরে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৩২১টি আবেদন জমা পড়েছিল।1
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় গুরুতর বালি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, যেখানে নদীর বাঁধ কেটে বড় বড় গর্ত করা হয়েছে। এই ঘটনা রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং 'স্বচ্ছ ভারত' অভিযানের স্লোগানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, কারণ এর ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। অভিযোগকারী দর্শকদের কাছে এই ভিডিওটি দেখে পুরো পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজেদের মতামত জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।1
- বীরভূম জেলার বোলপুরে এক পরিচিত টোল ব্যবসায়ী নাসির শেখের বাড়িতে আয়কর দপ্তরের হানাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় আয়কর আধিকারিকরা নাসির শেখের বাসভবনে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে টোল ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে নাসির শেখের বিরুদ্ধে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই আয়কর দপ্তরের একটি বিশেষ দল এদিন সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে। অভিযান চলাকালীন বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দলিল ও লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যদিও আয়কর দপ্তরের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি, এবং ঠিক কত পরিমাণ অঘোষিত সম্পত্তি বা আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বোলপুর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলেও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।1
- বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কীর্ণাহারে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা কীর্ণাহার থানার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। একই সময়ে তাঁরা কীর্ণাহার চৌরাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালে সিউড়ি-কাটোয়া রাজ্য সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে কীর্ণাহার থানার মহেশগ্রাম এলাকা থেকে ফিরছিলেন কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। অভিযোগ করা হয়েছে যে, নিমড়া গ্রাম সংলগ্ন রাস্তায় তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। বিজেপির নানুর-১ মণ্ডলের সহ-সভাপতি পরমানন্দ সাহা অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকেও মারধর করেছে। তাঁর দাবি, মোট ছয়জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং যান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।1