দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান অবশেষে পৌরসভার মানবিক উদ্যোগে জমির পাট্টা ও খতিয়ান পেলেন বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল অবশেষে। আলিপুরদুয়ার পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বহু বাসিন্দার হাতে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে জমির পাট্টা ও খতিয়ান তুলে দিল আলিপুরদুয়ার পৌরসভা। দীর্ঘদিন ধরে জমির স্বত্ব সংক্রান্ত সমস্যায় জর্জরিত বাসিন্দাদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তির বার্তা নিয়ে এল। পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার চেয়ারম্যান বাবলুকর সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। শিবিরে একে একে উপভোক্তাদের হাতে সরকারি নথিভুক্ত জমির পাট্টা এবং খতিয়ান তুলে দেওয়া হয়। বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমিতে বসবাস করলেও আইনি স্বীকৃতি না থাকায় নানা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অবশেষে সেই জটিলতার অবসান ঘটল। পৌরসভার চেয়ারম্যান বাবলুকর জানান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে জমির নথিপত্রের জন্য ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের দ্বারস্থ হচ্ছিলেন। একাধিকবার দপ্তরে গিয়েও সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। বিষয়টি পৌরসভার নজরে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় সাধন করে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাট্টা ও খতিয়ান প্রদান সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “পৌরসভার দায়িত্ব শুধু নাগরিক পরিষেবা দেওয়া নয়, প্রয়োজনে মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়েও পাশে দাঁড়ানো। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সমস্যা আমাদের নজরে আসার পরই আমরা উদ্যোগী হই। আজ তাঁদের হাতে জমির বৈধ নথি তুলে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বহু বছর ধরে তাঁরা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। জমির বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ব্যাংক ঋণ, সরকারি আবাসন প্রকল্প বা অন্যান্য সুবিধা পাওয়ায় সমস্যার মুখে পড়তে হত। এখন পাট্টা ও খতিয়ান হাতে পাওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পারছেন তাঁরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকজন উপভোক্তার হাতে নথি তুলে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে যাঁদের নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও পর্যায়ক্রমে একইভাবে শিবির করে পাট্টা প্রদান করা হবে। এই উদ্যোগকে ঘিরে ৪ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে নাগরিকদের হাতে জমির স্বত্বের বৈধ নথি পৌঁছে দেওয়ায় পৌরসভার এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মহল।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান অবশেষে পৌরসভার মানবিক উদ্যোগে জমির পাট্টা ও খতিয়ান পেলেন বাসিন্দারা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল অবশেষে। আলিপুরদুয়ার পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বহু বাসিন্দার হাতে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে জমির পাট্টা ও খতিয়ান তুলে দিল আলিপুরদুয়ার পৌরসভা। দীর্ঘদিন ধরে জমির স্বত্ব সংক্রান্ত সমস্যায় জর্জরিত বাসিন্দাদের জন্য এই উদ্যোগ স্বস্তির বার্তা নিয়ে এল। পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার চেয়ারম্যান বাবলুকর সহ অন্যান্য কাউন্সিলর ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। শিবিরে একে একে উপভোক্তাদের হাতে সরকারি নথিভুক্ত জমির পাট্টা এবং খতিয়ান তুলে দেওয়া হয়। বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে জমিতে বসবাস করলেও আইনি স্বীকৃতি না থাকায় নানা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। অবশেষে সেই জটিলতার অবসান ঘটল। পৌরসভার চেয়ারম্যান বাবলুকর জানান, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে জমির নথিপত্রের জন্য ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের দ্বারস্থ হচ্ছিলেন। একাধিকবার দপ্তরে গিয়েও সমস্যার সমাধান হচ্ছিল না। বিষয়টি পৌরসভার নজরে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করা হয়। প্রশাসনিক স্তরে সমন্বয় সাধন করে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে বিশেষ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাট্টা ও খতিয়ান প্রদান সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “পৌরসভার দায়িত্ব শুধু নাগরিক পরিষেবা দেওয়া নয়, প্রয়োজনে মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়েও পাশে দাঁড়ানো। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সমস্যা আমাদের নজরে আসার পরই আমরা উদ্যোগী হই। আজ তাঁদের হাতে জমির বৈধ নথি তুলে দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।” স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বহু বছর ধরে তাঁরা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। জমির বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ব্যাংক ঋণ, সরকারি আবাসন প্রকল্প বা অন্যান্য সুবিধা পাওয়ায় সমস্যার মুখে পড়তে হত। এখন পাট্টা ও খতিয়ান হাতে পাওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হতে পারছেন তাঁরা। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েকজন উপভোক্তার হাতে নথি তুলে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে যাঁদের নথিপত্র যাচাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও পর্যায়ক্রমে একইভাবে শিবির করে পাট্টা প্রদান করা হবে। এই উদ্যোগকে ঘিরে ৪ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে নাগরিকদের হাতে জমির স্বত্বের বৈধ নথি পৌঁছে দেওয়ায় পৌরসভার এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মহল।
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1
- বিজেপি ভোট চাইতে এলে গাছে বেঁধে রাখুন। এমনই নিদান দিলেন দিনহাটা 2 নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আজিজার রহমান। এদিন গোবরা ছাড়া এক বুথ সম্মেলনে এ কথা বলেন।1
- কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা জেলাভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চলেছে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নদীয়া শিলিগুড়ির সহ একাধিক জেলার দল অংশগ্রহণ করবে। বুধবার সকাল সাড়ে নটা থেকে খেলা শুরু হবে এবং প্রত্যেকদিন একটি করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহার রাজবাড়ি স্টেডিয়াম, আর কি কি জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক সুব্রত দত্ত শুনুন বিস্তারিত1
- জয়ন্তী মহাকাল হার হার মহাদেব আমরা তুলে ধরলাম2
- গ্রামীণ রাস্তায় বালু-পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার সহ চালককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রয়্যালটির বৈধ নথিপত্র না থাকায় নির্দিষ্ট ধারায় মামলার শুরু করেছে ফালাকাটা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার গভীর রাতে ফালাকাটার হরিনাথপুর গ্রামের রাস্তায় বালু পাথর (আরবিএম) বোঝাই একটি ভারী ডাম্পার প্রবেশ করে। জনবহুল এলাকায় নিয়মিত নজরদারির সময় গাড়িটি পুলিশের চোখে পড়ে। তল্লাশির সময় চালক বালু-পাথর পরিবহনের কোনো বৈধ রয়্যালটি নথি দেখাতে পারেননি। এরপরই ডাম্পারটি আটক করা হয় এবং চালককে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে,ডাম্পার চালকের নাম জরিবুল আলম। তার বাড়ি মাদারিহাটে। বীরপাড়া থেকে গাড়িটি বালি নিয়ে আসছিল। প্রয়োজনীয় আইনি ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে আরও খবর, গ্রামীণ সড়কে ভারী যান চলাচলের উপর প্রশাসনের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নির্দেশ অমান্য করেই ডাম্পারটি গ্রামে প্রবেশ করেছিল বলে অভিযোগ। উল্লেখ্য, মাত্র এক সপ্তাহ আগে ফালাকাটার জটেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় একটি ভয়াবহ সেতু বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ব্লকের দুর্বল সেতু ও গ্রামীণ রাস্তাগুলির উপর বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কীকরণ বোর্ডও লাগানো হয়েছে প্রশাসনের তরফে। এর আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন, গ্রামের রাস্তায় কোনোভাবেই ডাম্পার বা ভারী যানবাহন চলাচল বরদাস্ত করা হবে না। গ্রামীণ পরিকাঠামো রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপ বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও গ্রামীণ এলাকায় টহলদারি ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। নিয়ম ভাঙলে নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। গ্রামবাসীদের নিরাপত্তা ও রাস্তাঘাটের স্থায়িত্ব বজায় রাখাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। মঙ্গলবার ডাম্পার চালককে আদালতে পাঠানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।1
- চুরি করতে এসে আগে মদের পার্টি! তারপর ঠান্ডা মাথায় গোয়াল ঘর খালি—এ যেন সিনেমার দৃশ্য, কিন্তু ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। সোমবার গভীর রাতে রানীরহাট এলাকায় এমনই স্পর্ধার পরিচয় দিল চোরের দল। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোকঝাড়িতে প্রথমে বসে জমিয়ে মদের আসর। স্থানীয়দের দাবি, গোয়াল ঘরের পাশেই পড়ে ছিল মদের বোতল ও প্লাস্টিকের গ্লাস—যেন ‘অপারেশন’-এর আগে উদযাপন! তারপর সুযোগ বুঝে তালা কেটে হিতেন রায়ের বাড়ি থেকে ২টি গরু ও ৩টি ছাগল উধাও। পাশের বাড়ির সরল অধিকারীর গোয়াল ঘরেও হানা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চুরি করতে এসে যদি এমন প্রকাশ্যে মদের পার্টি বসে, তাহলে চোরেদের সাহস কতটা বেড়েছে? এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এমনকি দিনের আলোতেও চুরি হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধরা পড়েনি কেউ। মদের আসর বসিয়ে চুরি—এই বেপরোয়া মানসিকতা কি বড় কোনও চক্রের ইঙ্গিত? পুলিশ কি এবার ধরতে পারবে এই স্পর্ধিত চোরেদের? রানীরহাটে এখন একটাই প্রশ্ন— চোরের এমন ‘পার্টি কালচার’ থেকে কবে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ?1
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1