যৌতুক ও পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ কান্দিতে যৌতুক ও পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ কান্দিতে। মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়ালো। মৃতার নাম কাশমিরা খাতুন। বছর দুই আগে ভরতপুর থানার সরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা কাশমিরার বিয়ে হয়েছিল কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের হাসিবুর রহমানের সাথে। মৃতার বাবার বাড়ির পরিবারের দাবি, বছরখানেক আগে কাশমিরা যখন গর্ভাবস্থায় ছিলেন, তখনই স্বামী হাসিবুর রহমানের অন্য এক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি। এই ঘটনার পরই হাসিবুর কর্মসূত্রে বিদেশে চলে যান, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে কাশমিরার ওপর অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠে। অভিযোগ, পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় এবং অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। অবশেষে গত সোমবার তাঁকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে খুন করে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, ৫ মাসের সন্তানের অন্নপ্রাশনের অজুহাতে ওই দিনই কাশমিরাকে ডেকে পাঠাই শ্বশুরবাড়ির লোকজন, আমি নিজে আমার মেয়েকে ওর শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি। কিন্তু সন্ধ্যার মধ্যেই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর আসে। স্বামী বিদেশে থাকলেও, এই মৃত্যুতে প্ররোচনা দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ করেছেন নিহতের মা। এই ঘটনায় মৃতার মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কান্দি থানার পুলিশ প্রবাসী স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে পুলিশের অনুমান। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা।
যৌতুক ও পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ কান্দিতে যৌতুক ও পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ কান্দিতে। মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়ালো। মৃতার নাম কাশমিরা খাতুন। বছর দুই আগে ভরতপুর থানার সরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা কাশমিরার বিয়ে হয়েছিল কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের হাসিবুর রহমানের সাথে। মৃতার বাবার বাড়ির পরিবারের দাবি, বছরখানেক আগে কাশমিরা যখন গর্ভাবস্থায় ছিলেন, তখনই স্বামী হাসিবুর রহমানের অন্য এক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি। এই ঘটনার পরই হাসিবুর কর্মসূত্রে বিদেশে চলে যান, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে কাশমিরার ওপর অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠে। অভিযোগ, পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় এবং অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। অবশেষে গত সোমবার তাঁকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে খুন করে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, ৫ মাসের সন্তানের অন্নপ্রাশনের অজুহাতে ওই দিনই কাশমিরাকে ডেকে পাঠাই শ্বশুরবাড়ির লোকজন, আমি নিজে আমার মেয়েকে ওর শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি। কিন্তু সন্ধ্যার মধ্যেই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর আসে। স্বামী বিদেশে থাকলেও, এই মৃত্যুতে প্ররোচনা দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ করেছেন নিহতের মা। এই ঘটনায় মৃতার মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কান্দি থানার পুলিশ প্রবাসী স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে পুলিশের অনুমান। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা।
- খড়গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের দায়বদ্ধতা ও প্রতিজ্ঞা স্তম্ভ।। খড়গ্রাম বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারের মাঝে জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ও সাংসদ জনাব খলিলুর রহমান সাহেবের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তা।।1
- যৌতুক ও পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় গৃহবধূকে খুনের অভিযোগ কান্দিতে। মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়ালো। মৃতার নাম কাশমিরা খাতুন। বছর দুই আগে ভরতপুর থানার সরডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা কাশমিরার বিয়ে হয়েছিল কান্দি থানার চাঁদনগর গ্রামের হাসিবুর রহমানের সাথে। মৃতার বাবার বাড়ির পরিবারের দাবি, বছরখানেক আগে কাশমিরা যখন গর্ভাবস্থায় ছিলেন, তখনই স্বামী হাসিবুর রহমানের অন্য এক নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের কথা হাতেনাতে ধরে ফেলেন তিনি। এই ঘটনার পরই হাসিবুর কর্মসূত্রে বিদেশে চলে যান, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে কাশমিরার ওপর অত্যাচারের মাত্রা চরমে ওঠে। অভিযোগ, পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় এবং অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। অবশেষে গত সোমবার তাঁকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে খুন করে মরদেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মৃতার মায়ের অভিযোগ, ৫ মাসের সন্তানের অন্নপ্রাশনের অজুহাতে ওই দিনই কাশমিরাকে ডেকে পাঠাই শ্বশুরবাড়ির লোকজন, আমি নিজে আমার মেয়েকে ওর শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসি। কিন্তু সন্ধ্যার মধ্যেই প্রতিবেশীদের কাছে থেকে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর খবর আসে। স্বামী বিদেশে থাকলেও, এই মৃত্যুতে প্ররোচনা দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ করেছেন নিহতের মা। এই ঘটনায় মৃতার মায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কান্দি থানার পুলিশ প্রবাসী স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। আজ মঙ্গলবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে পুলিশের অনুমান। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্তরা।1
- বেলডাঙ্গা পাঁচরাহার অবস্থা। বেলডাঙায় ওভার ব্রিজের নেতারা কথা দেয় কিন্তু কাজ কর্ম কিছুই হয় না1
- একদিকে DCRC-এ ভোট কর্মীদের ব্যবস্তা অন্যদিকে এলাকায় চলছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। ডোমকলে ভোটের আগে বিভিন্ন এলাকায় চলল কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি। রাত পোহালেই ভোট। একদিকে ডোমকল এসডিও অফিস থেকে ভোট কেন্দ্রে রয়না দিয়েছেন ভোট কর্মীরা। অন্যদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্রত্ব করতে পথে নেমেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। ভোট মানেই ডোমকলে অশান্তির খবর আসে। তবে এবার সেই ডোমকলে ভোট শান্তিপুর্ণ করতে ময়দানে নেমেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।1
- নওদায় হুমায়ুন কবিরের শেষ দিনের প্রচারে উত্তেজনা। পুলিশি বাধায় মেজাজ হারালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার বেলডাঙা থেকে নওদায় ঢোকার পরে পুলিশ বাঁধা দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশি বাঁধায় মেজাজ হারান হুমায়ুন। সেখান থেকে বেড়িয়ে রোড শো শুরু করেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবির। নওদার মধুপুরে হুমায়ুন কবিরের রোড শো যাওয়ার সময় হাতে পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। ডাঙাপাড়া এলাকায় পাড়ার মধ্যে দিয়ে হুমায়ুন কবিরের রোড শো যাওয়ার পথেই এলাকার তৃণমূল কর্মীরা হুমায়ুন কবির গো ব্যাক শ্লোগান দেন। পাল্টা হুমায়ুন কবিরের অনুগামীরাও শ্লোগান দিতে থাকে। এতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।1
- নওদায় হুমায়ুন কবিরের শেষ দিনের প্রচারে উত্তেজনা। পুলিশি বাধায় মেজাজ হারালেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার বেলডাঙা থেকে নওদায় ঢোকার পরে পুলিশ বাঁধা দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশি বাঁধায় মেজাজ হারান হুমায়ুন। সেখান থেকে বেড়িয়ে রোড শো শুরু করেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবির। নওদার মধুপুরে হুমায়ুন কবিরের রোড শো যাওয়ার সময় হাতে পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। ডাঙাপাড়া এলাকায় পাড়ার মধ্যে দিয়ে হুমায়ুন কবিরের রোড শো যাওয়ার পথেই এলাকার তৃণমূল কর্মীরা হুমায়ুন কবির গো ব্যাক শ্লোগান দেন। পাল্টা হুমায়ুন কবিরের অনুগামীরাও শ্লোগান দিতে থাকে। এতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।2
- ব্যস্ত ভোট কর্মীরা ডিসিআরসি গুলিতে ভিড় পুলিশি তৎপরতা1
- মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্ৰাম ব্লকে রোড শো শেষ হওয়ার পর শেরপুর পার্টি অফিসে তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের জোয়ারে বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ভালকুন্দি গ্ৰামের শুকুর সেখ সহ ৫০টি পরিবার সহ কর্মী সমর্থকরা খড়গ্ৰামের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আশীষ মার্জিতের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।এছাড়াও যোগদান অব্যাহত রয়েছে খড়গ্ৰাম ব্লকের পারুলিয়া অঞ্চলের দেবগ্ৰাম থেকে ৪২ নং বুথের সঈদ আফ্রিদি পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন,উনি সহ ৪৩ নং বুথের চাঁদ মহম্মদ বুথ সভাপতি নয়ন সেখ, দেবগ্ৰামের বিজেপি নেতৃত্ব ৪২- ৪৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মরজেম সেখ এবং সিপিএম এর সদস্য মহম্মদ জাকারিয়া তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।1