গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও শান্তির লক্ষ্যে লড়াই', মনোনয়ন জমা দিয়ে হুঙ্কার নাটাবাড়ির বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়ের ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। শনিবার কোচবিহার মহকুমা শাসক দপ্তরে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নাটাবাড়ি ৮ নং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। • গিরিজা শংকর রায় বলেন, "এখানকার যে অশুভ শক্তি, বিশেষ করে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসকারী এবং সন্ত্রাসবাদী, তাদের হাত থেকে নাটাবাড়িকে মুক্ত করতেই আমরা আজ মনোনয়নপত্র জমা দিলাম।" • তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নাটাবাড়ির মাটিতে এবার প্রকৃত গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তাঁর দাবি, নাটাবাড়ির সাধারণ মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন। • জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী গিরিজা শংকর জানান, তিনি অন্তত ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে আশা করছেন। • এদিন কোনো বড় মিছিল না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "কালীবাড়ি মাঠে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে মানুষের এই জমায়েত প্রমাণ করে দিয়েছে যে নাটাবাড়িতে তৃণমূলের পায়ের তলায় আর মাটি নেই।" • প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সকালে ফোন করেছিলেন কিন্তু যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তবে তিনি তাঁকে 'অভিভাবক' হিসেবেই দেখেন এবং দ্রুতই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও শান্তির লক্ষ্যে লড়াই', মনোনয়ন জমা দিয়ে হুঙ্কার নাটাবাড়ির বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়ের ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। শনিবার কোচবিহার মহকুমা শাসক দপ্তরে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নাটাবাড়ি ৮ নং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। • গিরিজা শংকর রায় বলেন, "এখানকার যে অশুভ শক্তি, বিশেষ করে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসকারী এবং সন্ত্রাসবাদী, তাদের হাত থেকে নাটাবাড়িকে মুক্ত করতেই আমরা আজ মনোনয়নপত্র জমা দিলাম।" • তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নাটাবাড়ির মাটিতে এবার প্রকৃত গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তাঁর দাবি, নাটাবাড়ির সাধারণ মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন। • জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী গিরিজা শংকর জানান, তিনি অন্তত ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে আশা করছেন। • এদিন কোনো বড় মিছিল না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "কালীবাড়ি মাঠে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে মানুষের এই জমায়েত প্রমাণ করে দিয়েছে যে নাটাবাড়িতে তৃণমূলের পায়ের তলায় আর মাটি নেই।" • প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সকালে ফোন করেছিলেন কিন্তু যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তবে তিনি তাঁকে 'অভিভাবক' হিসেবেই দেখেন এবং দ্রুতই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
- ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। শনিবার কোচবিহার মহকুমা শাসক দপ্তরে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নাটাবাড়ি ৮ নং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গিরিজা শংকর রায়। মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। • গিরিজা শংকর রায় বলেন, "এখানকার যে অশুভ শক্তি, বিশেষ করে যারা গণতন্ত্র ধ্বংসকারী এবং সন্ত্রাসবাদী, তাদের হাত থেকে নাটাবাড়িকে মুক্ত করতেই আমরা আজ মনোনয়নপত্র জমা দিলাম।" • তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নাটাবাড়ির মাটিতে এবার প্রকৃত গণতন্ত্র ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তাঁর দাবি, নাটাবাড়ির সাধারণ মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবেন। • জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী গিরিজা শংকর জানান, তিনি অন্তত ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে আশা করছেন। • এদিন কোনো বড় মিছিল না হওয়া প্রসঙ্গে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, "কালীবাড়ি মাঠে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক জমায়েত হয়েছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে মানুষের এই জমায়েত প্রমাণ করে দিয়েছে যে নাটাবাড়িতে তৃণমূলের পায়ের তলায় আর মাটি নেই।" • প্রাক্তন বিধায়কের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সকালে ফোন করেছিলেন কিন্তু যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তবে তিনি তাঁকে 'অভিভাবক' হিসেবেই দেখেন এবং দ্রুতই তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে দিনহাটায় এলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। এদিন দিনহাটা এলে তাকে বিজেপির কর্মীরা সংবর্ধনা জানান। বিধানসভা নির্বাচনের দলীয় প্রার্থী সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রে আশুতোষ বর্মার সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে আসেন তিনি।1
- মাথাভাঙ্গা শহরে মহকুমা শাসকের অফিসে মাথাভাঙ্গা বিধানসভা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কংগ্রেস প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হল। এদিন তারা মাথাভাঙ্গা শহরে একটি মিছিল করে মহকুমা শাসকের অফিসে এসে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। মাথাভাঙ্গা বিধানসভার প্রার্থী খিতেন্দ্রনাথ বর্মন জানান আমরা জেতার পক্ষে পূর্ণ আশাবাদী মানুষ এবার আমাদেরকেই ভোট দিবে তৃণমূল বা বিজেপি কাউকে এবার আর ভোট দেবে না। শীতলকুচি বিধানসভার প্রার্থী সুকোমল বর্মন বলেন সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ আমাদের সাথে আছে।1
- *দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের কিসামতদশো গ্রামে একাধিক এলাকায় খোলা বৈঠক করলেন ৭ নম্বর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ।1
- আজ বামনহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে ভোট প্রচারে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়।1
- বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ফের বড়সড় দলবদলের ঘটনা সামনে এল। বিজেপির প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি অমিত রাহা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন তৃণমূল কংগ্রেসে, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় নীতি ও নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য বাড়তে থাকে। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়েও অসন্তোষ তৈরি হয় বলে সূত্রের খবর। এর জেরেই শেষমেশ তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এদিন তৃণমূলের এক অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় পতাকা গ্রহণ করেন। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর অমিত রাহা জানান, রাজ্যের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। তৃণমূল কংগ্রেস সেই সুযোগ করে দেবে বলেই আমি এই দলে যোগ দিলাম।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব এই যোগদানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। তাদের দাবি, অমিত রাহার মতো অভিজ্ঞ সংগঠকের আগমন দলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আসন্ন নির্বাচনে সংগঠনের ভিত মজবুত হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে এ ধরনের দলবদল নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। বিশেষ করে বিজেপির একাধিক নেতা-কর্মীর দলত্যাগ শাসকদলের পক্ষে বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে। তবে বিজেপির তরফে এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই দলবদল রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।1
- *৬ নং বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় নিজেই নির্দল প্রার্থীকে নমিনেশন দাখিল করলেন সুনীল চন্দ্র মোহন্ত।1