Shuru
Apke Nagar Ki App…
সামনের ২৬ শে বিধানসভা ভোট ,আলু দাম না বাড়ায় ব্যাপক হারে ক্ষতির মুখে চাষিরা-
রিপোর্টারAbhijit Santra
সামনের ২৬ শে বিধানসভা ভোট ,আলু দাম না বাড়ায় ব্যাপক হারে ক্ষতির মুখে চাষিরা-
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- বাঁকুড়া, সোনামুখী: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন সোনামুখীর মদনপুর জয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে1
- Post by News Arambagh Town1
- আলু চাষে ক্ষতি দাম নেই পারিবারিক বিবাদ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা কৃষকের। এমনই অভিযোগ মৃতের পরিবার থেকে শুরু করে এলাকার মানুষজনের, ঘটনায় শুরু তীব্র রাজনৈতিক তরজা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা এক নম্বর ব্লকের রাঙামাটি গ্রামের বাসিন্দা রাখাল আড়ি পরিবারের দাবি ভাগে চার বিঘা আলু চাষ করেছিলসে। এই আলু চাষ করতে আনুমানিক প্রায় এক লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল, স্ত্রীর গহনা বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিল সে। নিজস্ব সম্পত্তি বলতে মাত্র ১০ কাঠা, মা স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার । আর সেই আলু চাষ করে আলু চাষের ক্ষতির সম্মুখীন হতেই এই ঘটনা। কারণ মাঠ থেকে পাকা আলু উঠতে শুরু করতেই আলুর দাম নেই বর্তমানে আজ আলুর দাম ৩২০ টাকা কুইন্টাল। এই নিয়েই স্বামী স্ত্রীর বিবাদ, আর সেই বিবাদের জেরেই কীটনাশক খায় শুক্রবার সন্ধায় তারপরে তাকে ঘাটাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শেষ রক্ষা হয়নি বুধবার রাতে মৃত্যু হয় রাখালের। পরিবার সহ এলাকার মানুষের দাবি আলু চাষে ক্ষতি ঋণ করে চাষ আর সেই জন্যই আত্মহত্যা করেছে রাখাল। তবে কৃষকের মৃত্যুতে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তবে এ বিষয়ে চন্দ্রকোনার বিধায়ক অরুপ ধাড়া বলেন রাখাল তৃণমূলের কর্মী ছিল এই পরিবারের পাশে তারা থাকবেন।2
- আলুর অবস্থা দেখুন লম্বা লাইন তোরে আলুর নিচ্ছে না দুই চার দিনের মধ্যে হয়তো কোলেস্টোরেজ লোড হতে চলেছে।।1
- “বিজেপির পতাকাই গরুর খাবার! খণ্ডঘোষে ভাইরাল ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য”1
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by News Arambagh Town1
- পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে ধসে পড়েছে জাতীয় সড়কের দেওয়ালের একাংশ। মেমারিতে হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল জাতীয় সড়কের দেওয়াল! বন্ধ যান চলাচল, ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সব গাড়িসরডাঙা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের অন্তর্গত। সেই রাস্তার বর্ধমানমুখী লেনের দেওয়াল ধসে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বর্ধমানের মেমারিতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দেওয়াল ধসে বিপত্তি। বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ আচমকাই জাতীয় সড়কের পাশের দেওয়াল ধসে পড়ে। তার ঠিক আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ওই রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলেছে। তবে একেবারে ধসে পড়ার মুহূর্তে সেখানে কোনও গাড়ি ছিল না। ফলে বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। আপাতত ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বিকল্প হিসাবে সার্ভিস রোড দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মেমারির সরডাঙা এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের অন্তর্গত। সেই রাস্তার বর্ধমানমুখী লেনের দেওয়াল ধসে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, মাস দশেক আগেই এই জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়েছিল। অভিযোগ, নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয় সড়ক নির্মাণে। সেই কারণেই এই পরিণতি। এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দিনের আলোয় এই ঘটনা ঘটায় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। রাতের অন্ধকারে হলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে ছাইয়ের স্তর ব্যবহার করা হয়েছিল। তা ধীরে ধীরে বসে যাচ্ছিল। ইটের গাঁথনিতেও ফাটল দেখা দিয়েছিল। সকালে যখন ওই রাস্তা দিয়ে একের পর এক ট্রাক, লরি, ডাম্পার যাচ্ছিল, তখনই ইটের 'ব্লক'-সহ দেওয়ালের প্রায় ৪০ ফুট লম্বা অংশ হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে। তৎক্ষণাৎ ওই রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। জেলা পুলিশের ডিএসপি (ট্রাফিক) আশিস মণ্ডল বলেন, 'জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। একটা লেন বন্ধ রেখে গাড়িগুলিকে সার্ভিস রোড দিয়ে বার করে দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের বিশেষজ্ঞ দলের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।'' দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প অধিকর্তা (কলকাতা) প্রশান্ত শ্রীবাস্তব বলেছেন, 'পরিদর্শনকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে। কেন এটা ঘটল, তদন্ত হবে।' বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও চলছে। মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য কেন্দ্রকে এক হাত নিয়ে বলেছেন, 'এই হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের নমুনা। বড় বিপদ ঘটলে তার দায় কে নিত? নিম্নমানের কাজ যে হয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।' বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী স্মৃতিকণা বসু তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, 'গোটা দেশে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ রাস্তা বানাচ্ছেন। কোথাও এমন ঘটনা ঘটেনি। এখানে কেন ঘটল, সেটা ভাবার বিষয়। তদন্তে সব জানা যাবে।'1