শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ রাজকুমার ঘোষ পূর্ব বর্ধমান কালনা:- পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা দু'নম্বর ব্লকের বাদলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিঙ্গারকোন গ্রামে শনিবার রাতে অপহরণের হাত থেকে বেঁচে যায় এক শিশু। অপরিচিত এক যুবক বাড়ির সামনে গিয়ে বাইকে হর্ন বাজাতে থাকে এবং বাড়ির দরজায় ঠোকা দিলে ওই শিশুর মা বেরিয়ে আসে।ওই শিশুর বাবার ডাকনাম নকা দা।সেই নাম নিয়ে বলা হয় তিনি নাকি একটি চায়ের দোকানে শিশুটিকে নিয়ে যেতে। তারপরেই ওই যুবককে দাঁড়াতে বলে তিনি শিশুটির বাবাকে ফোন করলে।শিশুটির বাবা স্ত্রী কে জানায় সে কাউকে তার ছেলেকে আনতে বলেন নি।বিপদ বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর বাড়িতে এসে সবকিছু জানতে পারেন শিশুর বাবা। রবিবার বৈদ্যপুর পুলিশ ফাঁড়িতে শিশুর বাবা অভিযোগ দায়ের করেন।রবিবার গ্রামের তথা আশপাশের গ্রামে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে এই বিষয়ে নতুন করে এলাকায় ছেলেধরা সক্রিয় হলো কিনা সেই বিষয়েও তদন্তে নেমেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা সৌভিক গোস্বামী জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের মতো শনিবার সন্ধ্যার পর তিনি চায়ের দোকানে বসে সময় কাটাচ্ছিলেন, হঠাৎ বাড়ি থেকে ফোন আসে তিনি নাকি তার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিপদ বুঝে বাড়ির দিকে ছুটে যান। যদিও যারা তার ছেলেকে নিচে এসেছিল তাদের কোন পাত্তা পাওয়া যায়নি। রবিবার সকাল হতেই তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাঁড় করেন। কে বা কারা তার ছেলেকে অপহরণ করার চেষ্টা করছিল বা কোন শিশু পাচার চক্র এই কাজ করছিল কিনা তা তার জানা নেই। তবে পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব, বিজেপির দাবি ওই এলাকায় তৃণমূল নেতারা বিভিন্ন সমাজ বিরোধীদের প্রশ্রয় দিয়ে রেখেছে। যার কারনে সমাজবিরোধীরা এলাকায় এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে চলেছে।। প্রশাসনের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন যাতে দ্রুত এই ধরনের সমাজ বিরোধীদের চিহ্নিত করে যাতে পুলিশ তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়। এবং যে সমস্ত তৃণমূল নেতারা সমাজ বিরোধীদের সাথে যুক্ত রয়েছে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এই ঘটনায় তৃণমূলের সাথে কোন যোগ নেই।
শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ রাজকুমার ঘোষ পূর্ব বর্ধমান কালনা:- পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা দু'নম্বর ব্লকের বাদলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিঙ্গারকোন গ্রামে শনিবার রাতে অপহরণের হাত থেকে বেঁচে যায় এক শিশু। অপরিচিত এক যুবক বাড়ির সামনে গিয়ে বাইকে হর্ন বাজাতে থাকে এবং বাড়ির দরজায় ঠোকা দিলে ওই শিশুর মা বেরিয়ে আসে।ওই শিশুর বাবার ডাকনাম নকা দা।সেই নাম নিয়ে বলা হয় তিনি নাকি একটি চায়ের দোকানে শিশুটিকে নিয়ে যেতে। তারপরেই ওই যুবককে দাঁড়াতে বলে তিনি শিশুটির বাবাকে ফোন করলে।শিশুটির বাবা স্ত্রী কে জানায় সে কাউকে তার ছেলেকে আনতে বলেন নি।বিপদ বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর বাড়িতে এসে সবকিছু জানতে পারেন শিশুর বাবা। রবিবার বৈদ্যপুর পুলিশ ফাঁড়িতে শিশুর বাবা অভিযোগ দায়ের করেন।রবিবার গ্রামের তথা আশপাশের গ্রামে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে এই বিষয়ে নতুন করে এলাকায় ছেলেধরা সক্রিয় হলো কিনা সেই বিষয়েও তদন্তে নেমেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা সৌভিক গোস্বামী জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের মতো শনিবার সন্ধ্যার পর তিনি চায়ের দোকানে বসে সময় কাটাচ্ছিলেন, হঠাৎ বাড়ি থেকে ফোন আসে তিনি নাকি তার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিপদ বুঝে বাড়ির দিকে ছুটে যান। যদিও যারা তার ছেলেকে নিচে এসেছিল তাদের কোন পাত্তা পাওয়া যায়নি। রবিবার সকাল হতেই তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাঁড় করেন। কে বা কারা তার ছেলেকে অপহরণ করার চেষ্টা করছিল বা কোন শিশু পাচার চক্র এই কাজ করছিল কিনা তা তার জানা নেই। তবে পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব, বিজেপির দাবি ওই এলাকায় তৃণমূল নেতারা বিভিন্ন সমাজ বিরোধীদের প্রশ্রয় দিয়ে রেখেছে। যার কারনে সমাজবিরোধীরা এলাকায় এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে চলেছে।। প্রশাসনের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন যাতে দ্রুত এই ধরনের সমাজ বিরোধীদের চিহ্নিত করে যাতে পুলিশ তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়। এবং যে সমস্ত তৃণমূল নেতারা সমাজ বিরোধীদের সাথে যুক্ত রয়েছে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এই ঘটনায় তৃণমূলের সাথে কোন যোগ নেই।
- শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ শিশুকে অপহরনের চেষ্টা, প্রশাসনের দারস্ত হল শিশুর পরিবার, ঘটনার তদন্তে পুলিশ রাজকুমার ঘোষ পূর্ব বর্ধমান কালনা:- পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা দু'নম্বর ব্লকের বাদলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সিঙ্গারকোন গ্রামে শনিবার রাতে অপহরণের হাত থেকে বেঁচে যায় এক শিশু। অপরিচিত এক যুবক বাড়ির সামনে গিয়ে বাইকে হর্ন বাজাতে থাকে এবং বাড়ির দরজায় ঠোকা দিলে ওই শিশুর মা বেরিয়ে আসে।ওই শিশুর বাবার ডাকনাম নকা দা।সেই নাম নিয়ে বলা হয় তিনি নাকি একটি চায়ের দোকানে শিশুটিকে নিয়ে যেতে। তারপরেই ওই যুবককে দাঁড়াতে বলে তিনি শিশুটির বাবাকে ফোন করলে।শিশুটির বাবা স্ত্রী কে জানায় সে কাউকে তার ছেলেকে আনতে বলেন নি।বিপদ বুঝতে পেরে ওই ব্যক্তি বাইক নিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর বাড়িতে এসে সবকিছু জানতে পারেন শিশুর বাবা। রবিবার বৈদ্যপুর পুলিশ ফাঁড়িতে শিশুর বাবা অভিযোগ দায়ের করেন।রবিবার গ্রামের তথা আশপাশের গ্রামে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। তবে এই বিষয়ে নতুন করে এলাকায় ছেলেধরা সক্রিয় হলো কিনা সেই বিষয়েও তদন্তে নেমেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা সৌভিক গোস্বামী জানিয়েছেন, অন্যান্য দিনের মতো শনিবার সন্ধ্যার পর তিনি চায়ের দোকানে বসে সময় কাটাচ্ছিলেন, হঠাৎ বাড়ি থেকে ফোন আসে তিনি নাকি তার ছেলেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠিয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিপদ বুঝে বাড়ির দিকে ছুটে যান। যদিও যারা তার ছেলেকে নিচে এসেছিল তাদের কোন পাত্তা পাওয়া যায়নি। রবিবার সকাল হতেই তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাঁড় করেন। কে বা কারা তার ছেলেকে অপহরণ করার চেষ্টা করছিল বা কোন শিশু পাচার চক্র এই কাজ করছিল কিনা তা তার জানা নেই। তবে পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব, বিজেপির দাবি ওই এলাকায় তৃণমূল নেতারা বিভিন্ন সমাজ বিরোধীদের প্রশ্রয় দিয়ে রেখেছে। যার কারনে সমাজবিরোধীরা এলাকায় এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে চলেছে।। প্রশাসনের কাছে তারা আবেদন জানিয়েছেন যাতে দ্রুত এই ধরনের সমাজ বিরোধীদের চিহ্নিত করে যাতে পুলিশ তাদের উপযুক্ত শাস্তি দেয়। এবং যে সমস্ত তৃণমূল নেতারা সমাজ বিরোধীদের সাথে যুক্ত রয়েছে তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে এই ঘটনায় তৃণমূলের সাথে কোন যোগ নেই।1
- পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে মানব গুহর নির্দেশে বিজেপি কর্মীরা চেয়ারম্যানের অফিস ফিরিয়ে দিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।1
- রানাঘাটে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের এটিএম-এ টাকা জমা দিতে গিয়ে তা আটকে যায়, গ্রাহকের টাকাও মেলেনি। চিন্তিত গ্রাহক এই বিষয়ে ব্যাঙ্কে রিপোর্ট করেছেন।1
- রানঘাট ২ ব্লকের একটি রাস্তা বহু বছর ধরে বেহাল থাকায় ও জল জমার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই মেরামতের কাজ করেছেন। অভিযোগ, প্রায় ১৫ বছর আগে আংশিক কাজ হওয়ার পর পঞ্চায়েত আর কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। প্রশাসনের এই চরম উদাসীনতার কারণে গ্রামবাসীরা নিজেরাই উদ্যোগ নিতে বাধ্য হয়েছেন।1
- নবদ্বীপের নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী প্রথম বিজয় মিছিলে যোগ দিয়ে কড়া বার্তা দিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের কিছু লোক বিজেপির নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে এবং পুলিশকে নবদ্বীপে কোনো হিংসা বরদাস্ত না করার নির্দেশ দেন। বিধায়ক আরও জানান যে, নবদ্বীপের মানুষের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।1
- পশ্চিমবঙ্গের গুপ্তিপাড়ায় পদ্মফুল শিবিরে একই নাম ও পদবীর দুই ব্যক্তিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। কে আসল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর জল্পনা। স্কাই বাংলা এই ঘটনার প্রকৃত সত্য জানতে তদন্ত শুরু করেছে।1
- কৃষ্ণনগর পৌরসভার অধীন ৬ নং ওয়ার্ডে রয়েছে এই প্রাচীন মন্দির নাজিরা পাড়া, নদীয়া রাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের আমলের জনপদ। এখানেই রয়েছে একটি বিশাল মন্দির। অনেক আগে এই মন্দিরে পুজো হতো নিয়মিত কিন্তু এখন সেই মন্দিরটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।1
- পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ১ এলাকায় রেলের জমি দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়েছে। রাতারাতি একের পর এক অবৈধ দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযানের জেরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।1