সোমবার সকালে আচমকাই কলকাতার বাঘাযতীন রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের গায়ে থাকা একটি কাপড়ের দোকানে লাগে ভয়াবহ আগুন। সেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে প্রাণ বাঁচার জন্য। একাধীক নিত্য যাত্রীতে ভরা তখন রেল স্টেশন। তৎক্ষণাৎ রেলের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় লোকাল ট্রেন চলাচল। ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় দমকলের ইঞ্জিন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে কি করে এই আগুন লাগে তা এখন অজানা। কিন্তু বারংবার রেল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের তৎপরতার ওপর প্রশ্নের আঙ্গুল উঠেই চলেছে, কি করে বেআইনি ভাবে এইসব দোকান করবার জন্য অনুমতি পাওয়া যায় ? কে বা কারা এর পরিচালক? সেই নিয়ে কিন্তু রেলের ওপর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর সারা ভারত জুড়ে রেল স্টেশনে খাবার, চায়ের দোকান, কিংবা আরো অনেক ধরণের দোকানপাট আমরা দেখতে পাই যার কোনই সঠিক লাইসেন্স নেই। ও রেল স্টেশনে গ্যাস কিংবা ইন্ডাকসন ওভেন নিয়ে বসার অনুমতিপত্র দেখা যায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা। কিন্ত তার তোয়াক্কা না করেই এই অবৈধভাবে ব্যবসা চলছে বছরে পর বছর। কিন্তু যেখানে কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম কলকাতার পার্ক-সার্কাস স্টেশনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের মত এক ভয়ানক ছবি। তারপর সচেতন নয় রেল প্রশাসন। চলন্ত ট্রেনে ধূমপান থেকে শুরু করে মদ জুয়ার আড্ডা সবই চলে ট্রেনের কামড়ায়। কিন্ত রেল প্রশাসন কার্যত সে সব সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কবে থেকে রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে এইসব অবৈধ দোকাপাটের উপর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ? কিন্তু নিত্য দিনের যাত্রীদের অভিযোগ ও ফেলে দেবার মত নয় তারা বলছেন আজকের এই কাপড় দোকানের আগুন যদি কোনভাবে পাশে থাকা কোনো খাবারের দোকানের সিলিন্ডারের লেগে যেতো তাহলে হয়ত আরো অনেক বেশি বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তারা এও বলেন সকালে অনেকে ছোট ছোট বাচ্চারা সেই পথে স্কুলের জন্যে যাতায়াত করে, তাই তাদের যদি কোন ক্ষতি হত তার দায়ভার কার হত। তাই এত কিছুর পরও রেল প্রশাসন কেন একটি সঠিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অপারক সেই নিয়ে কিন্তু এখন ধোঁয়াশা রয়েছে।
সোমবার সকালে আচমকাই কলকাতার বাঘাযতীন রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের গায়ে থাকা একটি কাপড়ের দোকানে লাগে ভয়াবহ আগুন। সেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে প্রাণ বাঁচার জন্য। একাধীক নিত্য যাত্রীতে ভরা তখন রেল স্টেশন। তৎক্ষণাৎ রেলের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় লোকাল ট্রেন চলাচল। ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় দমকলের ইঞ্জিন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে কি করে এই আগুন লাগে তা এখন অজানা। কিন্তু বারংবার রেল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের তৎপরতার ওপর প্রশ্নের আঙ্গুল উঠেই চলেছে, কি করে বেআইনি ভাবে এইসব দোকান করবার জন্য অনুমতি পাওয়া যায় ? কে বা কারা এর পরিচালক? সেই নিয়ে কিন্তু রেলের ওপর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর সারা ভারত জুড়ে রেল স্টেশনে খাবার, চায়ের দোকান, কিংবা আরো অনেক ধরণের দোকানপাট আমরা দেখতে পাই যার কোনই সঠিক লাইসেন্স নেই। ও রেল স্টেশনে গ্যাস কিংবা ইন্ডাকসন ওভেন নিয়ে বসার অনুমতিপত্র দেখা যায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা। কিন্ত তার তোয়াক্কা না করেই এই অবৈধভাবে ব্যবসা চলছে বছরে পর বছর। কিন্তু যেখানে কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম কলকাতার পার্ক-সার্কাস স্টেশনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের মত এক ভয়ানক ছবি। তারপর সচেতন নয় রেল প্রশাসন। চলন্ত ট্রেনে ধূমপান থেকে শুরু করে মদ জুয়ার আড্ডা সবই চলে ট্রেনের কামড়ায়। কিন্ত রেল প্রশাসন কার্যত সে সব সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কবে থেকে রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে এইসব অবৈধ দোকাপাটের উপর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ? কিন্তু নিত্য দিনের যাত্রীদের অভিযোগ ও ফেলে দেবার মত নয় তারা বলছেন আজকের এই কাপড় দোকানের আগুন যদি কোনভাবে পাশে থাকা কোনো খাবারের দোকানের সিলিন্ডারের লেগে যেতো তাহলে হয়ত আরো অনেক বেশি বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তারা এও বলেন সকালে অনেকে ছোট ছোট বাচ্চারা সেই পথে স্কুলের জন্যে যাতায়াত করে, তাই তাদের যদি কোন ক্ষতি হত তার দায়ভার কার হত। তাই এত কিছুর পরও রেল প্রশাসন কেন একটি সঠিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অপারক সেই নিয়ে কিন্তু এখন ধোঁয়াশা রয়েছে।
- সোমবার সকালে আচমকাই কলকাতার বাঘাযতীন রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের গায়ে থাকা একটি কাপড়ের দোকানে লাগে ভয়াবহ আগুন। সেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে প্রাণ বাঁচার জন্য। একাধীক নিত্য যাত্রীতে ভরা তখন রেল স্টেশন। তৎক্ষণাৎ রেলের পক্ষ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় লোকাল ট্রেন চলাচল। ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয় দমকলের ইঞ্জিন, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে কি করে এই আগুন লাগে তা এখন অজানা। কিন্তু বারংবার রেল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের তৎপরতার ওপর প্রশ্নের আঙ্গুল উঠেই চলেছে, কি করে বেআইনি ভাবে এইসব দোকান করবার জন্য অনুমতি পাওয়া যায় ? কে বা কারা এর পরিচালক? সেই নিয়ে কিন্তু রেলের ওপর গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর সারা ভারত জুড়ে রেল স্টেশনে খাবার, চায়ের দোকান, কিংবা আরো অনেক ধরণের দোকানপাট আমরা দেখতে পাই যার কোনই সঠিক লাইসেন্স নেই। ও রেল স্টেশনে গ্যাস কিংবা ইন্ডাকসন ওভেন নিয়ে বসার অনুমতিপত্র দেখা যায় না। তাই এমন পরিস্থিতিতে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা। কিন্ত তার তোয়াক্কা না করেই এই অবৈধভাবে ব্যবসা চলছে বছরে পর বছর। কিন্তু যেখানে কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম কলকাতার পার্ক-সার্কাস স্টেশনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের মত এক ভয়ানক ছবি। তারপর সচেতন নয় রেল প্রশাসন। চলন্ত ট্রেনে ধূমপান থেকে শুরু করে মদ জুয়ার আড্ডা সবই চলে ট্রেনের কামড়ায়। কিন্ত রেল প্রশাসন কার্যত সে সব সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কবে থেকে রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে এইসব অবৈধ দোকাপাটের উপর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ? কিন্তু নিত্য দিনের যাত্রীদের অভিযোগ ও ফেলে দেবার মত নয় তারা বলছেন আজকের এই কাপড় দোকানের আগুন যদি কোনভাবে পাশে থাকা কোনো খাবারের দোকানের সিলিন্ডারের লেগে যেতো তাহলে হয়ত আরো অনেক বেশি বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। তারা এও বলেন সকালে অনেকে ছোট ছোট বাচ্চারা সেই পথে স্কুলের জন্যে যাতায়াত করে, তাই তাদের যদি কোন ক্ষতি হত তার দায়ভার কার হত। তাই এত কিছুর পরও রেল প্রশাসন কেন একটি সঠিক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অপারক সেই নিয়ে কিন্তু এখন ধোঁয়াশা রয়েছে।1
- রাজারহাট বিষ্ণুপুর ২ নাম্বার অঞ্চলের প্রধান অভিজিৎ নস্করের উদ্যোগে যুব দিবস উপলক্ষে একাধিক সামাজিক কর্মসূচি।1
- ফের রাজ্যে SIR আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ1
- *শ্যামনগরে যদি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত হলো রান ফর ইউথ* জ্যোতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী দিবস উপলক্ষে শ্যামনগর ২৩তম রেলগেট থেকে বাসুদেবপুর মোড় পর্যন্ত মোট ৩ কিলোমিটার হাফ ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। ২০০০ এর কাছাকাছি যুবক যুবতীরা অংশগ্রহণ করে এই হাফ ম্যারাথনের। এই হাফ ম্যারাথনের উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এবং জ্যোতি ফাউন্ডেশনের এর কর্ণধার প্রীয়াঙ্গু পান্ডে। এই ম্যারাথনের বিজয়ী প্রথম দশ জনের হাতে পুরস্কার, ট্রফি এবং সকল অংশগ্রহন কারীদের সার্টিফিকেট এবং মেডেল তুলে দেওয়া হয়।3
- বজবজ পৌরসভার উদ্যোগে কৃষি ও পুষ্প প্রদর্শনী প্রতিযোগিতা1
- এই এক চ্যালেঞ্জ ভিডিও দেখো লাইক টাইপ কারকে তুমলোগ আচ্ছা ওয়ালা গানা।1
- Baruipur Barta চ্যানেলটি নিয়মিত দেখতে অবশ্যই চ্যানেলটি follow করুন For more latest updates on news : ► Subscribe Baruipur Barta https://www.youtube.com/@BARUIPURBARTA-b4h ► Like us on Facebook: https://www.facebook.com/share/14RFHBL7vBs/ #baruipurbarta #news #viralnews #localnews #dailynews #dailyupdate #newsupdate #newsfeed #bengalinews #trendingnews #banglanews #breakingnews #dailynewsupdate #facebook #digitalnews #basonti #tmc #indiannews #AITC #BJPNEWS #GangasagarMela2026 Watch Baruipur Barta Channel, popular Bengali Online News channel .1
- হাওড়ায় বাস দূর্ঘটনায় মৃত্যু পথচারীর। বিক্ষোভ, ভাংচুর গ্রামবাসীদের।1