বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বের হলো বিশাল শোভাযাত্রা, পুলিশি নিরাপত্তা ও কড়া নজরদারির মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো আয়োজন বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বুধবার উৎসবের আবহে মেতে উঠল বলরামপুর শহর। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায় মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষের জমায়েত। সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ মুরাদগঞ্জ, মসজিদ রোড-সহ একাধিক এলাকা থেকে বের হয় একাধিক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ব্যানার, ধর্মীয় পতাকা ও নানা স্লোগানে শোভাযাত্রাগুলি শহরের রাজপথ পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রাকে ঘিরে সকাল থেকেই শহরজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন বয়সের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনে অংশ নেন। শহর পরিক্রমা শেষে সমস্ত শোভাযাত্রা হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন কারবালা ময়দানে এসে মিলিত হয়। সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য আগে থেকেই তৎপর ছিল বলরামপুর থানার পুলিশ প্রশাসন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পুলিশি তৎপরতা এবং আয়োজকদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয় বিশ্ব নবী দিবসের অনুষ্ঠান। ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি গোটা আয়োজন ঘিরে উঠে আসে শান্তি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তাও।
বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বের হলো বিশাল শোভাযাত্রা, পুলিশি নিরাপত্তা ও কড়া নজরদারির মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো আয়োজন বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বুধবার উৎসবের আবহে মেতে উঠল বলরামপুর শহর। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায় মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষের জমায়েত। সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ মুরাদগঞ্জ, মসজিদ রোড-সহ একাধিক এলাকা থেকে বের হয় একাধিক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ব্যানার, ধর্মীয় পতাকা ও নানা স্লোগানে শোভাযাত্রাগুলি শহরের রাজপথ পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রাকে ঘিরে সকাল থেকেই শহরজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন বয়সের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনে অংশ নেন। শহর পরিক্রমা শেষে সমস্ত শোভাযাত্রা হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন কারবালা ময়দানে এসে মিলিত হয়। সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য আগে থেকেই তৎপর ছিল বলরামপুর থানার পুলিশ প্রশাসন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পুলিশি তৎপরতা এবং আয়োজকদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয় বিশ্ব নবী দিবসের অনুষ্ঠান। ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি গোটা আয়োজন ঘিরে উঠে আসে শান্তি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তাও।
- বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বের হলো বিশাল শোভাযাত্রা, পুলিশি নিরাপত্তা ও কড়া নজরদারির মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলো আয়োজন বিশ্ব নবী দিবস উপলক্ষে বুধবার উৎসবের আবহে মেতে উঠল বলরামপুর শহর। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায় মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষের জমায়েত। সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ মুরাদগঞ্জ, মসজিদ রোড-সহ একাধিক এলাকা থেকে বের হয় একাধিক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ব্যানার, ধর্মীয় পতাকা ও নানা স্লোগানে শোভাযাত্রাগুলি শহরের রাজপথ পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রাকে ঘিরে সকাল থেকেই শহরজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন বয়সের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই আয়োজনে অংশ নেন। শহর পরিক্রমা শেষে সমস্ত শোভাযাত্রা হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন কারবালা ময়দানে এসে মিলিত হয়। সেখানে সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেজন্য আগে থেকেই তৎপর ছিল বলরামপুর থানার পুলিশ প্রশাসন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। পুলিশি তৎপরতা এবং আয়োজকদের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয় বিশ্ব নবী দিবসের অনুষ্ঠান। ধর্মীয় আবেগের পাশাপাশি গোটা আয়োজন ঘিরে উঠে আসে শান্তি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তাও।1
- কোনো Hollywood সিনেমার দৃশ্য নয়। হড়পা বান নেপালে! মুহূর্তের মধ্যেই হয়ে গেল সব কিছু ভেসে গেল জলের তোড়ে। কোনো Hollywood সিনেমার দৃশ্য নয়। হড়পা বান নেপালে! মুহূর্তের মধ্যেই হয়ে গেল সব কিছু ভেসে গেল জলের তোড়ে।1
- হড়পা বানের তাণ্ডব! নেপালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত পাহাড় হড়পা বানের তাণ্ডব! নেপালে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত পাহাড়!1
- রোটারি ক্লাব অফ পুরুলিয়া ও ‘নতুন দিশা’-র যৌথ উদ্যোগে, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্ত সংকট মেটাতে রক্তদান শিবির।1
- তারাপীঠ, কোলকাতা সহ বিভিন্ন যায়গায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পুরুলিয়া শহরের হোটেল মালিক, কর্মচারী ও সিকিউরিটি দের নিয়ে মকড্রিল ফায়ার ব্রিগেড দপ্তরের, আগুন লাগলে প্রাথমিক ভাবে কি করণীয় তার হাতে কলমে দেখানো হলো পুরুলিয়া শহরে। তারাপীঠ, কোলকাতা সহ বিভিন্ন যায়গায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর পুরুলিয়া শহরের হোটেল মালিক, কর্মচারী ও সিকিউরিটি দের নিয়ে মকড্রিল ফায়ার ব্রিগেড দপ্তরের, আগুন লাগলে প্রাথমিক ভাবে কি করণীয় তার হাতে কলমে দেখানো হলো পুরুলিয়া শহরে।1
- পুরুলিয়া ২ ব্লকে পরিদর্শনে মন্ত্রী। সরেজমিন খতিয়ে দেখলেন খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, উদ্যানপালনের কাজ। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিষয়ক নিজের দফতরের উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পুরুলিয়া জেলায় পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন সহ বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রী ড: কল্যাণ চক্রবর্তী। বুধবার পুরুলিয়া ২ নং ব্লকের দুমদুমি এলাকায় একটি সরকারি প্রকল্পের আওতা ভুক্ত বেসরকারি খামারবাড়িতে যান এবং সেখানে প্রযুক্তি গত ভাবে আধুনিকপদ্ধতি ব্যবহারে সবজি,ফল সহ নানান কৃষি উৎপাদন কেমন হচ্ছে বা উৎপাদনের কোনো সমস্যা আছে কি না তা খতিয়ে দেখেন। উল্লেখ্য কেবিনেট মন্ত্রী কল্যাণ বাবু নিজেও একজন কৃষি বিজ্ঞানী। তাই হর্টিকালচার এর সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়ে তার নখদর্পনে। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই তিনি পুরুলিয়া ২ ব্লকের বি ডি ও পুষ্পন্দু সাহা এবং জেলা সহ ব্লক কৃষি আধিকারিকদের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নির্দেশ দেন।1
- আপৎকালীন অবস্থায় আগুন লাগলে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নিয়ে হোটেলে হোটেলে করা হলো মক ড্রিল পুরুলিয়া শহরের বিভিন্ন হোটেল, বহুতল আবাসনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে চলল দমকল বিভাগের অভিযান । আপৎকালীন অবস্থায় আগুন লাগলে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নিয়ে হোটেলে হোটেলে করা হলো মক ড্রিল । বুধবার পুরুলিয়া শহরের একটি বেসরকারি হোটেলে এমনই মক ড্রিল করে দলকল বিভাগ । সেখত্রে আগুন লাগলে হোটেল কর্মীরা কি পদক্ষেপ নেবে ? হোটেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা বা আগুন নেভানোর জল কিভাবে ব্যবহার করবেন ? সমস্ত বিষয়গুলি শেখানো হয়1
- পুরুলিয়ায় আধুনিক কৃষি ও উদ্যানপালন খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী। পুরুলিয়ায় আধুনিক কৃষি ও উদ্যানপালন খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী।1