বামপন্থী আন্দোলনের পুরনো ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার, নির্বাচনী প্রচারে এসে বললেন সুজন চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ার জেলায় বামপন্থী আন্দোলনের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রচারে এসে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আলিপুরদুয়ার দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী রাজনীতির একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, আর সেই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতেই এবার জোর দিচ্ছে বাম শিবির। প্রচারে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, রাজ্যের বর্তমান শাসক দল ও বিরোধী শক্তির মধ্যে সংঘাতের রাজনীতি সাধারণ মানুষের স্বার্থকে উপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প শক্তি হিসেবে বামপন্থীদের এগিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি। আলিপুরদুয়ার-এর বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি সংগঠন মজবুত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, যুব সমাজ ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বামপন্থী আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা—চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষি সংকট—এই সব ইস্যুতেই বামপন্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। তিনি আশাবাদী, আসন্ন নির্বাচনে মানুষ আবারও বামপন্থীদের উপর আস্থা রাখবে এবং আলিপুরদুয়ারে সেই পুরনো সংগঠনিক শক্তি ফিরে আসবে। সবমিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারের মাটিতে দাঁড়িয়ে বামপন্থী ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে সংগঠনকে চাঙা করার বার্তাই দিলেন সুজন চক্রবর্তী।
বামপন্থী আন্দোলনের পুরনো ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার, নির্বাচনী প্রচারে এসে বললেন সুজন চক্রবর্তী আলিপুরদুয়ার জেলায় বামপন্থী আন্দোলনের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রচারে এসে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আলিপুরদুয়ার দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী রাজনীতির একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, আর সেই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতেই এবার জোর দিচ্ছে বাম শিবির। প্রচারে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, রাজ্যের বর্তমান শাসক দল ও বিরোধী শক্তির মধ্যে সংঘাতের রাজনীতি সাধারণ মানুষের স্বার্থকে উপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প শক্তি হিসেবে বামপন্থীদের এগিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি। আলিপুরদুয়ার-এর বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি সংগঠন মজবুত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, যুব সমাজ ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বামপন্থী আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা—চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষি সংকট—এই সব ইস্যুতেই বামপন্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। তিনি আশাবাদী, আসন্ন নির্বাচনে মানুষ আবারও বামপন্থীদের উপর আস্থা রাখবে এবং আলিপুরদুয়ারে সেই পুরনো সংগঠনিক শক্তি ফিরে আসবে। সবমিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারের মাটিতে দাঁড়িয়ে বামপন্থী ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে সংগঠনকে চাঙা করার বার্তাই দিলেন সুজন চক্রবর্তী।
- নির্বাচনের প্রাক্কালে নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর প্রশাসন। সেই প্রেক্ষিতেই বলরামপুরের কালজানি ব্রিজ নাকা SST পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হল নগদ ৯৫হাজার ৫২৫টাকা। জানা গিয়েছে, নিয়মিত নাকা চেকিংয়ের সময় সন্দেহজনক একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। গাড়ির ভেতর থেকেই উদ্ধার হয় এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ। সঙ্গে থাকা ব্যক্তির কাছে ওই টাকার কোনও বৈধ নথি বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না মেলায় টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্বাচনী বিধি কার্যকর থাকায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে যথাযথ কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। তা না থাকলে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। এদিকে, ভোটকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম অনিয়ম বা বেআইনি কার্যকলাপ না ঘটে, তার জন্য জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নাকা চেকিং আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।1
- মাথাভাঙ্গা বিধানসভায় সিপিএম প্রার্থী খগেন চন্দ্র বর্মনের সমর্থনে নিশিগঞ্জে রোডশো করলেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। নেতাজি সুভাষ সদন থেকে বাজার পর্যন্ত মিছিলের পর পথসভায় তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল ও বিজেপি ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাঁর দাবি, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবে যুবরা ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন এবং সেখানে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি স্কুল বন্ধ ও মদের দোকান বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের কোচবিহার জেলা সম্পাদক অনন্ত রায়। প্রার্থী খগেন বর্মন বলেন, জয়ী হলে এলাকার সমস্যার সমাধান ও মানুষের কথা বিধানসভায় তুলে ধরবেন।1
- বৃহস্পতিবার মাথাভাঙ্গা ১ ব্লকের গোপালপুর এলাকায় শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মনের সমর্থনে সভা অনুষ্ঠিত হলো।এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার,কোচবিহার জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ বর্মন, শীতলকুচি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সাবিত্রী বর্মন সহ অন্যান্যরা।এদিনের সভা থেকে বিজেপি নেতারা রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন।1
- দিনহাটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় উপচে পড়া ভিড়। সেই জনসমাগম দেখে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন গুহ বলেন, “এই ধরনের ভিড় সাধারণত ব্রিগেডে দেখা যায়।” তাঁর মতে, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের শক্তির বড় বার্তা।1
- ⭕BJP ক্ষমতায় আসার পর থানার সামনে শুধু জিপ থাকবে না থাকবে হলুদ রঙের বুলডোজার 'গোপালপুরে সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত মজুমদার1
- *দিনহাটার ও সিতাইয়ের মহিলারা সব সময় দিদির সাথে আছে মহিলারাই জিতাবে।1
- উদয়ন গুহর সমর্থনে পথে আইনজীবীরা, দিনহাটায় বার অ্যাসোসিয়েশনের মিছিল1
- ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শুক্রবার সেখানে কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা শাসক (ডিএম) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম উদ্বেগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এদিন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। তারা ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা শাসক জানান, “ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনও রকম ভয় বা প্রভাব ছাড়াই সবাইকে ভোটদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে।” একই সুরে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নিয়মিত টহলদারি চালানো হচ্ছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।” এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরাও। পাশাপাশি এলাকায় রুট মার্চও করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের যৌথ উদ্যোগে। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে বলে মনে করছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মনে আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।1
- কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ফলিমারিতে বৃহস্পতিবার জনসভা করে একাধিক ইস্যুতে সরব হলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বিজেপি প্রার্থী রথীন্দ্র বোসের সমর্থনে সভা থেকে তিনি দাবি করেন, অসমে ফের বিজেপি সরকার গঠন নিশ্চিত এবং বাংলাতেও পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। তাঁর মন্তব্য—“বাংলাদেশে হিন্দুদের উপড় কি হয়েছে আপনারা দেখেছেন।তাই এবার যারা ভয় পাবেন, তাঁদের পক্ষে এখানে থাকা কঠিন" মাছ-মাংস নিষিদ্ধ বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজেপি শাসিত কোথাও এমন নিষেধাজ্ঞা নেই এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আশঙ্কা ‘ভিত্তিহীন’। পাশাপাশি অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে কড়াকড়ির দাবি তোলেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডিসহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতারা।1