ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলাপ্রশাসন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শুক্রবার সেখানে কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা শাসক (ডিএম) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম উদ্বেগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এদিন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। তারা ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা শাসক জানান, “ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনও রকম ভয় বা প্রভাব ছাড়াই সবাইকে ভোটদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে।” একই সুরে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নিয়মিত টহলদারি চালানো হচ্ছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।” এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরাও। পাশাপাশি এলাকায় রুট মার্চও করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের যৌথ উদ্যোগে। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে বলে মনে করছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মনে আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলাপ্রশাসন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয়ে পৌঁছে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শুক্রবার সেখানে কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচিতে অংশ নেন জেলা শাসক (ডিএম) ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম উদ্বেগ না থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এদিন বালাভূত উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। তারা ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা শাসক জানান, “ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কোনও রকম ভয় বা প্রভাব ছাড়াই সবাইকে ভোটদানে উৎসাহিত করা হচ্ছে।” একই সুরে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নিয়মিত টহলদারি চালানো হচ্ছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।” এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরাও। পাশাপাশি এলাকায় রুট মার্চও করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের যৌথ উদ্যোগে। এর ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে বলে মনে করছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের কনফিডেন্স বিল্ডিং কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মনে আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ভোটের মুখে বিজেপিতে ভাঙন! শুকারুরকুটিতে ১০ পরিবার তৃণমূলে।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1
- বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ। সোমবার দুপুরে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ দিনহাটার মহকুমা শাসক অর্থাৎ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনের বিধি ভঙ্গ করে বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নামে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিনহাটা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা ভিলেজ দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় হাতেনাতে তা ধরেছে বলে তৃণমূলের দাবি। কি করে নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি চলাকালীন এভাবে ফরম ফিলাপ করতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি এদিন মহাকুমা শাসক দপ্তরে এসে আধিকারিকদের সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই এরকম 800 জনের তালিকা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন বলেও তিনি জানান। যার মধ্যে দিনহাটা ও মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থীর নাম রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, গোটা বিষয়টি দলের রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে এ বিষয় নিয়ে মামলা করা হয়েছে দলের তরফ থেকেও বলে তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা নির্বাচনের দুদিন আগেই আবারও আর গরম দিনহাটার রাজনীতি।1
- 📍হরিহর দাসের সমর্থনে গোপালপুরে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- কূর্শারহাটে বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের রোড শোকে ঘিরে চড়ল রাজনৈতিক উত্তেজনা। কর্মসূচি চলাকালীন বিজেপি সমর্থকদের ‘জয় শ্রীরাম’ এবং তৃণমূল সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। দুই পক্ষের পাল্টা স্লোগান ঘিরে সাময়িকভাবে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।1
- গত সাত আট বছরে প্রায় সব নির্বাচনের ঠিক মুখে কিছু মানুষ ধর্মনিরপেক্ষতার পোষাক পড়ে বিষ ছড়াতে শুরু করে। এরা দিনে পোষ্টার মেরে, লিফলেট ছড়িয়ে রাতে তৃনমূলের প্রার্থীর বাড়ি পৌঁছে পরবর্তী পরিকল্পনা করতে যান, এই কথা এখন বাজারে ঘাটে শোনা যাচ্ছে । একজন নাট্য দলের সঙ্গে যুক্ত এবং একজন কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন । এরা হরগোবিন্দ দাস , চন্দন দাসকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের সমর্থনকারীদের কে সাথে নিয়ে , সংখ্যাগুরু মৌলবাদের বিপদের গল্প শোনায়। কিন্তু বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারে, এরা বৈদেশিক ব্যাপার বলে চুপ করে থাকে।ব্যক্তি জীবনে প্রতিষ্ঠিত এবং কর্মক্ষেত্রে নিজ গুনে পরিচিত এই সমস্ত মানুষের দ্বিচারিতা বেদনাদায়ক। সম্মানীয় এই ব্যক্তিদের মধ্যস্বত্ব ভোগী বলবার ধৃষ্টতা আমার নেই । তৃণমূল কংগ্রেসের নরকের রাজত্বকে* টিকিয়ে রাখবার জন্য ,এই বাম নেতাদের প্রচেষ্টা আলোচনার দাবি রাখে বিশেষত এখনও যারা বামেদেরকে সমর্থন করেন তাদের কাছেও। সাধারন মানুষ এদের পরিচয় জেনে গেছে। সাধারন মানুষ এর আলোচনা পথ তৈরি করতে এই কথা বলা। প্রাক্তন বাম আন্দোলনের কর্মী হিসেবে এই কথাগুলো তুলে ধরলাম এই কারণে, বামেদের নেতৃত্বের একাংশ তৃণমূলের পক্ষ নিয়ে এই রাজ্যে তারা কাজ করছেন এবং এই রাজ্যকে রসাতলে পাঠানোর পেছনে তৃণমূলের সঙ্গী বামনেতারাও সমানভাবে দায়ী।1
- গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রকাশ উদয়ন গুহর! নিজের মুখেই জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1