বালির প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর বাড়ির মধ্যেই 'ডিম থেরাপি'র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একদল বিক্ষোভকারী তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দুর্নীতি, কাটমানি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই বাড়ির ভেতরের দিকে লক্ষ্য করে একাধিক ডিম ছোড়া হয়, যাকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডিম থেরাপি’ বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার সময় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। তবে, উল্লেখ্য যে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
বালির প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর বাড়ির মধ্যেই 'ডিম থেরাপি'র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একদল বিক্ষোভকারী তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দুর্নীতি, কাটমানি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই বাড়ির ভেতরের দিকে লক্ষ্য করে একাধিক ডিম ছোড়া হয়, যাকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডিম থেরাপি’ বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার সময় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। তবে, উল্লেখ্য যে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।
- বালির প্রাক্তন তৃণমূল ব্লক সভাপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তাঁর বাড়ির মধ্যেই 'ডিম থেরাপি'র ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, একদল বিক্ষোভকারী তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে দুর্নীতি, কাটমানি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এই বিক্ষোভ চলাকালীনই বাড়ির ভেতরের দিকে লক্ষ্য করে একাধিক ডিম ছোড়া হয়, যাকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডিম থেরাপি’ বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার সময় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে। তবে, উল্লেখ্য যে এই অভিযোগগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।1
- শুক্রবার সকালে মাথাভাঙা শহরের শনি মন্দির মোড় এলাকায় সদ্যজাত এক শিশুর ভ্রূণ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা একটি রক্তাক্ত খবরের কাগজের মধ্যে ওই ভ্রূণটিকে দেখতে পেয়েছিলেন। এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে মুহূর্তের মধ্যেই প্রচুর ভিড় জমে যায় এবং মাথাভাঙা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদ্যোজাত ভ্রূণটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। বর্তমানে পুলিশ এই ব্যস্ততম এলাকায় কে বা কারা ওই ভ্রূণটি ফেলে গেছে, তা খতিয়ে দেখছে।1
- এক সময় দিনহাটায় দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত বিশু ধরকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদল হতেই তাঁর এই দাপট কার্যত বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিনহাটা শিশুমঙ্গল সমিতির নামে তোলাবাজি চালাতেন। গ্রেফতারের পর পুলিশ তাঁকে কার্যত হাঁটিয়েই আদালতের উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। একদা 'বাঘের' মতো দাপট দেখানো এই নেতা যেন পুলিশের হাতে পড়তেই 'বিড়ালে' পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই গ্রেফতারি দিনহাটার এক ক্ষমতাশালী তৃণমূল নেতার দাপট কমে যাওয়ার ছবি তুলে ধরেছে।1
- উদয়নের ঘনিষ্ঠ বিশু ধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরপরই একজন বিজেপি নেতা বিস্ফোরক উক্তি করেছেন।1
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জুলাই মাসের আর্থিক সহায়তা কবে উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছাবে, তা নিয়ে বহু আবেদনকারীর মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা নতুন আবেদন করেছেন অথবা আগের কিস্তি পেতে সমস্যায় পড়েছিলেন, তাঁরা তাঁদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে আগ্রহী। প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে টাকা অ্যাকাউন্টে না এলেই উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। আবেদন যাচাই প্রক্রিয়া, নথি পরীক্ষণ, কিংবা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কিছু কারিগরি সমস্যার কারণে অর্থপ্রদানে বিলম্ব হতে পারে। আবেদনের বর্তমান অবস্থা জানতে উপভোক্তারা রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষা পোর্টালে লগ-ইন করতে পারেন। আধার-সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত ওটিপি ব্যবহার করে প্রবেশ করার পর ‘Track Application’ বা আবেদনপত্রের স্থিতি সংক্রান্ত বিভাগে গিয়ে আবেদন নম্বর, আধার নম্বর অথবা নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে তথ্য দেখা সম্ভব। যদি আবেদনের স্ট্যাটাসে ‘Approved’ বা ‘Verified’ লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে আবেদনটি সফলভাবে যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং তা পরবর্তী অর্থপ্রদানের পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে, যদি ‘Pending at BDO/SDO’ দেখা যায়, তবে সংশ্লিষ্ট আবেদন এখনও প্রশাসনিক স্তরে যাচাইয়ের অপেক্ষায় আছে, এবং এক্ষেত্রে কিছুদিন অপেক্ষা করে নিয়মিত স্ট্যাটাস পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা, আধার ও ব্যাঙ্কের তথ্যের অমিল, অথবা যৌথ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের মতো কারণেও অর্থপ্রদান আটকে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। যদি আবেদনপত্রের স্ট্যাটাসে ‘Rejected’ দেখা যায়, তবে আবেদন বাতিলের কারণ জেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।1
- আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় উদয়ন ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা বিশু ধর এক তাৎপর্যপূর্ণ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন যে, সৎভাবে রাজনীতি করার দিন শেষ হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিশু ধর আরও দাবি করেন যে তিনি আজীবন সৎ ছিলেন এবং সারা জীবন সৎ থাকবেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় শনি মন্দির মোড় এলাকায় সদ্যজাত একটি শিশুর রক্তাক্ত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তদন্তে নেমেছে।1
- তুফানগঞ্জ শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতি সুব্রত দাস ওরফে লিটনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত এবং সাধারণ মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। শুক্রবার তুফানগঞ্জ শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মদন মোহনপাড়া এলাকায় তাঁর ওপর 'ডিম থেরাপি' চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, সুব্রত দাস দীর্ঘদিন ধরে কাটমানি আদায়, রাজনৈতিক হিংসায় মদত দেওয়া এবং বিরোধী মতের মানুষের বাড়িঘর ভাঙচুরে জড়িত ছিলেন। এই দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ থেকেই এদিন স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিক্ষোভকারীরা প্রতিবাদস্বরূপ তাঁর দিকে ডিম ছুঁড়ে মারেন। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভবিষ্যতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিজেপির তুফানগঞ্জ বিধানসভা কো-কনভেনার নিখিল গাবুয়া এই ঘটনাকে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের চাপা জনরোষের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর মতে, কাটমানি, অত্যাচার ও রাজনৈতিক হিংসার বিরুদ্ধে মানুষ এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনা তুফানগঞ্জের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ও স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।1