চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি। রবিবার দুপুর একটায় ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে। সময়ের দ্রুতগতি, প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং মানুষের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন এই তিনের জটিল সম্পর্ক নিয়েই নিজের মতামত তুলে ধরলেন কথাসাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক ও নির্দেশক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি বলেন, বর্তমান সময় অত্যন্ত গতিময়। মানুষ প্রতিনিয়ত কিছু না কিছুর পিছনে ছুটে চলেছে। এই দ্রুতগতির জীবনে মনের কথা বলার বা অনুভূতি প্রকাশের অবকাশ ক্রমশ কমে আসছে। তাঁর মতে, প্রযুক্তির যত উন্নতি হচ্ছে, মানুষের মন ততটাই পিছনের দিকে সরে যাচ্ছে। সমাজ, ক্ষমতা ও সম্পর্ক নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মানুষ সভ্যতা গড়ে তুলেছে নিয়মনীতি, আইনকানুন ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ক্ষমতার কাঠামোই অনেক সময় মানুষের সম্পর্ককে জটিল করে তোলে। সম্পর্ক সৃষ্টি, তার পরিচয় নির্ধারণ এবং তা ধরে রাখার চেষ্টার মধ্যেই মানুষের জীবন আবর্তিত হয়।
চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি। রবিবার দুপুর একটায় ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে। সময়ের দ্রুতগতি, প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং মানুষের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন এই তিনের জটিল সম্পর্ক নিয়েই নিজের মতামত তুলে ধরলেন কথাসাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক ও নির্দেশক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি বলেন, বর্তমান সময় অত্যন্ত গতিময়। মানুষ প্রতিনিয়ত কিছু না কিছুর পিছনে ছুটে চলেছে। এই দ্রুতগতির জীবনে মনের কথা বলার বা অনুভূতি প্রকাশের অবকাশ ক্রমশ কমে আসছে। তাঁর মতে, প্রযুক্তির যত উন্নতি হচ্ছে, মানুষের মন ততটাই পিছনের দিকে সরে যাচ্ছে। সমাজ, ক্ষমতা ও সম্পর্ক নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মানুষ সভ্যতা গড়ে তুলেছে নিয়মনীতি, আইনকানুন ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ক্ষমতার কাঠামোই অনেক সময় মানুষের সম্পর্ককে জটিল করে তোলে। সম্পর্ক সৃষ্টি, তার পরিচয় নির্ধারণ এবং তা ধরে রাখার চেষ্টার মধ্যেই মানুষের জীবন আবর্তিত হয়।
- দুর্গাপুরের অন্ডালের সিদুলি এলাকায় স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের দিনই প্রাক্তন স্বামীর হামলা, গুলিবিদ্ধ কাকা স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের দিনই প্রাক্তন স্বামীর হামলা, গুলিবিদ্ধ কাকা। প্রাক্তন স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের দিনই চাঞ্চল্যকর হামলার ঘটনা ঘটল অন্ডালের সিদুলি বেদপাড়া এলাকায়। অভিযোগ, প্রাক্তন স্বামী কয়েকজন দুষ্কৃতীকে নিয়ে এসে গুলি চালায়, আর সেই গুলিতে গুরুতর জখম হন মহিলার কাকা। ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। রবিবার দুপুর প্রায় দু’টো নাগাদ অন্ডাল থানার অন্তর্গত সিদুলি বেদপাড়ায় এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের কুরুরিয়া ডাঙ্গার ডাঙালপাড়ার বাসিন্দা শিবা বেদের সঙ্গে কয়েক বছর আগে বিয়ে হয় সিদুলি বেদপাড়ার বাসিন্দা মাম্পি বেদের। কিন্তু স্বামীর বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচারের অভিযোগে প্রায় চার বছর আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে কাকার বাড়িতে এসে থাকতে শুরু করেন মাম্পি। পরিবারের উদ্যোগে রবিবার মাম্পির দ্বিতীয় বিয়ের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার প্রাক্তন স্বামী শিবা বেদ দুটি চারচাকা গাড়ি নিয়ে কয়েকজন সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে হাজির হয়। এরপর আচমকাই গুলি চালানো হয়। সেই গুলিতে গুরুতর জখম হন মাম্পির কাকা। আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।1
- দুর্গাপুরের বেনাচিতি থেকে সুশীল সিং তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। তিনি যীশু খ্রীষ্টের নামে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলা দীর্ঘ ১৫ বছর পর একজন পূর্ণমন্ত্রী পেল। ক্ষুদিরাম টুডুকে এই পদে পেয়ে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে, যা জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে।1
- ১৫ বছর পর ফের রাজ্যের পূর্ণমন্ত্রী পেলো বাঁকুড়া, ক্ষুদিরাম টুডু বাঁকুড়ায় পৌঁছাতেই বিজেপি কর্মীরা তাঁকে ঘিরে ভাসলেন বাঁধভাঙা উচ্ছাস আর উন্মাদনায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর রাজ্যের পূর্ণ মন্ত্রী পেলো বাঁকুড়া। গতকালই পরিবর্তনের সরকারে ক্যবিনেট মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন রানীবাঁধের বিধায়ক ক্ষুদিরাম টুডু। আজ ক্ষুদিরাম টুডু জেলাতে পৌঁছাতেই তিনি ভাসলেন বিজেপি কর্মীদের বাঁধভাঙা উচ্ছাস, উন্মাদনা আর অভিনন্দনের বন্যায়। বাঁকুড়া জেলায় শেষ পূর্ণ মন্ত্রী ছিলেন বাম আমলের পার্থ দে। তারপর থেকে আর বাঁকুড়ার কোনো জনপ্রতিনিধি পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাননি। স্বাধীনতার পর বাম আমল হোক বা তৃনমূল আমল একাধিকবার বাঁকুড়ার জঙ্গলমহল থেকে নির্বাচিত একাধিক জনপ্রতিনিধি রাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও কোনোদিনই পূর্ণ মন্ত্রী পায়নি জঙ্গলমহল। অতীতের সেই রেকর্ড ভেঙে প্রায় দেড় দশক পর যেমন বাঁকুড়ার ভাগ্যে জুটেছে পূর্ণ মন্ত্রী তেমনই বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে প্রথম বারের জন্য পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন ক্ষুদিরাম টুডু। মন্ত্রী হিসাবে গতকাল শপথ নেওয়ার পর আজই প্রথম ক্ষুদিরাম টুডু পৌঁছান বাঁকুড়ায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে। কার্যালয়ে পৌঁছাতেই ফুলের তোড়া আর শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান ক্ষুদিরাম টুডু। ক্ষুদিরাম টুডুর দাবি দপ্তর পাওয়ার পর একদিকে যেমন এতদিন ধরে দেওয়া ভুয়ো তপশিলী উপজাতি সংশাপত্র বাতিল করার ব্যপারে উদ্যোগ নেবেন তেমনই স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করে জঙ্গলমহলে বন্ধ হয়ে পড়া স্কুলগুলিকে পুনরায় চালু করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। এছাড়াও পানীয় জল, রাস্তাঘাট সহ জঙ্গলমহলের পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নব নির্বাচিত বিধায়ক।1
- গেরুয়া আলোয় সেজে উঠল নবান্ন কালকে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী1
- বিজেপি সনাতন ধর্মকে অপমানকারীদের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দলটি জানিয়েছে, যারা সনাতনের অপমান করবে তাদের হিসেব নেওয়া হবে, যা দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি করেছে।1
- পশ্চিম বাংলার রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি করে শুভেন্দু অধিকারী এক বিশেষ ব্যক্তিকে 'টাইগার' বলে সম্বোধন করেছেন। এই মন্তব্যের সাথে প্রকাশিত হয়েছে একটি এক্সক্লুসিভ ছবি, যা নিয়ে তীব্র কৌতূহল তৈরি হয়েছে।1
- চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে চিন্তায় সমাজ, মানুষ ও সময়ের গতি: প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের বক্তব্যে উঠে এল বর্তমানের প্রতিচ্ছবি। রবিবার দুপুর একটায় ছবি দেখানো হলো দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে। সময়ের দ্রুতগতি, প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং মানুষের মানসিক অবস্থার পরিবর্তন এই তিনের জটিল সম্পর্ক নিয়েই নিজের মতামত তুলে ধরলেন কথাসাহিত্যিক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক ও নির্দেশক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য। সম্প্রতি এক আলোচনায় তিনি বলেন, বর্তমান সময় অত্যন্ত গতিময়। মানুষ প্রতিনিয়ত কিছু না কিছুর পিছনে ছুটে চলেছে। এই দ্রুতগতির জীবনে মনের কথা বলার বা অনুভূতি প্রকাশের অবকাশ ক্রমশ কমে আসছে। তাঁর মতে, প্রযুক্তির যত উন্নতি হচ্ছে, মানুষের মন ততটাই পিছনের দিকে সরে যাচ্ছে। সমাজ, ক্ষমতা ও সম্পর্ক নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মানুষ সভ্যতা গড়ে তুলেছে নিয়মনীতি, আইনকানুন ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে। কিন্তু সেই ক্ষমতার কাঠামোই অনেক সময় মানুষের সম্পর্ককে জটিল করে তোলে। সম্পর্ক সৃষ্টি, তার পরিচয় নির্ধারণ এবং তা ধরে রাখার চেষ্টার মধ্যেই মানুষের জীবন আবর্তিত হয়।1