Shuru
Apke Nagar Ki App…
জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 বিজেপি🙏🙏 জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 মোদি জি জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 ভিডিও টি শেষ পর্যন্ত দেখুন🙏🙏🙏🙏 জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 ও ভিডিও টি প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করুন🙏🙏
Bjym dubrajpur4mondol somnath
জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 বিজেপি🙏🙏 জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 মোদি জি জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 ভিডিও টি শেষ পর্যন্ত দেখুন🙏🙏🙏🙏 জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 ও ভিডিও টি প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করুন🙏🙏
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 বিজেপি🙏🙏 জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 মোদি জি জিন্দাবাদ🙏🙏🙏 ভিডিও টি শেষ পর্যন্ত দেখুন🙏🙏🙏🙏 জয় শ্রী রাম🙏🙏🙏 ও ভিডিও টি প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করুন🙏🙏1
- কার হয়ে নামছেন রেজিনগরের উপনির্বাচনে এমপি আবু তাহের খান ? কি বললেন তিনি দেখুন কার হয়ে নামছেন রেজিনগরের উপনির্বাচনে এমপি আবু তাহের খান ? ঋতব্রত তৃণমূল পন্থী শফিউজ্জামান শেখ এই নিয়ে কি বললেন সাংসদ আবু তাহের খান।1
- এই ভিডিওটা দেখার পরেও কি আপনারা কিছু বলতে চান 😂🤣 আপনাদের কি মনে হচ্ছে এটা মুসলমানদের দোকান 🙏😅 গরুর মাংস বিক্রি তাও আবার হিন্দু দোকানে 🤣😂 location Chennai1
- জলঙ্গীর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পরাশপুর চরে নদীর জলে এক কিশোরীর মৃত্যুর পর আরো এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার। এই দুর্ঘটনায় মোট দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। জলঙ্গীর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পরাশপুর চরে নদীর জলে এক কিশোরীর মৃত্যুর পর আরো এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার। এই দুর্ঘটনায় মোট দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি নিখোঁজ হওয়া আরো দুজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়ছে। উদ্ধার করেছে চরের স্থানীয় বাসিন্দারা। বান্ধবীদের সঙ্গে স্নান করতে নেমে জলে ডুবে একসঙ্গে দুই কিশোরীর মৃত্যু। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরাশপুর চর এলাকায়। এই ঘটনায় উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য সাদিখাঁরদেয়াড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার পর চর পরাশপুর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। জানা গেছে,মঙ্গলবার দুপুরে চার কিশোরী নদীতে স্নান করতে নেমেছিল,এরপরেই হঠাৎ দুজন নদীর গভীরে চলে যায়। পাশাপাশি আরো দুজনকে স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে। তারা সাঁতার জানতো না বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলঙ্গী থানার পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ পৌঁছে উদ্ধার হওয়া দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।1
- YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও। YPC-তে চ্যাম্পিয়ন, প্রতিশ্রুতি ছিল বিরিয়ানির! জয়ীদের গণ্ডি পেরিয়ে ৪০০ পড়ুয়ার পাতে প্রধান শিক্ষকের ‘সাফল্যের ভোজ’ ঝটিকা সফরে হাজির বিধায়কও। নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ প্রতিশ্রুতি ছিল, চ্যাম্পিয়ন হলে বিরিয়ানি খাওয়াবেন। কথা রাখলেন প্রধান শিক্ষক। তবে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের জন্য নয়, স্কুলের প্রায় ৪০০ ছাত্রের পাতে তুলে দিলেন বিরিয়ানি। YPC-তে ব্লক স্তরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দ এবার ভাগ করে নিল গোটা বিদ্যালয়। মঙ্গলবার নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয় (বালক)-এ মিড-ডে মিলের বিশেষ আয়োজনে তাই অন্য দিনের তুলনায় ছিল আলাদা আবহ। আর সেই আয়োজনের খবর পেয়েই এদিন সকালে কাউকে না জানিয়ে আচমকা স্কুলে হাজির হন নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। রান্না, খাবারের মান এবং মিড-ডে মিলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন মণ্ডল জানান, সম্প্রতি YPC-তে ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় প্রথম স্থান অধিকার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। পড়ুয়াদের সেই সাফল্যের আগে থেকেই উৎসাহ দিতে তাঁদের কথা দিয়েছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে স্কুলে বিরিয়ানির আয়োজন করবেন। সাফল্য আসার পর প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। কিন্তু তখনই তাঁর মনে হয়, প্রতিযোগিতায় সাফল্যের আনন্দ শুধু ওই কয়েক জন পড়ুয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে বাকিরা কেন বঞ্চিত থাকবে? স্কুলের প্রত্যেক পড়ুয়াই তো এই সাফল্যের অংশ। সেই ভাবনা থেকেই শেষ পর্যন্ত জয়ীদের পাশাপাশি অন্যান্য ছাত্রদেরও এই আনন্দে সামিল করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রধান শিক্ষকের কথায়, ‘‘চ্যাম্পিয়ন হলেই ওদের বিরিয়ানি খাওয়াব বলেছিলাম। তার পরে মনে হল, অন্যান্য ছাত্ররা বঞ্চিত হবে কেন? তাই সবার জন্যই ব্যবস্থা করেছি।’’ সেই সিদ্ধান্তের ফলেই এদিন প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিশেষ মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়। সাধারণ দিনের খাবারের বদলে পাতে আসে বিরিয়ানি। পড়ুয়াদের মধ্যেও সকাল থেকেই ছিল উৎসাহ। নিজেদের স্কুলের সাফল্যকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজন হওয়ায় আনন্দে সামিল হয় তারাও। এই বিশেষ আয়োজনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিদ্যালয়ের কিচেন গার্ডেনও। প্রধান শিক্ষক জানান, স্কুলে একটি কিচেন গার্ডেন রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদন করা হয়। সেই সবজি মিড-ডে মিলে ব্যবহার করা হয়। ফলে বাজার থেকে সবজি কেনার খরচের একটি অংশ বেঁচে যায়। সেই সাশ্রয় হওয়া অর্থের কিছুটা কাজে লাগিয়েই বিশেষ এই মিড-ডে মিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। অর্থাৎ, পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করতে আলাদা কোনও বড়সড় আয়োজনের প্রয়োজন হয়নি। বিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনাতেই নিয়মিত মিড-ডে মিল চালানোর পাশাপাশি কিছুটা সাশ্রয় করে সেই অর্থ ফের পড়ুয়াদের খাবারের পিছনেই ব্যবহার করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই ব্যবস্থাপনার কথাই। তবে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে এ ধরনের বিশেষ খাবারের আয়োজন একেবারে নতুন নয়। প্রধান শিক্ষক জানান, বিভিন্ন অনুষ্ঠান বা বিশেষ উপলক্ষে পড়ুয়াদের জন্য পনির, রসগোল্লা-সহ নানা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। চিকেনও দেওয়া হয়। মাসে এক দিন করে চিকেন দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ দিনগুলিকে পড়ুয়াদের কাছে স্মরণীয় করে তুলতেই এমন আয়োজন করা হয়। এই পুরো ব্যবস্থাপনার পিছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদেরও ভূমিকা রয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। তাঁর কথায়, মিড-ডে মিল শুধু রাঁধুনিদের দায়িত্ব নয়। শিক্ষকরা নিজেরাও গোটা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকেন। রান্না থেকে পরিবেশন, খাবারের মান—সবকিছুর দিকেই নজর রাখা হয়। এদিনের বিরিয়ানির আয়োজনেও সমস্ত শিক্ষক সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমার একার পক্ষে এত বড় আয়োজন করা সম্ভব নয়। সবাই মিলে এই মিড-ডে মিলটা চালাই।’’ এদিকে, এদিনের বিশেষ আয়োজনের খবর পেয়েই সকালে স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী। তবে আগে থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে নয়, অনেকটা ঝটিকা সফরের মতোই তাঁর এই পরিদর্শন। বিধায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, মিড-ডে মিলের বাস্তব পরিস্থিতি নিজের চোখে দেখতেই তিনি আচমকা স্কুলে পৌঁছন। বিশেষ করে আগের দিনে মিড-ডে মিল নিয়ে যে সমস্ত অভিযোগের কথা শোনা যেত, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই খাবারের মান খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি। স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধই প্রথমে তাঁর নজর কাড়ে। পরে নিজে গিয়ে রান্নার জায়গা এবং খাবারের ব্যবস্থা দেখেন। খাবার কী ভাবে তৈরি হচ্ছে, তার মান কেমন—সবটাই দেখেন বিধায়ক। এরপরই বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিধায়কের বক্তব্য, স্কুলে ঢোকার পর রান্নার গন্ধ পেয়েই তাঁর মনে হয়েছিল খাবারের ব্যবস্থা ঠিকঠাক হচ্ছে। পরে নিজে গিয়ে দেখে আরও নিশ্চিত হন। তাঁর দাবি, মিড-ডে মিল প্রকল্পের মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নজর রাখছেন। চালের মান-সহ মিড-ডে মিলের বিভিন্ন বিষয় তিনি আগেও পরীক্ষা করেছেন বলে জানান। এদিনের ব্যবস্থাপনাও তাঁর কাছে যথেষ্ট ভালো লেগেছে। বিধায়ক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে চলা মিড-ডে মিল প্রকল্পের সুফল যাতে পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছয়, সে বিষয়ে শিক্ষকরা নজর রাখছেন। রান্না, রাঁধুনিদের কাজ এবং সামগ্রিক পরিবেশ দেখে তিনি খুশি। তাঁর কথায়, খাবারের মান ‘‘একদম এক নম্বর’’। বিধায়কের এই আচমকা পরিদর্শন নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষকও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা, খাবারের মান, রাঁধুনিদের কাজ এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতা দেখে বিধায়ক খুশি হয়েছেন। ভবিষ্যতেও বিদ্যালয়ে আসবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছেন বলে জানান প্রধান শিক্ষক। স্কুলের এই সাফল্যের গল্পে পড়ুয়াদের কথাও গুরুত্বপূর্ণ। একাদশ শ্রেণির ছাত্র দেবরাজ দেবনাথ জানায়, YPC-র ব্লক স্তরের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান পাওয়ার পরই প্রধান শিক্ষক তাঁদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সাফল্য এলে বিরিয়ানি খাওয়ানো হবে—সেই কথা তখনই শুনেছিল তারা। কিন্তু পরে যখন জানতে পারে, শুধু প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের নয়, গোটা স্কুলের ছাত্রদের জন্যই বিরিয়ানির আয়োজন হচ্ছে, তখন আনন্দ আরও বেড়ে যায়। দেবরাজের কথায়, স্কুল একটি জায়গায় গিয়ে জিতে এসেছে—এই সাফল্যের আনন্দে সকলে একসঙ্গে সামিল হতে পারছে। প্রধান শিক্ষক তাঁদের সাফল্যকে যে ভাবে উদযাপন করছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে সে। আগামী দিনেও স্কুলের পড়ুয়ারা কোনও প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্য পেলে প্রধান শিক্ষক একই ভাবে তাঁদের পাশে থাকবেন বলে আশা তার। বর্তমানে নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৭০০ পড়ুয়া রয়েছে। বিদ্যালয়ে রয়েছেন ২৪ জন শিক্ষক, এক জন পার্শ্ব শিক্ষক এবং চার জন শিক্ষাকর্মী। পাশাপাশি দু’টি ক্লার্কের পদ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে কোনও ক্লার্ক নেই। ক্লার্ক ছাড়াই বিদ্যালয়ের অফিসের কাজ চালাতে হচ্ছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক। একদিকে YPC-তে ব্লক স্তরে স্কুলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া, সেই সাফল্যের আনন্দে প্রায় ৪০০ পড়ুয়ার জন্য বিরিয়ানির আয়োজন, অন্যদিকে সেই আয়োজনের মাঝেই বিধায়কের আচমকা স্কুল পরিদর্শন। সব মিলিয়ে এদিন নবদ্বীপ জাতীয় বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের আয়োজন শুধু বিশেষ খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকল না। পড়ুয়াদের সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি সামনে এল স্কুলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা, কিচেন গার্ডেন এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের সম্মিলিত উদ্যোগের ছবিও।1
- তিন বছর ধরে চলছে পাইপলাইনের কাজ, তবুও বাড়িতে পৌঁছায়নি জল! কাজের সময় মাটি চাপা পড়ে গুরুতর জখম শ্রমিক মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার নরসিংহপুরে রাস্তার পাইপলাইনের কাজ করতে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে গুরুতরভাবে জখম হলেন এক যুবক। আহত যুবকের নাম সম্রাট শেখ বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় তিন বছর ধরে নরসিংহপুর এলাকায় পাইপলাইনের কাজ চলছে। দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তিও বাড়ছে বলে অভিযোগ। এর মধ্যেই মঙ্গলবার ফের পাইপলাইনের কাজ চলাকালীন মাটি চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন এক শ্রমিক। ঘটনার পর তাঁকে দ্রুত ডোমকল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সাগরপাড়া থানার পুলিশ। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে কাজ চললেও এখনও এলাকার বহু বাড়িতে জল পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের অভিযোগ, কাজের গতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। যদিও স্থানীয়দের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দুর্নীতি ও গাফিলতির অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত এবং সঠিকভাবে পাইপলাইনের কাজ সম্পূর্ণ করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ প্রকল্পের প্রকৃত সুবিধা পান এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে। তিন বছর ধরে কাজ, তবুও জল নেই—আর এবার কাজের সময় শ্রমিক মাটি চাপা! নরসিংহপুরের পাইপলাইন প্রকল্প ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।1
- তৃণমূলকে ডিম ছুড়লে আগামী দিনে বিজেপিকে কি ছুড়বে বাংলার মানুষ বললেন ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য সম্পাদক তৃণমূলকে ডিম ছুড়ছে, আগামী দিনে বিজেপিকে কি ছুড়বে বাংলার মানুষ? বলেদিলেন DYFI রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবোজ্যোতি সাহা পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে কর্মী বৈঠক ও মিছিল করল DYFI। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর কলকাতায় DYFI-এর ডাকে আয়োজিত সমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে গলসির দলীয় কার্যালয়ে কর্মীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন DYFI-এর রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা। বৈঠক শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। শিল্পের দাবিতে আয়োজিত এই মিছিলে পা মেলান বহু বামকর্মী ও সমর্থক। মিছিলটি গলসি বাজার পরিক্রমা করে পূর্ব বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছায়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে নিশানা করেন। এদিনের কর্মসূচি থেকে শিল্প ও কর্মসংস্থানের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরেন DYFI নেতৃত্ব। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা তৃণমূলকে ডিম ছোঁড়া নিয়ে কি বললেন, শুনুন....1
- মঙ্গলকোট থানার বেল গ্রামে প্রথমে বিষ খেয়ে পড়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়ল এক ব্যক্তি বিষ খেয়ে পরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী এক ব্যক্তি, মৃত ব্যক্তির নাম কল্যাণ পাল (৪০) পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার বেল গ্রামে বাড়ি। জানা গেছে গতকাল তিনি প্রথমে বিষ পান করেন পরে ছাদে গিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নামিয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসা চলাকালীন গতকাল তার মৃত্যু হয়। তবে কেন সে ধরনের কাজ করল তা বুঝে উঠতে পারছেন মৃতের স্ত্রী। আজ সোমবার বিকেল চারটেয় বর্ধমান থানার পুলিশ মৃত দেহটি ময়নাতদন্তের পর তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়।1